সাতক্ষীরা প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৫৩ পিএম
আপডেট : ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

সাংবাদিক জিন্নাহর ওপর হামলাকারী মামুন কারাগারে

আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি : সংগৃহীত
আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি : সংগৃহীত

সাতক্ষীরায় সাংবাদিক এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহর ওপর হামলা, মারধর ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় করা মামলার আসামি শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) মামলার ছয় আসামির মধ্যে ৪ নম্বর আসামি ব্যতীত পাঁচজন আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডল জামিন নামঞ্জুর করে আব্দুল্লাহ আল মামুনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন এবং বাকি চারজনের জামিন মঞ্জুর করেন।

বাদীপক্ষে মামলার শুনানিতে অংশ নেন অ্যাডভোকেট পিন্টু। আসামি পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট তোজামসহ অন্যান্যরা।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ মার্চ বেলা সাড়ে ১১টার দিকে খুলনা সোনাডাঙা থানার পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার মোকসুদার রশিদের লক্ষীদাঁড়ি মৌজার ১৮ শতক জমি আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ সদর সাব রেজিস্ট্রি অফিসারের এজলাসে আসেন। ওই জমির আমমোক্তারনামা দলিল করে নেওয়ার জন্য মাকসুদার রশিদকে ইতোপূর্বে কয়েক দফায় ৫০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। বাকী পাঁচ লাখ টাকা রেজিস্ট্রি সম্পাদনের সময় দেওয়ার কথা।

রেজিস্ট্রারের এজলাসে আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রির সময় আসামিরা চাঁদা বাবদ ৫০ লাখ টাকা চাইলে আসামিদের সঙ্গে জুলফিকার আলি জিন্নাহ’র কথাকাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে রেজিস্ট্রারের এজলাস থেকে আসামিরা জিন্নাহকে মারতে মারতে বাইরে আনে। এ সময় তাকে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে ও কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে তাকে অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন বেলালের বাড়ির সামনে নিয়ে যাওয়া হয়।

পরে আবার এজলাসের মধ্যে এনে আটকে রেখে ৫০ লাখ টাকা দাবি করা হয়। তাকে ক্ষয়ক্ষতি করার জন্য ভয় দেখানো হয়। পরে আবারো তাকে মারধর করা হয়। এ সময় আসামি শেখ মাহাবুব উল্লাহ তার ডান পকেটে থাকা দুই লাখ টাকা ও আসামি টুটুল তার বাম পকেটে থাকা তিন লাখ টাকা ছিনিয়ে নেয়। পরে স্বজনরা জিন্নাহকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।

এ ঘটনায় এনটিভির সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ও ভুক্তভোগী এমএম জুলফিকার আলি জিন্নাহ বাদী হয়ে ছয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১২ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় মামলা করেন।

মামলার আসামিরা হলেন— শহরের কাটিয়া লস্করপাড়ার সৈয়দ শাখাওয়াত আলীর ছেলে সৈয়দ রেজাউল হোসেন টুটুল, তার ছেলে মো. শিহাব, শহরের মুনজিতপুরের ইশারত আলী পান্নার ছেলে শেখ আব্দুল্লাহ আল মামুন, কাটিয়ার শেখ মোশাররফ হোসেনের ছেলে শেখ মাহাবুব উল্লাহ, সদর উপজেলার ঘোনা গ্রামের জিল্লুর রহমানের ছেলে তরিকুল ইসলাম ও শহরের পলাশপোলের সাইফুল ইসলাম।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট পিন্টু বলেন, ছয় আসামির মধ্যে ৪ নম্বর আসামি ছাড়া বাকি পাঁচজন জামিন নিতে সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালতে হাজির হন। এ সময় আদালত ২ নম্বর আসামি আব্দুল্লাহ আল মামুনের জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। অপরদিকে, বাকি চারজন আসামির জামিন মঞ্জুর করা হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

বাবা-ছেলেকে ধরে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি বাহিনী

মোবাইলে বিশ্বকাপ দেখবেন যেভাবে

প্রকাশ্যে রাজমিস্ত্রিকে গুলি

গোল না খাওয়ার পরিসংখ্যানে শীর্ষে আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল ৪৩তম

যুবদল নেতা বহিষ্কার

রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪, আহত ১০

ম্যারাডোনার ‘ঈশ্বরের হাত’ ছোঁয়া সেই বল এখন কোথায়

ট্রাক-কাভার্ডভ্যানের সংঘর্ষে প্রাণ গেল যুবকের

বিয়ে বাড়িতে গরুর মাংস নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

১০

আজ বিশ্ব অ্যাক্রেডিটেশন দিবস

১১

রামিসা হত্যা / ফাঁসির আসামিদের ‘কনডেম সেলে’ রাখা হলো সোহেল-স্বপ্নাকে

১২

তেহরানের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফের ফ্লাইট চলাচল শুরু

১৩

শুরুতেই উইকেট হারাল বাংলাদেশ

১৪

সীমান্তে বিএসএফের পুশইন চেষ্টা ব্যর্থ, রাতভর পাহারায় বিজিবি-স্থানীয়রা

১৫

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালের দৌড়ে বাংলাদেশের নিচে ভারত

১৬

নেত্রকোনায় রোহিঙ্গা যুবক আটক

১৭

মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে দেশজুড়ে বৃষ্টির আভাস, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত

১৮

শিশু অপহরণ চক্রের দুই নারী সদস্য গ্রেপ্তার, উদ্ধার ৩ শিশু

১৯

ফেনীর প্রবীণ সাংবাদিক ওছমান হারুন মারা গেছেন

২০
X