জাকির হোসেন
প্রকাশ : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ১২:০০ এএম
আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:২৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রান্তিকালের কথকতা

একটি ইতিহাসের পরিসমাপ্তি

একটি ইতিহাসের পরিসমাপ্তি

চলে গেলেন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি গেলেন বেশ শান্তভাবে। যেমন শান্ত, ভদ্র ও বিনয়ী মানুষ ছিলেন তিনি। অতিনাটকীয়তা পূর্ণ ছিল তার জীবন। প্রায় আট দশক সময়সীমায় উপমহাদেশের রাজনীতিতে যেসব ধারা ও প্রবণতা কার্যকর ছিল, অবস্থান ছিল চড়াই-উতরাইয়ের, উদ্যোগ ও আকাঙ্ক্ষার, এসবের অনেকগুলোই স্পর্শ করেছে তাকে। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে নানা বৈরী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন। কিন্তু কখনো দমে যাননি, আত্মসমর্পণ করেননি, রাজনীতির মাঠ ছাড়েননি, আশ্রয় নেননি প্রহসনের। পালিয়ে যাননি দেশ থেকে। সবসময় দলের নেতাকর্মী, সমর্থক এবং দেশের সাধারণ মানুষের পাশে থেকেছেন। বিএনপিকে তিনি চার দশকেরও বেশি সময় ধরে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের মাধ্যমে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন বাংলাদেশের অবিসংবাদিত নেত্রী হিসেবে। গণতন্ত্রের প্রতি অসামান্য অবদানের জন্য পেয়েছেন ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ সম্মাননা। দলের সব স্তরের নেতাকর্মীও তাকে সম্বোধন করেন ‘ম্যাডাম’ বলেই।

রাজনীতির প্রতি খালেদা জিয়ার কোনো আগ্রহ ছিল না। তিনি ছিলেন চিরায়ত এক গৃহবধূ। স্বামী, সন্তান আর সংসারের মধ্যেই তিনি নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। পশুপাখি-প্রিয় মানুষ তিনি। বাড়িতে হাঁস, মুরগি, কবুতর, ছাগল পালতেন। একটি ময়না পাখিসহ নানা ধরনের পাখিও ছিল তার বাড়িতে। এসব নিয়েই নিমগ্ন ছিলেন। নিজেকে রেখেছিলেন রাজনৈতিক বৃত্তের বাইরে। দলীয় রাজনীতি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার প্রতি তার কোনো মোহ ছিল না। তবে দৃষ্টান্ত ছিল। তার স্বামী জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। আশির দশকের শুরুতে জিয়াউর রহমান নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন। বিগত শতাব্দীর সত্তর ও আশির দশকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হত্যা, ক্যু, চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতির যে ধারা বিদ্যমান ছিল, সেই রক্তাক্ত রাজনীতির পথ ধরেই তিনি রাজনীতিতে এসেছেন। নিয়তি তাকে ঘর থেকে নিয়ে এসেছিল রাজপথে। আর ক্ষমতা খুঁজে নিয়েছিল তাকে।

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শহীদ হওয়ার কিছুদিন পর সরকার এবং দলের মধ্যে চরম বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানে বিএনপি সরকারের পতন হয় এবং দল ভাঙনের মুখে পড়ে। এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে খালেদা জিয়া নিজেকে পূর্বনির্ধারিত বৃত্তে আবদ্ধ রাখতে পারেননি। নিজ দলের নেতাকর্মীদের অনুরোধ, অপরাপর রাজনৈতিক দলের নেতাদের আহ্বান এবং দেশ ও জাতির প্রয়োজনে তিনি রাজনীতিতে সক্রিয় হন। কর্তব্যবোধের টানে হাল ধরেন স্বামী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের। স্বল্প সময়ের মধ্যেই তিনি বিশৃঙ্খল দলকে সংগঠিত করে সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় হন।

