মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩
মহিপুর (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৩১ এএম
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

৩০ বছর পর যে আসনে জয় পেল বিএনপি

এবিএম মোশাররফ হোসেন। ছবি : পুরনো ছবি
এবিএম মোশাররফ হোসেন। ছবি : পুরনো ছবি

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া–রাঙ্গাবালী) আসনে প্রায় তিন দশক পর বিজয় পেয়েছে বিএনপি। অর্ধলাখেরও বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন দলটির কেন্দ্রীয় কমিটির প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এবিএম মোশাররফ হোসেন।

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অধ্যাপক মোস্তাফিজুর রহমান, যিনি একসময় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর পর এ আসনে ধানের শীষের জয় ঘিরে দলীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। উপকূলীয় এ আসনটি অর্থনৈতিক ও কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত।

এখানে রয়েছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্যবন্দর, পর্যটনকেন্দ্র কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকত, সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন এবং সম্ভাবনাময় দ্বীপাঞ্চল রাঙ্গাবালী উপজেলা। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, বিগত বছরগুলোতে পর্যটন ও অবকাঠামো খাতে প্রত্যাশিত উন্নয়ন হয়নি।

বিজয়ী প্রার্থী এবিএম মোশাররফ হোসেন কালবেলাকে বলেন, এটি শুধু আমার ব্যক্তিগত বিজয় নয়, উপকূলবাসীর বিজয়। মানুষ উন্নয়ন, স্বচ্ছ রাজনীতি ও নিরাপদ জীবনের পক্ষে রায় দিয়েছে। আমি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পর্যটন, মৎস্য ও বিদ্যুৎ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে কাজ করব।

কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী হুমায়ুন সিকদার বলেন, প্রায় ত্রিশ বছর পর এ আসনে ধানের শীষের জয় প্রমাণ করেছে– উপকূলবাসী পরিবর্তন চায়। তিনি আশা প্রকাশ করেন, কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এ আসনকে গুরুত্ব দিয়ে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করবে।

রাঙ্গাবালী উপজেলা বিএনপির এক নেতা বলেন, পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র ও কুয়াকাটা পর্যটনকেন্দ্র ঘিরে যে বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, তা এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি। একজন মন্ত্রী পেলে উপকূলীয় সড়ক, টেকসই বেড়িবাঁধ, পর্যটন অবকাঠামো ও মৎস্য খাতের আধুনিকায়নে গতি আসবে।

মহিপুরের বাসিন্দা কাদের হাওলাদার বলেন, দল-মত নির্বিশেষে উন্নয়নের স্বার্থে আমরা এবিএম মোশাররফ হোসেনকে ভোট দিয়েছি। তাকে মন্ত্রী করা হলে এলাকায় দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে।

ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এ উপকূলীয় অঞ্চলে টেকসই বেড়িবাঁধ, আধুনিক মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র, পর্যটনবান্ধব অবকাঠামো ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির উদ্যোগকে জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

তাদের প্রত্যাশা– এই বিজয় যেন শুধু রাজনৈতিক পালাবদলেই সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং বাস্তব উন্নয়নের মাধ্যমে উপকূলের মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন ঘটায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এভাবেও হৃদয় জয়ের গল্প লেখা যায়

স্পেনকে রুখে দেওয়া কেপ ভার্দে আসলে কেমন দেশ?

বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেনকে রুখে দিল কেপ ভার্দে

হবিগঞ্জে দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০

রাষ্ট্রদূত মুশফিকুল ফজল আনসারী হাসপাতালে ভর্তি

স্থানীয় সরকার নির্বাচন যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে : মির্জা ফখরুল

প্রথমার্ধে কেপ ভার্দের গোলকিপারের দৃঢ়তায় গোল পায়নি স্পেন

ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১০ কিলোমিটার যানজট

বিশ্বকাপে হাইড্রেশন ব্রেক : কারও কাছে আশীর্বাদ, কারও কাছে অভিশাপ

আইএটি-বুয়েটের ‘এআই যুগে শিক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন’ বিষয়ক সেমিনার

১০

বিশ্বকাপ উপলক্ষে বিনামূল্যে স্পোর্টস মেডিসিন বোর্ড কনসালটেশন গঠন

১১

শিক্ষা অফিসারদের গাফিলতিতে অনুদান থেকে বঞ্চিত মেধাবী শিক্ষার্থীরা

১২

সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেননি মোজতবা খামেনি, কী বলছে যুক্তরাষ্ট্র

১৩

দাস বাণিজ্যের রুট থেকে বিশ্বকাপের মহামঞ্চে কেপ ভার্দের অভিষেক

১৪

গ্রাহকদের জন্য সুখবর দিল ইসলামী ব্যাংক 

১৫

‘ইসলামী ব্যাংককে আগের মর্যাদায় ফিরিয়ে আনতে কাজ করবে নতুন প্রতিনিধি’

১৬

৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা 

১৭

সংসদে নারীদের বোরকা-হিজাব নিয়ে মন্তব্য, হেফাজতের প্রতিবাদ

১৮

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেছেন ট্রাম্প ও ভ্যান্স

১৯

৩ ঘণ্টা পর ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

২০
X