দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ ডিসেম্বর ২০২৫, ০১:৪৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

হত্যা মামলায় সীমান্তের ২ চিহ্নিত সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

গ্রেপ্তার লালু ও নাজমুল। ছবি : কালবেলা
গ্রেপ্তার লালু ও নাজমুল। ছবি : কালবেলা

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্ত এলাকার আলোচিত দুই শীর্ষ সন্ত্রাসীকে জনি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে নাটোরের বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—জামালপুর গ্রামের কাবের আলীর ছেলে নাজমুল (৩৫) এবং একই এলাকার ছামুর ছেলে লালু (৪৬)। তারা দীর্ঘদিন ধরে ওই অঞ্চলে অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায় জড়িত এবং তাদের নামে একাধিক হত্যা, অস্ত্র ও মাদক মামলা রয়েছে।

এর আগে, হত্যার দিনগত রাতেই এ মামলার আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন—জামালপুর গ্রামের দুল্লোব আলীর ছেলে সিকান্দার আলী (৬০) এবং জাহিদুল ইসলামের ছেলে আসিফ হোসেন (১৫)। এ নিয়ে মামলায় মোট চারজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ।

জানা গেছে, হত্যাকাণ্ডের পর নিহত জনির মা হাসু খাতুন বাদী হয়ে ২৬ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১৫-২০ জনকে আসামি করে দৌলতপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার পর রাতেই পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে প্রথম দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ নভেম্বর দৌলতপুর উপজেলার প্রাগপুর ইউনিয়নের মহিষকুণ্ডি মাঠপাড়া এলাকায় দুপুরে প্রকাশ্য দিবালোকে জনি হোসেনকে (৩২) কুপিয়ে ও পায়ের রগ কেটে হত্যা করা হয়। ওই অঞ্চলের চিহ্নিত শীর্ষ অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ী সোহান, লালু, নাজমুলসহ ৩০-৪০ জন এই হত্যাকাণ্ডে অংশ নেয়। নিহত জনি ছিলেন জামালপুর এলাকার মৃত জাকির হোসেনের ছেলে। জনি দীর্ঘদিন ধরে সোহানের হয়ে অস্ত্র ও মাদক বহনের কাজ করতেন। কিন্তু পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে গত ২৮ নভেম্বর সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে তুমুল বাগবিতণ্ডা ও মারধরের ঘটনা ঘটে। এতে জনির পিঠে সেলাই দিতে হয় এবং সোহান তাকে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি দেয়। প্রাণভয়ে সেদিন রাতেই জনি মহিষকুন্ডি মাঠপাড়া এলাকায় আশ্রয় নেন। পরদিন শনিবার দুপুরে বাড়ি ফেরার সময় সোহানের নেতৃত্বে বড় একটি সশস্ত্র দল জনির ওপর হামলা চালায়। দেশীয় অস্ত্র দিয়ে নির্মমভাবে কুপিয়ে নিশ্চিত মৃত্যু ঘটানো হয়। আতঙ্ক ছড়াতে হামলাকারীরা কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলিও ছোড়ে।

এ বিষয়ে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোলাইমান শেখ কালবেলাকে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুষ্টিয়া পুলিশের একটি টিম নাজমুল ও লালুকে বড়াইগ্রাম হাইওয়ে এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সন্ধ্যায় দৌলতপুর থানায় হস্তান্তর করেছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন বলেন, জনি হত্যা মামলার ১ ও ৫ নম্বর আসামি ঢাকায় পালিয়ে যাচ্ছিল। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে তাদের আমার একটি টিম গ্রেপ্তার করেছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার

প্রকাশ্যে যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

চট্টগ্রামে অ্যাম্বুলেন্স ভাড়া নৈরাজ্য ঠেকাতে চসিক মেয়রের উদ্যোগ

বাড়ি ফেরার পথে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

ইতিহাসের এই দিনে

আজকের নামাজের সময়সূচি

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

১০

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

১১

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

১২

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

১৩

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

১৪

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

১৫

৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

১৬

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

১৭

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

১৮

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

১৯

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

২০
X