রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
নুর মোহাম্মদ
প্রকাশ : ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৩:২৬ পিএম
প্রিন্ট সংস্করণ

মেধা যাচাইয়ের আড়ালে ভর্তি বাণিজ্যের শঙ্কা

স্কুলে ফিরছে ‘ভর্তিযুদ্ধ’
প্রতীকী ছবি
প্রতীকী ছবি

দেশের বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘ এক দশক পর ফিরছে ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি। দিন কয়েক আগে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন লটারি পদ্ধতি বাতিল করে ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে নতুন শিক্ষার্থী ভর্তিতে পরীক্ষা পদ্ধতি ফের চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান। সরকারের এই ঘোষণার পর অভিভাবক ও শিক্ষাবিদদের মধ্যে দানা বাঁধছে কোচিং বাণিজ্য ও দুর্নীতির পুরোনো শঙ্কা। শিক্ষা খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, নামকরা স্কুলগুলোর ভর্তিতে বাণিজ্য ও প্রভাবশালীদের তদবির বন্ধ করতে ভর্তি পরীক্ষার বদলে লটারিতে শিক্ষার্থী বাছাই শুরু হয় ২০২১ সালে। শুরুতে সরকারি স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে এই পদ্ধতি শুরু হলেও ধীরে ধীরে বেসরকারি স্কুলেও তা চালু হয়। কিন্তু বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার প্রকৃত মেধা যাচাই করতে সেই পদ্ধতি বাতিল করেছে। তবে ভর্তি পরীক্ষার মোড়কে নতুন করে ভর্তি বাণিজ্য ফিরে আসার শঙ্কা দেখছেন শিক্ষাবিদদের অনেকেই।

গত বছর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে গোপনীয় একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তর। সেখানে রাজধানীর সুপরিচিত মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভর্তিযুদ্ধের আড়ালে দুই যুগ ধরে শতকোটি টাকার ভর্তি বাণিজ্যের চিত্র উঠে আসে। ওই প্রতিবেদনে শুধু ২০১৬ সালেই অবৈধভাবে ২ হাজার ২৩৫ শিক্ষার্থী ভর্তি করানোর তথ্য তুলে ধরা হয়। বলা হয়, ২০০৯-২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৬ বছরে সেই অবৈধ ভর্তির সংখ্যা দাঁড়ায় ৯ হাজারের বেশি। প্রতিটি ভর্তিতে ৩ থেকে ১০ লাখ টাকার লেনদেনে বাণিজ্যের পরিমাণ দাঁড়ায় ৩১৩ কোটি টাকা। এই বাণিজ্যে সরাসরি জড়িত ছিল ম্যানেজিং কমিটি থেকে অধ্যক্ষ পর্যন্ত প্রভাবশালীদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি সিন্ডিকেট। শুধু আইডিয়াল নয়, রাজধানী থেকে জেলা পর্যন্ত বহু নামিদামি স্কুলে তদবিরে ভর্তি কিংবা টাকার বিনিময়ে ভর্তি করানো ছিল এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। এমন খারাপ নজিরের মধ্যে ২০১১ সালে প্রথম সরকারি স্কুলে পর্যায়ক্রমে নবম শ্রেণি পর্যন্ত লটারি পদ্ধতিতে ভর্তির পদ্ধতি চালু করে তৎকালীন সরকার।

শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন গত শনিবার লটারি ব্যবস্থাকে যুক্তিসংগত মনে করেন না এবং অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে ফের ভর্তি পরীক্ষা চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান। তার মতে, লটারিতে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধা যাচাই হচ্ছে না। তবে শিক্ষামন্ত্রীর এমন যুক্তির সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করেছেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একাধিক প্রধান ও শিক্ষাবিদ।

