যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ অঙ্গরাজ্যে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক নারীর বিরুদ্ধে। পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, ৩৩ বছর বয়সী কৌরি রিচিন্স স্বামীকে ব্যথানাশক ওষুধ ফেনটানিন দিয়ে হত্যা করেন। বিবিসি জানায়, তিন সন্তানের জননী কৌরি স্বামীকে হত্যার পর দুঃখ নিয়ে বই লেখেন এবং গুগলে একাধিকবার বিলাসবহুল কারাগারের খোঁজ করেন। তার অনুসন্ধান করা বিষয়গুলোর মধ্যে আরও ছিল, মুছে ফেলা মেসেজ তদন্তকারীরা দেখতে পারেন কিনা, জীবন বীমা কোম্পানির টাকা দিতে কত সময় নেয়, মিথ্যা ধরার যন্ত্র দিয়ে সত্য যাচাইয়ের পরীক্ষার জন্য পুলিশ বাধ্য করতে পারে কিনা কিংবা মৃত্যু সনদে মৃত্যুর কারণ পরিবর্তন করা যায় কিনা। ‘ফৌজদারি তদন্তে পড়ার লক্ষণসমূহ’ সংক্রান্ত একটি প্রবন্ধও এই তালিকায় ছিল। সোমবার আদালতে শুনানির সময় এসব অনুসন্ধানের কথা ফাঁস হলে কৌরি রিচিন্সকে সমাজের জন্য ক্ষতিকর অভিহিত করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। যদিও কৌরির উকিল ক্লেটন সিমস বলেন, তার মক্কেল মামলায় আনা অভিযোগের বিষয়ে যাচাই-বাছাই করতেই এসব বিষয়ে অনুসন্ধান চালিয়েছেন। বিবিসির রিপোর্ট থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের মার্চের এক রাতে কৌরি পুলিশকে ফোন করে জানান, তার স্বামী এরিক রিচিন্সের শরীর ‘ঠান্ডা’ হয়ে পড়ে আছে। তিনি পুলিশকে আরও জানান, অচেতন অবস্থায় পাওয়ার আগে তিনি এরিককে মদ পান করতে দিয়েছিলেন। এদিকে ময়নাতদন্তের পর জানা যায়, মদ্যপান নয়, এরিক ফেনটানিনের অতিরিক্ত ডোজের কারণে মারা গেছেন। আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০২২ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত এক ব্যক্তির কাছে কৌরি হাইড্রোকোডোন ধরনের ব্যথানাশক ওষুধ চেয়েছিলেন। এর আগে পুলিশ ওই ব্যক্তিকে মাদক সরবরাহের মামলায় গ্রেপ্তার করেছিল।
মন্তব্য করুন