নোয়াখালী ব্যুরো
প্রকাশ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

১৭ মাস পর তোলা হলো ইমতিয়াজের লাশ

নোয়াখালীর চাটখিলে ইমতিয়াজ হোসেন নামে এক তরুণের লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। ছবি : কালবেলা
নোয়াখালীর চাটখিলে ইমতিয়াজ হোসেন নামে এক তরুণের লাশ কবর থেকে তোলা হয়েছে। ছবি : কালবেলা

নোয়াখালীর চাটখিলে ইমতিয়াজ হোসেন (২২) নামে এক তরুণের লাশ (হাড়গোড়) সতের মাস পর কবর থেকে তোলা হয়েছে। বুধবার (০৭ জানুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে উপজেলার হাট পুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে এ লাশ উত্তোলনের করা হয়।

এর আগে, ২০২৪ সালের ৬ আগস্ট ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমতিয়াজ ঢাকায় মারা যান। পরে সেদিন রাতেই তাকে দাফন করা হয়েছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর ইমতিয়াজ চাটখিল পৌরবাজারের জনতার আনন্দ মিছিলে অংশ নেন। ওই সময় চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। থানার অস্ত্র লুটের কিছু সময় পর গুলিবিদ্ধ হয় ইমতিয়াজ। পরে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি মারা যায়।

নিহতের পরিবারের দাবি, এটি কোনো দুর্ঘটনা ছিল না। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হয়েছেন। এমন অভিযোগে গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা করেন। মামলায় নোয়াখালী-১ আসনের সাবেক এমপি এইচএম ইব্রাহীম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এ ছাড়া ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়। এই মামলার তদন্তের প্রয়োজনেই আদালতের আদেশে আজ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।

মরদেহ তোলার সময় জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও চাটখিল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আলমগীর উপস্থিত ছিলেন।

ইমতিয়াজের বাবা মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমার ছেলে জুলাই যোদ্ধা। সে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেছে। আমার ছেলে ৫ আগস্ট আমার সঙ্গে বিজয় মিছিলে যায়। আমার ছেলেকে সেদিন গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। আমি আমার সন্তান হত্যার বিচার চাই।’

চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মোনাফ বলেন, ‘আদলতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। পরে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতের প্রায় ২ মাস পর ২০২৪ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর হাবিবুর রহমান ছেলেকে জুলাই শহীদের স্বীকৃতির জন্য প্রশাসন আবেদন করেন এবং পরে শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন। পরে আবার তার জুলাই শহীদের স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়।’

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেফতার

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

১০

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

১১

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

১২

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

১৩

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

১৪

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

১৫

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

১৬

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

১৭

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

১৮

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

১৯

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

২০
X