তারা বলছেন, মেধা যাচাইয়ের আড়ালে আবারও শত শত কোটি টাকার ভর্তি বাণিজ্য ও প্রভাবশালীদের তদবির শুরু হবে। এক দশক ধরে স্কুলে ভর্তির শৃঙ্খলা ফের নষ্ট হবে। শিক্ষার্থীরা তীব্র প্রতিযোগিতার জাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে ফিকে হয়ে যাবে শৈশব। অভিভাবকদের দুশ্চিন্তার তালিকাও দীর্ঘ হবে। তীব্র প্রতিযোগিতার কারণে অল্প বয়সী শিশুদের ওপর বিস্তর মানসিক চাপ তৈরি হয়। কাঙ্ক্ষিত স্কুলে জায়গা না পেলে শিশুদের মধ্যে হীনম্মন্যতা ও ব্যর্থতার বোধ থেকে দীর্ঘমেয়াদে আত্মবিশ্বাস কমে যেতে পারে, যা পরবর্তী জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষক সমাজবিজ্ঞানী ড. তৌহিদুল হক কালবেলাকে বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা মানেই শুধু মেধা যাচাই নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে যায় কোচিং নির্ভরতা, আর্থিক বৈষম্য, সামাজিক চাপ এবং ভর্তি বাণিজ্য। অতীতে আমরা দেখেছি ভর্তির নামে কীভাবে বড় ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম হয়েছে। তাই স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত না করে শুধু পদ্ধতি পরিবর্তন করলে সমস্যার সমাধান হবে না। বরং পুরোনো সংকটগুলো নতুনভাবে ফিরে আসার ঝুঁকি থাকে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম সরকারের সিদ্ধান্ত নিয়ে মন্তব্য করতে রাজি নন। তিনি বলেন, সরকারের আদেশ মেনেই শিক্ষার্থী ভর্তি করাবেন। লটারি নাকি ভর্তি পরীক্ষা—কোনটি ভালো, এ বিষয়ে তার কৌশলী বক্তব্য হলো, লটারির মাধ্যমে তারা ভালো ছিলেন। এখন ভর্তিযুদ্ধ শুরু হলে ফের তদবির বাড়বে এবং তারাও অস্বস্তির মধ্যে থাকবেন।

ভর্তি পরীক্ষা চালুর ঘোষণায় অভিভাবকরা মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। ভিকারুননিসা নূন স্কুলের এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক জাকির হোসেন বলেন, ‘স্কুলে একাডেমিক কোচিং না করালে অনেক সময় বাচ্চাদের নম্বর কম দেওয়া থেকে শুরু করে নানা ধরনের চাপ তৈরি করা হয়। এখন যদি ভর্তি পরীক্ষা চালু হয়, তাহলে কোচিং ব্যবসায় নতুন করে ঝোঁক বাড়বে।’

প্রাথমিক স্তরে ভর্তিতে কোনোভাবেই পরীক্ষা নেওয়া উচিত হবে না বলে মনে করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক কামরুল হাসান মামুন। তার মতে, ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া মানেই ফের কোচিং বাণিজ্য শুরু হবে। শিশুদের মেধা যাচাইয়ের নামে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া মানেই বড় একটি অংশকে জীবনের শুরুতেই ফেল করার ‘ট্যাগ’ লাগিয়ে দেওয়া, যা একজন শিশুকে ট্রমার মধ্যে ফেলতে পারে।

চলতি শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতে লটারির মাধ্যমে ভর্তি করানো হয়, যা সরাসরি তদারকি করে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। মাউশির তথ্য বলছে, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে মোট শূন্য আসন ছিল ১১ লাখ ৯৩ হাজার ২৮১টি। এর বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ১০ লাখ ৫৬ হাজার ৫৪টি। আপাতদৃষ্টিতে আসন বেশি মনে হলেও আসল লড়াই ছিল নামিদামি সরকারি স্কুল ও গুটিকয়েক বেসরকারি স্কুল ঘিরে। সরকারি স্কুলে ১ লাখ ২১ হাজার ৩০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করে ৭ লাখ ১৯ হাজার ৮৫৪ জন। অর্থাৎ প্রতি আসনের বিপরীতে আবেদন জমা পড়ে ৬ জনের।

অন্যদিকে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল, ভিকারুননিসা নূন, রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ বা গভর্নমেন্ট ল্যাবরেটরি হাইস্কুলের মতো নামি প্রতিষ্ঠানগুলোর চিত্র ছিল আরও প্রকট।

