গাজীপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৬, ১০:৪৭ এএম
আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৬, ১১:০৭ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরে শিক্ষার্থীর পোড়া লাশ উদ্ধারের তদন্তে মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য

গাজীপুরের ম্যাপ। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স
গাজীপুরের ম্যাপ। ছবি : কালবেলা গ্রাফিক্স

গাজীপুরে মাদ্রাসাছাত্রের পোড়া লাশ উদ্ধারের ঘটনায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন গ্রেপ্তার ছাব্বির আহম্মেদ (১৯)। গাঁজা সেবন করতে দেখে ফেলায় ওই মাদ্রাসাছাত্রকে শ্বাসরোধে হত্যার পর লাশ পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয় বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (৬ মার্চ) গাজীপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ তথ্য জানান ছাব্বির।

নিহত মাদ্রাসাছাত্রের নাম— মাহাবুল হোসেন রনি (১৪)। সে ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের সোহাস মিয়ার ছেলে। মাহাবুল খুরশীদিয়া মারকাযুল উলুম ক্বওমী মাদ্রাসা ও এতিমখানা মাদ্রাসার ছাত্র ছিল।

অপরদিকে গ্রেপ্তার ছাব্বির আহম্মেদ ময়মনসিংহের ইশ্বরগঞ্জ থানার তুলন্দর গ্রামের আব্দুল বারেকের ছেলে। তিনি গাজীপুরের ভবানীপুর এলাকায় ভাড়া ভাড়া থাকেন।

গাজীপুর পিবিআই জানায়, মাদ্রাসাছাত্র মাহাবুব ইসলাম রনি গত ২৭ ফেব্রুয়ারি রাতে তারাবির নামাজ পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়। পরদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে স্থানীয়রা একই এলাকার একটি জঙ্গলের ভেতর আগুনে পোড়া অবস্থায় এক কিশোরের মরদেহ দেখতে পায়। পরে পরিবারের সদস্যরা মরদেহটি মাহাবুব বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় নিহতের দাদা তারা মিয়া জয়দেবপুর থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ তদন্ত করলেও পরে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) গাজীপুর জেলা তদন্তভার গ্রহণ করে।

পিবিআই জানায়, তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ৫ মার্চ রাতে জয়দেবপুরের ভবানীপুর এলাকা থেকে ছাব্বির আহম্মেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজের জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে এবং আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয় সাব্বির।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ঘটনার দিন রাতে ছাব্বির জঙ্গলের ভেতরে গাঁজা সেবন করছিল। এ সময় মাদ্রাসাছাত্র মাহাবুব সেখানে এসে তাকে দেখে ফেলে এবং বিষয়টি অন্যদের জানিয়ে দেওয়ার কথা বলে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ছাব্বির তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়ে পেছন দিক থেকে গলা চেপে ধরে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে ঘটনা গোপন করতে মরদেহে আগুন লাগিয়ে পালিয়ে যায়।

পিবিআই গাজীপুরের পুলিশ সুপার মো. আবুল কালাম আজাদ বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি, স্থানীয় সোর্স ও পেশাদার তদন্তের মাধ্যমে জড়িত ব্যক্তিকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বেতন বাড়ল মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন খারিজ

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত পুনরায় শুরু হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ কানাডার

ভুট্টার দাম না পাওয়ায় দুশ্চিন্তায় চাষিরা

মবতন্ত্র রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: যুবদল সভাপতি

পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তনের দাবিতে সড়ক অবরোধ

বন্ধুদের ঈদে জমানো টাকায় আর্জেন্টিনার পতাকায় সেজেছে লঞ্চঘাট

যেসব জেলায় ৬০ কিমি বেগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা

অবশেষে পঞ্চগড় সীমান্ত থেকে ১০ জনকে ফেরত নিলো বিএসএফ

ময়মনসিংহে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু

১০

১১ জেলার সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে আনসার মোতায়েন

১১

দেশের বাজারে কত দামে স্বর্ণ ও রুপা বিক্রি হচ্ছে

১২

ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি খুব কাছে : ট্রাম্প

১৩

দুই ভূমি অফিসে হঠাৎ হাজির প্রতিমন্ত্রী, দেখতে পেলেন নানা অনিয়ম

১৪

৪৮ ঘণ্টা পর শূন্যরেখা থেকে ১১ জনকে সরিয়ে নিলো বিএসএফ

১৫

বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে প্রাণ গেল ছোট ভাইয়ের

১৬

জাবিতে নতুন দুই উপ-উপাচার্যের যোগদান

১৭

হামে শিশু মৃত্যু / ড. ইউনূসসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

১৮

বিশ্ব খাদ্য নিরাপত্তা দিবস পালন করল বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস

১৯

হোটেলে সাবেক ইউপি সদস্যের মরদেহ, সেই নারী পুলিশ হেফাজতে

২০
X