খালেদা জিয়া স্বভাবে ও অবস্থানে বিদ্রোহী নন। তিনি সংবেদনশীল মানুষ, তবে সাহসী। এ সাহসের ওপর ভর করেই তিনি রাজনীতির জটিল পথে এগিয়ে এসেছেন, পেছাননি। খালেদা জিয়া যে শুধু সাহসী তা নয়, পরিশ্রমীও। নিজ রাজনৈতিক দল বিএনপি, সরকার এবং রাষ্ট্রের প্রয়োজনে নিরন্তর পরিশ্রম করেছেন। সংগঠনকে শক্তিশালী করতে তিনি দিনভর ছুটে বেড়িয়েছেন পথ থেকে পথে, গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। আর স্বৈরতন্ত্রের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য তিনি রাজপথে মিছিলে শামিল হয়েছেন, গ্রেপ্তার বরণ করেছেন, জেল খেটেছেন, আত্মগোপনে থেকেছেন। সময়ের প্রয়োজনে তিনি হয়ে উঠেছিলেন গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক জ্যোতির্ময় ফেরারি পাখি।

নেতা হিসেবে খালেদা জিয়া ছিলেন অত্যন্ত ধৈর্যশীল, সহিষ্ণু, সংযমী, আপসহীন ও স্পষ্টভাষী। স্বভাবে তিনি শান্ত। তার ব্যক্তিগত চরিত্রের এ দুর্বলতা রাজনৈতিক জীবনে কোনো বাধা হয়নি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে কঠোর অবস্থান নিতে তিনি কখনো দ্বিধা করেননি। সবরকম বৈরী পরিস্থিতি মোকাবিলা করেছেন অসীম ধৈর্য ও দৃঢ়তার সঙ্গে। সবসময়ই ভরসা করতেন সততা ও ন্যায়ের ওপর। কর্তব্যনিষ্ঠা ও দৃঢ়তাই যে পারে সব বৈরিতার গণ্ডিকে অতিক্রম করতে, নেতা হিসেবে তিনি এ উদাহরণ আমাদের সামনে রেখেছেন।

খালেদা জিয়া সামরিক স্বৈরাচারী এরশাদের বিরুদ্ধে ৯ বছরের আন্দোলনে আপসহীন ভূমিকা পালন করেছেন। ১৯৮৬ ও ১৯৮৮ সালে আয়োজিত সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ও জামায়াতে ইসলামী অংশ নিয়ে এরশাদের সামরিক শাসনকে বৈধতা দিলেও খালেদা জিয়া ওই পথে পা বাড়াননি। তিনি এরশাদের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন জারি রেখেছিলেন। আশির দশকের মাঝামাঝি ফিলিপাইনের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী কোরাজন অ্যাকুইনো গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওই দেশের স্বৈরশাসক ফার্দিনান্দ মার্কোসের পতনকে নিশ্চিত করে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করেছিলেন। এরশাদবিরোধী আন্দোলনে আপসহীন ভূমিকার জন্য ওই সময় খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের কোরাজন বলে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকার কারণেই ১৯৯১ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে জয়লাভ করে এবং তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের দ্বিতীয় নারী প্রধানমন্ত্রী তিনি। প্রথম হলেন পাকিস্তানের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো। আধুনিক বিশ্বে খালেদা জিয়ার আগে আরও ১৫ জন নারী তাদের নিজ নিজ দেশের সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই বিচারে খালেদা জিয়া হলেন আধুনিক বিশ্বের ১৬তম নারী সরকারপ্রধান। তিনি তিনবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দায়িত্ব পালন করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবেও। রাজনীতির পথ সবসময় সমান্তরাল নয়। এখানে উত্থান ও পতন অনিবার্য। রাজনৈতিক জীবনে ব্যর্থতা আসে, আসে অবসাদ, ক্লান্তি, হতাশা ও নিঃসঙ্গতা। খালেদা জিয়ার জীবনেও এসব এসেছে। অনেক রকম বৈরী পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন।