মাউশির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, পছন্দের তালিকায় প্রথম সারির স্কুলগুলোতে একটি আসনের বিপরীতে ১৫ থেকে ২০ জন পর্যন্ত শিক্ষার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছে। যেখানে একটি সরকারি স্কুলে একটি আসনের বিপরীতে ৬ জন লড়েছে, সেখানে বেসরকারি নামি স্কুলগুলোতে আসন পূর্ণ হওয়ার পরও হাজার হাজার শিক্ষার্থী ওয়েটিং লিস্টে থেকে যায়।

অন্যদিকে নামি স্কুলের মোহে সবাই দৌড়ঝাঁপ করলেও সাধারণ বা মাঝারি মানের বেসরকারি স্কুলগুলো শিক্ষার্থী সংকটে পড়ে। সারা দেশে বেসরকারি স্কুলে মোট ১০ লাখ ৭২ হাজার ২৫১টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়ে মাত্র ৩ লাখ ৩৬ হাজার ১৯৬টি। অর্থাৎ সব আসন পূরণের পরও প্রায় ৮ লাখ ৭৪ হাজারের বেশি আসন শূন্য থেকে যায়। অর্থাৎ একদিকে নামি স্কুলে ভর্তির জন্য হাহাকার, অন্যদিকে সাধারণ স্কুলে সব বেঞ্চে বসার মতো শিক্ষার্থীই নেই।

এমন পরিস্থিতিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু হলে নামি স্কুলগুলো ফিল্টারিং করে ভালো শিক্ষার্থী ভর্তি করাবে। অন্যদিকে সাধারণ ও মাঝারি মানের স্কুলে তুলনামূলক দুর্বল শিক্ষার্থী ভর্তি হবে। এতে ভালো স্কুল আরও ভালো করবে, অন্যরা শুধু খারাপ ফল করবে। এতে স্কুলে স্কুলে চরম বৈষম্য তৈরি হবে।

রাজধানীর প্রথম সারির একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, সরকারের এমন সিদ্ধান্তে তাদের প্রচণ্ড চাপে থাকতে হবে। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত ভর্তিকে কেন্দ্র করে প্রভাবশালীদের তদবির সহ্য করতে হবে। তার মতে, এতে শিশুদের সৃজনশীলতা ও মানসিক বিকাশের পরিবর্তে মুখস্থ করার প্রবণতা বাড়বে।

শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, পরীক্ষাকেন্দ্রিক ভর্তি চালু হলে দেশজুড়ে ফের কোচিং সেন্টার ও গাইড বইয়ের রমরমা ব্যবসা শুরু হবে। অভিভাবকরাও সন্তানদের বাড়তি প্রস্তুতির জন্য কোচিং ও প্রাইভেট টিউটরের ওপর অতিনির্ভরশীল হয়ে পড়বেন। ভর্তিকেন্দ্রিক বাণিজ্যিক কোচিং আবারও চালু হবে। যে কোনো মূল্যে সন্তানকে ভালো স্কুলে ভর্তি করাতে অনেক অভিভাবক জালিয়াতি বা দুর্নীতির আশ্রয়ও নিতে পারেন।

শিক্ষাবিদদের মতে, শিশুদের জন্য পরীক্ষানির্ভর ভর্তি ব্যবস্থার পরিবর্তে এলাকাভিত্তিক স্কুলিং বা লটারি পদ্ধতি চালু রাখা জরুরি।

গত এক যুগে ভর্তি বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্তরা লটারি প্রথা বাতিলের পক্ষে একটি খোঁড়া যুক্তি দাঁড় করায়। তারা প্রচার করে, লটারির কারণে মেধা ও যোগ্যতা পুরোপুরি ভাগ্যের ওপর নির্ভর হয়ে যাচ্ছে। তাদের মতে, লটারির কারণে শিক্ষার্থীদের শেখার আগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা কমে যাচ্ছে।

