

আসন্ন সংসদ ও গণভোটের তপশিল ঘোষণায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘নির্বাচন কমিশনের তপশিল ঘোষণা আমাদের আশ্বস্ত করেছে। এ ঘোষণার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হয়েছে—নির্বাচন কমিশন, সরকার ও রাজনৈতিক দলগুলো এ নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে চায়। জনগণের ভোটের অধিকার বাস্তবায়িত করতে চায়।’ গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দীন তপশিল ঘোষণার পর বিএনপি মহাসচিব তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘নির্বাচনের তপশিল ঘোষণায় আমরা মোটামুটিভাবে সন্তুষ্ট। মূল বিষয়টা হচ্ছে—২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছে, একই সঙ্গে গণভোট। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য ঘটনা।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠান করবে। এখানে সব রাজনৈতিক দল ও প্রার্থী সচেতনভাবে এ নির্বাচনকে একটি উৎসবমুখর নির্বাচনে পরিণত করবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রায় ৯ মাস রাষ্ট্র সংস্কারে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। অনেকগুলো বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। কতগুলো বিষয়ে একমত হতে পারিনি। সেগুলো গণভোটের মাধ্যমে আসবে। আমরা মনে করি, এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে একটি নতুন দিগন্তের সূচনা হবে।’
বিএনপির প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে মহাসচিব বলেন, ‘আমরা এখনো চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা দিইনি। আমরা সেই তালিকা এখন চূড়ান্ত করব। আমাদের সঙ্গে যারা যুগপৎ আন্দোলন করেছেন, তাদের অবশ্যই যথাযথভাবে বিবেচনা করব। আমরা মূল্যায়ন করব।’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা বরাবর বলেছি যে নির্বাচনের ব্যাপারে কোনো আশঙ্কা নেই। নির্বাচন হতেই হবে, তপশিল ঘোষণা হয়েছে, ইনশাআল্লাহ নির্বাচন হবে।’