ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৩ জানুয়ারি ২০২৪, ০১:৫১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁওয়ে শৈত্যপ্রবাহে জনজীবন স্থবির, গবাদিপশু নিয়ে দুশ্চিন্তা

ঠাকুরগাঁওয়ে তাপ পোহাতে বাড়ির উঠানে খড়কুটো জ্বালিয়েছেন বাসিন্দারা। সঙ্গে তাদের গরু-ছাগলকেও উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা। ছবি : কালবেলা
ঠাকুরগাঁওয়ে তাপ পোহাতে বাড়ির উঠানে খড়কুটো জ্বালিয়েছেন বাসিন্দারা। সঙ্গে তাদের গরু-ছাগলকেও উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা। ছবি : কালবেলা

ঠাকুরগাঁওয়ে জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। সূর্যের দেখা মেলেনি চার দিনেও। উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চল থেকে বয়ে আসা হিমেল বাতাস হাড় কাঁপানো ঠান্ডার অনুভূতি দিচ্ছে। এতে জবুথবু হয়ে পড়েছে শিশু ও বৃদ্ধরা। পর্যাপ্ত গরম কাপড়ের অভাবে আগুন জ্বেলে তাপ পোহাচ্ছে মানুষ। সে সঙ্গে গৃহপালিত পশুকেও সাধ্যমতো শীত থেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন।

সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত কনকনে শীতে কাবু হয়ে পড়েছে এ অঞ্চলের গ্রামীণ জনজীবন। আয় রোজগার কমে যাওয়ায় কষ্টে দিন অতিবাহিত করছে দিনমজুর পরিবারগুলো। প্রাণিকুলও বৈরী আবহাওয়ায় জবুথবু হয়ে পড়েছে। গবাদি পশুকে শীত থেকে বাঁচাতে পাটের বস্তা, পুরোনো কাপড় গরু-ছাগলের গায়ে জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। সে সঙ্গে গৃহস্থ তাপ পোহানোর সময় সুযোগ বুঝে গবাদি পশু পাশে রাখছেন। বাসিন্দারা বলছেন, তীব্র শীতে অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে পশু। এতে চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়বে।

ঠাকুরগাঁওয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সিরাজুল ইসলাম জানান, গত পাঁচ দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ চলছে। শনিবার সকাল ৭টায় জেলায় সর্বনিম্ন ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আদ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ।

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. সিরাজুল ইসলাম বলেন, শীতের তীব্রতার কারণে শিশুসহ নানা বয়সের মানুষ জ্বর, ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, ব্রনকাইটিস রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে। ঠান্ডাজনিত রোগে দেড় মাসে ১৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জেলা প্রশাসক মাহবুবুর রহমান বলেন, শীত বস্ত্রের কোনো সংকট নেই। অসহায়দের মধ্যে তা বিতরণ করা হচ্ছে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

চমক রেখে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা ওয়েস্ট ইন্ডিজের

একটি দল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : দুলু

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাশেদ গ্রেপ্তার

ছবি তোলায় আদালত চত্বরে সাংবাদিকের ওপর হামলা বিআরটিএ’র কর্মকর্তার

৫ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ বৈঠক

আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে : জামায়াত

ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

ভোটের দিন ফজর নামাজ পড়ে কেন্দ্রে যাবেন, ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন : কায়কোবাদ

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে জাতি দায়মুক্ত হতে পারে না’

সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

১০

বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি জোরালো হচ্ছে

১১

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

১২

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত হবে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই : জামায়াত আমির

১৩

ফুটবল মাঠে বন্দুকধারীদের তাণ্ডব, প্রাণ গেল ১১ জনের

১৪

আইইউবিএটির সমাবর্তনে বৈশ্বিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব পররাষ্ট্র উপদেষ্টার

১৫

রাষ্ট্র, ক্ষমতা ও নীরবতার সময় ডাভোসে ট্রাম্প

১৬

ভারত বিশ্বকাপের অ্যাক্রিডিটেশন বাতিল, প্রতিক্রিয়ায় যা বললেন সাংবাদিকরা

১৭

এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি বানানোর নয়, রাষ্ট্র বিনির্মাণের :  রবিউল

১৮

পাগড়ি পরিয়ে ৩৫ কোরআনে হাফেজকে সম্মাননা

১৯

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

২০
X