আনোয়ারা (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:১২ এএম
আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৪, ০৮:২৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

দেয়াল টপকে চলাচল

জমি নিয়ে বিরোধ
দেয়াল টপকে চলাচল

পাঁচ বছর থেকে নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ জীবনযাপন করছে বৃদ্ধ নুর হোসেনের পরিবার। বাড়ির প্রবেশ পথ আটকে দিয়েছেন প্রতিবেশী। অবরুদ্ধ হওয়ায় প্রতিবেশীর দেয়াল টপকে চলাচল করছেন পরিবারের সদস্যরা। মেয়ের বিয়ের দিন হাত পায়ে ধরলেও রাস্তাটি খুলে দেয়নি প্রতিপক্ষ। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্র দপ্তরির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী মৃত সালামত আলীর ছেলে মো. নুর হোসেন (৫৬)। তিনি প্রতিকারের আশায় ইউএনও অফিসে আবেদন করেন।

সরেজমিন দেখা যায়, নুর হোসেনের বাড়ির সামনের রাস্তাটি কাঁটাতারের বেড়ায় ঘেরা। পরিবারটি পুরোপুরি অবরুদ্ধ, নুর হোসেনের স্ত্রী বৃদ্ধ খুরশিদা বেগম বাঁশের সিঁড়ি দিয়ে প্রতিবেশীর দেয়াল টপকে পার হচ্ছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, আনোয়ারা সদরের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ঘনপুকুর পাড় এলাকায় নুর হোসেন জমি কিনে ২০ বছর ধরে বসবাস করছেন। ৫ বছর আগে এলাকার মো. ফরিদ, মো. আবুল কালাম, মো. জসিম, মো. মুছাসহ অজ্ঞাত আরও ১০-১২ জন লোক নুর হোসেনের বাড়িতে প্রবেশের সরকারি রাস্তাটি জোরপূর্বক বন্ধ করে দেয়। এরপর থেকে প্রতিবেশীর পাকা দেয়ালে বাঁশের সিঁড়ি দিয়ে পরিবারের সদস্যরা চলাচল করছে। একাধিকবার সালিশি বৈঠকেও বিষয়টি সমাধান হয়নি। নুর হোসেনের মেয়ের বিয়ের দিন রাস্তাটি খুলে দিতে ফরিদের হাত পায়ে ধরেও লাভ হয়নি।

ভুক্তভোগী নুর হোসেনের স্ত্রী খুরশিদা বেগম বলেন, সালিশি বৈঠকে আমি তাদের পায়ে ধরেছি, তারপরও রাস্তাটি খুলে দেয়নি। আমার মেয়ের বিয়ের দিন বারবার বলেও রাস্তা খুলে না দিলে পাশের ঘরে নিয়ে বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন করি। এই বৃদ্ধ বয়সে আমি আর দেয়াল টপকাতে পারছি না।

নুর হোসেন বলেন, আমি হার্টের রোগী, গরিব অসহায় মানুষ, টাকা দিতে চাইলেও রাস্তাটি খুলে দিচ্ছে না। স্ত্রী, তিন মেয়ে, দুই ছেলে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছি। তারা আওয়ামী লীগের রাজনীতি করায় আমরা তাদের সঙ্গে পেরে উঠিনি।

স্থানীয় বাসিন্দা শাহাদাত হোসেন বলেন, পরিবারটি অসহায়, অনতিবিলম্বে বৃদ্ধার পরিবারের চলাচলের রাস্তার ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত মো. ফরিদ বলেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতে মামলা করেছি। কাগজপত্রে সিদ্ধান্ত হবে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটা ইউএনওর জায়গা নয়, আমারও অনেক সাংবাদিক রয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইশতিয়াক ইমন বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে দলিলপত্র দেখে আইনগতভাবে সমাধান করা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা / রাষ্ট্রপতি পদে থাকার আগে-পরে অভিযোগ থাকলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে

গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩,৩৩৩

দেশে ৫ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, কারণ কী?

ককটেল বিস্ফোরণে উড়ে গেল প্রবাসীর বাড়ির সেপটিক ট্যাংক

জনগণের ওপরে যারা ক্ষমতা প্রদর্শন করবে তারা দলের শত্রু: তথ্যমন্ত্রী

ঘুমের মধ্যে হঠাৎ উপর থেকে পড়ে যাওয়ার অনুভূতি হয় কেন?

যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি আলোচনার প্রস্তাব দেওয়ার খবর প্রত্যাখ্যান করল ইরান

স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, আটক ৩

আঁচল-অমির ‘আতা গাছে তোতা পাখি’

সেই ফিলিস্তিনি কিশোরীকে ধন্যবাদ জানালেন স্পেনের প্রধানমন্ত্রী

১০

সেনাপ্রধানের সঙ্গে নবনিযুক্ত নৌবাহিনী প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১১

পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলাকে গুরুত্ব দিতে হবে: এমপি মান্নান

১২

দুশ্চিন্তা দূর করার সহজ ৫ আমল

১৩

দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে প্রাণ গেল ৬ বাংলাদেশির

১৪

স্বপ্ন ভেঙে কফিনে ফিরল দুই ভাই, অশ্রুসিক্ত বিদায়ে দাফন 

১৫

এনডিটিভির এক্সক্লুসিভ / সীমান্তে চীনের ১১ স্টেলথ যুদ্ধবিমান, ভারতের জবাব দিতে ঢের দেরি

১৬

শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন মূল্যায়ন ব্যবস্থা চালু হচ্ছে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

১৭

শামীম ওসমানের মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ আগস্ট

১৮

মাভাবিপ্রবির নতুন প্রো-ভিসি অধ্যাপক মো. আনিসুর রহমান

১৯

রাবিতে সংঘর্ষের ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্যের কমিটি গঠন

২০
X