যেভাবে আসে লটারি পদ্ধতি: ২০১১ শিক্ষাবর্ষ থেকে সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোয় (যেসব বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি রয়েছে) প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি বাধ্যতামূলক করা হয়। পরের বছর বেসরকারি বিদ্যালয়েও একই পদ্ধতি চালু হয়। তবে দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি তখনো পরীক্ষার মাধ্যমেই হতো। পরবর্তী সময়ে করোনা সংক্রমণের কারণে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে সব শ্রেণিতেই লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত একই পদ্ধতিতে ভর্তি কার্যক্রম চলছে।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধুরী কালবেলাকে বলেন, ভর্তি পরীক্ষা ফিরিয়ে এনে সরকার নিজেই তদবির ও বাণিজ্যের পথে এগোচ্ছে। তার ধারণা, ভর্তি পরীক্ষা চালু হলে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত তদবির এড়াতে শিক্ষামন্ত্রী ফোন বন্ধ ও দর্শনার্থীদের সাক্ষাৎ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন। তিনি বলেন, সরকার যেহেতু আগেভাগেই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে, তাই তাড়াহুড়া না করে এ সেক্টরের সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।

অভিভাবক ঐক্য ফোরামের সভাপতি জিয়াউল কবির দুলু জানান, লটারি পদ্ধতি চালুর পরও অনেক স্কুলে পর্দার আড়ালে ভর্তি বাণিজ্য চলেছে। বিশেষ করে মার্চ ও এপ্রিল মাসে অবৈধভাবে শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। তিনি বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা মানেই সিন্ডিকেট গোষ্ঠীকে সুযোগ করে দেওয়া।’ শিক্ষা মন্ত্রণালয় কোনোভাবেই এই অশুভ সিন্ডিকেট ও ভর্তি বাণিজ্য পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না বলে শঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।

শিশুদের জন্য ভর্তি পরীক্ষা শুধু মানসিক চাপ নয়, তা বৈষম্যমূলকও বলে মনে করেন শিক্ষাবিদ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ। তিনি কালবেলাকে বলেন, ‘যারা কোচিং বা প্রাইভেট পড়ে, তারাই মূলত এই পদ্ধতিতে এগিয়ে যায়। অর্থাৎ উচ্চবিত্ত বা উচ্চাভিলাষী মধ্যবিত্তরা ভালো স্কুলে ভর্তির সুযোগ পাবে।’ তার মতে, ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতিই তুলনামূলকভাবে ভালো।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ভারতের বোলারদের পিটিয়ে গুরবাজের ৪৮ বলে সেঞ্চুরি

ক্রিকেটার নাঈমকে মারধরের ঘটনায় খুলসী থানার ওসি প্রত্যাহার

যে রেফারি দিয়ে শুরু হচ্ছে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ মিশন

গোলাহাট গণহত্যার ৫৫ বছর পূর্তিতে শহীদদের স্মরণে ঢাকায় সভা

চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগ / ছেলেকে কান ধরে ওঠবস করিয়ে মায়ের মরদেহ ফেরত দিলেন চিকিৎসকরা

জরুরি সেবা নম্বরে কল পেয়ে লঞ্চে অসুস্থ শিশুকে চিকিৎসা সহায়তা দিল কোস্ট গার্ড

ছাত্রদলের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

এনসিপি নেত্রী মনিরাকে নিয়ে ‘বিস্ফোরক’ মন্তব্য গণঅধিকার নেতার

আদ্-দ্বীনের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার দাবি খেলাফত আন্দোলনের

সকাল ৯টার মধ্যে ঝড় হতে পারে যেসব অঞ্চলে

১০

বিভেদ ভুলে এক কাতারে অপু-বুবলী

১১

বিএনপি দেশ ও মানুষের স্বার্থে কাজ করে : প্রধানমন্ত্রী

১২

হুইপ অপুর কাছে ছাউনি চাইল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী

১৩

নিরব-পরীমণির গোলাপ নিয়ে নয়া পরিকল্পনা

১৪

ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি

১৫

ব্রাজিলের ম্যাচের দিনে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের শোভাযাত্রা

১৬

শম্পার নতুন গান ‘প্রেমের বিজ্ঞাপন’

১৭

গাইবান্ধায় রামমূর্তি নির্মাণ স্থগিত : বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্বেগ

১৮

জেনেভা ক্যাম্পের শীর্ষ মাদক কারবারি মনু গ্রেপ্তার

১৯

বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে ৮৮ বছর ধরে অপরাজিত ব্রাজিল

২০
X