

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় ঘুষের টাকা না পাওয়ায় মামলার তদন্তে প্রকৃত ঘটনার বিপরীতে প্রতিবেদন দাখিলের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামানের বিরুদ্ধে।
শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে উপজেলা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী মো. আবু রায়হান।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ২০২৫ সালের ২৬ অক্টোবর উপজেলার উত্তর জুরকাঠি গ্রামের বাসিন্দা তিনি নিজে বাদী হয়ে তার স্ত্রী সানজিদা ইসলাম শান্তার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান।
অভিযোগে বলা হয়, তদন্তভার পাওয়ার পর কর্মকর্তা তার অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. আব্দুল মান্নান খানের মাধ্যমে বাদীর কাছে ২০ হাজার টাকা ঘুষ দাবি করেন। কিন্তু বাদী আবু রায়হান ঘুষ দিতে অস্বীকৃতি জানান। এদিকে ওই কর্মকর্তা আসামিপক্ষের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে মামলার প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য সংযোজন করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
ভুক্তভোগী আবু রায়হান বলেন, আমি গরিব মানুষ। ঘুষের টাকা দিতে না পারায় তদন্ত কর্মকর্তা আসামিদের পক্ষে প্রতিবেদন দিয়েছেন। এতে আমি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হওয়ার আশঙ্কা করছি।
এ সময় অভিযুক্ত কর্মকর্তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন তিনি।
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশিত তদন্ত কাজে বাদী-বিবাদী দুপক্ষই থাকে। প্রতিবেদন কারো পক্ষে না গেলে সে সংক্ষুবদ্ধ হতেই পারে। তিনি আদালতে নারাজি দিতে পারেন।
সমাজসেবা কর্মকর্তা আরও বলেন, রিপোর্ট পক্ষে না হওয়ায় তিনি (মো. আবু রায়হান) সংবাদ সম্মেলন করলেন, তাহলে তিনি আদালতে গেলেন কেন? এতে সরকারি কর্মকর্তাকে অসম্মান ও বিজ্ঞ আদালত নির্দেশিত তদন্ত কাজকে অবজ্ঞা করা হয়েছে। আমি সংবাদ সম্মেলনের সুনির্দিষ্ট কপি ও ডকুমেন্ট পেলে বাদীর বিরুদ্ধে আদলতে লিখিতভাবে প্রতিকার চাইবো।