পতিত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এবং পতিত সামরিক স্বৈরাচারী হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে খালেদা জিয়া তার রাজনৈতিক বিরোধী মনে করতেন অবশ্যই। কিন্তু এ বিরোধটা ছিল আদর্শিক। তিনি তাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন, ষড়যন্ত্র করেননি। উপরন্তু শিকার হয়েছেন ষড়যন্ত্রের। রাজনৈতিকভাবে হয়রানি এবং সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার জন্য তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছিল জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা। মিথ্যা বানোয়াট ও কল্পিত নথিপত্রের ওপর ভিত্তি করে এ মামলায় বিচারিক আদালত খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের জেল দেন, হাইকোর্ট এই সাজা দ্বিগুণ করেন; অর্থাৎ, ১০ বছর। এ মামলায় খালেদা জিয়া ছয় বছর জেল খেটেছেন। পাশাপাশি অবিরাম তাকে সহ্য করতে হয়েছে শেখ হাসিনার কুরুচিপূর্ণ মিথ্যাচার। খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়েও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতে ছাড়েননি শেখ হাসিনা। ২০১৫ সালের ২৪ জানুয়ারি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে ইন্তেকাল করেন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো। তিনি এমন সময়ে মারা যান যখন খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার রক্ষার আন্দোলন করতে গিয়ে গুলশানের কার্যালয়ে ২০১৫ সালের ৩ জানুয়ারি থেকে অবরুদ্ধ ছিলেন। সরকার তার বাসার সামনে বালুর ট্রাক দিয়ে এবং বাসার গেটে তালা লাগিয়ে রাখে। ছেলের মৃত্যুর সংবাদে অচেতন হয়ে পড়েন খালেদা জিয়া। বারবার মূর্ছা যান তিনি। বিদেশে ছয় বছরেরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসার জন্য অবস্থান করলেও আদরের ছোট ছেলে এভাবে মারা যাবেন, এমনটি খালেদা জিয়ার কল্পনায়ও ছিল না। পাশে থাকা পরিবারের স্বজনরা সান্ত্বনা দিতে গেলেও তাকে থামানো যায়নি। ছেলের মৃত্যুতেও তিনি জনগণের ভোটের অধিকার রক্ষায় আন্দোলন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।

শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ২০১০ সালের ১৩ নভেম্বর খালেদা জিয়াকে চরম অপমান করে ৪২ বছরের স্মৃতিবিজড়িত মইনুল রোডের বাসা থেকে উচ্ছেদ করেছেন। এ কথা শেখ হাসিনা প্রকাশ্যেই স্বীকার করেছেন, কোনো দ্বিধা করেননি। এক সংবাদ সম্মেলনে বেশ দম্ভের সঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘আমার বাবা দেশ স্বাধীন করেছিল বলেই তো এই ক্যান্টনমেন্ট! প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, ওই ক্যান্টনমেন্টে আর বসবাস করা লাগবে না। যেদিন সুযোগ পাব বের করে দেব। বের করে দিয়েছি।’ তার এ বক্তব্যে উপস্থিত সাংবাদিকসহ সবাই উল্লাসে ফেটে পড়েন এবং করতালি দিয়ে তাকে উৎসাহ দিয়েছেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনার এ স্বীকারোক্তি প্রমাণ করে আইন লঙ্ঘন, আদালতের রায়—এসব অজুহাত মাত্র। প্রতিহিংসার কারণেই খালেদা জিয়াকে তার নিজ বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে।

সেই অমানবিক ঘটনায় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তমের সহধর্মিণী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী, দুবারের বিরোধীদলীয় নেতা এবং দেশের একটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির চেয়ারপারসন। বিবেচনায় নেওয়া হয়নি তার সন্তান-সন্ততির জন্ম ও বেড়ে ওঠার নানা দুর্লভ স্মৃতি ছড়িয়ে রয়েছে ওই ভবনেই।

