কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১৭ মার্চ ২০২৫, ১১:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

রক্ষিত এলাকায় পরিণত হচ্ছে সোনাদিয়া, বন বিভাগ পাচ্ছে ফেরত জমি

কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের সৈকতজুড়ে প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ময়লা পড়ে আছে। ছবি : সংগৃহীত
কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া দ্বীপের সৈকতজুড়ে প্লাস্টিক বর্জ্যসহ ময়লা পড়ে আছে। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশের কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার সোনাদিয়া দ্বীপের প্রায় ৯ হাজার ৪৬৭ একর বনভূমি ফেরত পাচ্ছে বন বিভাগ।

২০১৭ সালে ইকোট্যুরিজম পার্ক স্থাপনের জন্য বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অনুকূলে দেওয়া জমি আট বছর পর পুনরায় বন বিভাগের অধীনে আসছে। দ্বীপটিকে রক্ষিত এলাকা হিসেবে সংরক্ষণের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৭ মার্চ) পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এ তথ্য জানা যায়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সোনাদিয়া দ্বীপের ৯ হাজার ৪৬৭ একর বনভূমি রক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হবে। এর ফলে সেখানে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ হবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় ইতিবাচক পরিবর্তন আশা করা যাচ্ছে।

বেজার অধীনে বরাদ্দ দেওয়া এই জমি এখন বন বিভাগের অধীনে ফিরে আসছে এবং এর হস্তান্তর প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

বেজার পরিচালক (বিনিয়োগ উন্নয়ন ও মনিটরিং) শাহীন আক্তার কক্সবাজার জেলা প্রশাসককে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, ইকোপার্কের জন্য জমি দেওয়ার পর সোনাদিয়া দ্বীপে গাছ কাটা, চিংড়ির ঘের নির্মাণসহ বিভিন্ন পরিবেশবিধ্বংসী কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে, যার ফলে দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে। এই ক্ষতি পুনরুদ্ধারের জন্য পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেবে।

সোনাদিয়া দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য পুনরুদ্ধারের অংশ হিসেবে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর মধ্যে থাকবে : অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ করে জমি দখলমুক্ত করা। খালের মুখ ও শাখা-প্রশাখার বাঁধ অপসারণ করে জোয়ারের পানি প্রবাহ সুগম করা।

এছাড়াও বালিয়াড়ি পুনরুদ্ধার এবং সৈকত সংরক্ষণ করা। ম্যানগ্রোভ ও নন-ম্যানগ্রোভ গাছের চারা রোপণ করা, যেমন—কেওড়া, কেয়া, নিশিন্দা, নারকেল ও তালগাছ।

এ ছাড়াও, দ্বীপের পরিবেশ পুনরুদ্ধারে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে, যা পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহায়তা করবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত হবে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই : জামায়াত আমির

ফুটবল মাঠে বন্দুকধারীদের তাণ্ডব, প্রাণ গেল ১১ জনের

আইইউবিএটির সমাবর্তনে বৈশ্বিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নীরবতার সময় ডাভোসে ট্রাম্প

ভারত বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাংবাদিকরা

এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি বানানোর নয়, রাষ্ট্র বিনির্মাণের :  রবিউল

পাগড়ি পরিয়ে ৩৫ কোরআনে হাফেজকে সম্মাননা

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নুরুদ্দিন অপুর ধানের শীষের সমর্থনে এক হলেন শরীয়তপুর ৩ আসনের সব দল

১০

ডাকসু সদস্য সর্বমিত্র চাকমাকে শোকজ

১১

আশি বছর বয়সী তুতা মিয়ার জীবন কাটে রিকশার প্যাডেলে

১২

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নয়, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা : রবিন

১৩

বিএনপি নেতা আনম সাইফুলের মা জাহানারা বেগম আর নেই

১৪

ইরানে হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড ব্যবহারের অনুমতি দেবে না আমিরাত

১৫

সবার জন্য ন্যায়বিচার ও কর্মসংস্থানের বাংলাদেশ গড়া হবে : জামায়াত আমির

১৬

যে কোনো সময় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নিরাপত্তা চুক্তি সই : জেলেনস্কি

১৭

ইরান ইস্যুতে ইরাক থেকে হুমকি পেল যুক্তরাষ্ট্র

১৮

বাংলাদেশি সব সাংবাদিকের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল করল আইসিসি

১৯

স্বর্ণের দামে নতুন ইতিহাস, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার

২০
X