

নবম পে-স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন বেতন নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে ২০ হাজার ২৫০ টাকা, যা প্রায় আড়াই গুণ বৃদ্ধি। বর্তমানে সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা।
চূড়ান্ত হওয়া বেতন কমিশনের প্রতিবেদনে এই প্রস্তাব রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় দেড় গুণ বাড়িয়ে সর্বোচ্চ বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকার সুপারিশ করা রয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতন অনুপাত ১:৮।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেবে বেতন কমিশন।
দায়িত্ব গ্রহণের প্রায় দেড় বছর পর ধসে পড়া অর্থনীতির গতি ফেরাতে সক্রিয় হয় অন্তর্বর্তী সরকার। আর্থিক খাত সংস্কারের পাশাপাশি উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজার ব্যবস্থাপনায় নজর দেওয়া হয়। একই সঙ্গে আয়বৈষম্য কমাতে নেওয়া হয় বিভিন্ন উদ্যোগ।
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়ানোর লক্ষ্যে গত জুলাইয়ে গঠন করা হয় পে-কমিশন। প্রায় ছয় মাসের কাজ শেষে তারা বেতন ও ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ চূড়ান্ত করেছে।
বুধবার বিকেল ৫টায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দেওয়া হবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের সর্বনিম্ন বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা, যা বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে সর্বোচ্চ ধাপের বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। এতে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের অনুপাত নির্ধারণ করা হচ্ছে ১:৮।
পুরো বেতনকাঠামো বাস্তবায়নে অতিরিক্ত ব্যয় হবে প্রায় ৮০ হাজার কোটি টাকা। আগামী ১ জুলাই থেকে এই কাঠামো কার্যকর করার দায়িত্ব থাকবে পরবর্তী রাজনৈতিক সরকারের ওপর।
এ বিষয়ে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, চেয়ারম্যান বলেছেন সবাই খুশি হবে।
এর আগে চলতি জানুয়ারি মাস থেকেই আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
মন্তব্য করুন