এ মানবিক বোধও জাগেনি যে শরীরে ‘ওয়ান ইলেভেন’-এর নিষ্ঠুর নির্যাতনের ক্ষত নিয়ে খালেদা জিয়ার দুই সন্তানই দেশছাড়া, বিদেশে চিকিৎসাধীন। তার বিপরীতে দেশবাসীকে টেলিভিশনের পর্দায় সেদিন প্রায় নিঃসঙ্গ খালেদা জিয়ার কান্না দেখতে হয়। ‘আমাকে এক কাপড়ে বের করে দেওয়া হয়েছে’—এ অসহায়ত্বের কথা শুনতে হয়। উচ্ছেদের পরপরই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক ভবনটি। সে সময় বিতর্কিত প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের কাছেও খালেদা জিয়া সুবিচার পাননি। জিয়া এবং তার পরিবারের নাম-নিশানা নিশ্চিহ্ন করতে তড়িঘড়ি করে সেখানে গড়ে তোলা হয় সেনা কর্মকর্তাদের জন্য একাধিক বহুতল আবাসিক ভবন।

শহীদ জিয়ার স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ায় খালেদা জিয়ার ভীষণ দুঃখ পেয়েছিলেন, মর্মাহত হয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে এ ঘটনার বর্ণনা দেওয়ার একপর্যায়ে সুতীব্র বেদনায় খালেদা জিয়া কেঁদেছিলেন, সবার সামনে। তার এই দুঃখবোধ শুধু নিজ দলের অগণিত নেতাকর্মীকেই মর্মাহত করেনি, সাধারণ মানুষকেও পীড়িত করেছিল। অনেকের পক্ষেই কঠিন হয়েছিল অশ্রু সংবরণ করা। প্রতিপক্ষের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে ঠাট্টা-তামাশা করেছেন। বলেছেন, ‘খালেদা জিয়ার মতো মানসিকতার মানুষরা নেতা হওয়ার যোগ্য নন। রাজনীতিতে ভাবালুতা ও আবেগের কোনো স্থান নেই। রাজনীতি হলো দাবা খেলা। এই খেলায় এ যাত্রায় শেখ হাসিনা জিতেছেন।’ শেখ হাসিনাও তাই মনে করতেন। না হলে এ নিয়ে তিনি এত দম্ভ করবেন কেন! অথচ ওয়ান ইলেভেনের সরকারি আমলে যখন তিনি দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন, তখন খালেদা জিয়া তার মুক্তির জন্য বিবৃতি দিয়েছিলেন। এই যে পার্থক্য খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার মধ্যে, এটা শুধু দুজন রাজনীতিকের মধ্যকার দূরত্ব নয়, ব্যবধান নয় শুধু রাজনৈতিক অবস্থানের, এই পার্থক্য দুটি বিপরীত জীবন দৃষ্টি তথা আদর্শের। খালেদা জিয়ার কাছে রাজনীতি মোটেই দাবা খেলা নয়, তিনি দাবাড়ু নন। তার রাজনীতি কৌশলী চালের নয়। প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষের রাজনীতিতে বিশ্বাসী নন তিনি। তিনি গণতান্ত্রিক মতাদর্শে বিশ্বাসী। খালেদা জিয়া এখন আমাদের মাঝে নেই। তিনি এখন আমাদের সবার ধরাছোঁয়ার বাইরে। তবে তিনি আমাদের মাঝে রেখে গেছে তার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের আখ্যান এবং অবিনাশী অনুপ্রেরণা। আমার যদি তার আধিপত্যবাদবিরোধী সংগ্রামকে এগিয়ে নিতে পারি, তবেই তার আত্মা শান্তি পাবে।

লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

ইতিহাসের এই দিনে

আজকের নামাজের সময়সূচি

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

১০

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

১১

৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

১২

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

১৩

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

১৪

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

১৫

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

১৬

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

১৭

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

১৮

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

১৯

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

২০
X