হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৪, ০৩:৫০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

হিলিতে ঘনকুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে বোরো ধানের বীজতলা

ঘনকুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে হিলির বোরো ধানের বীজতলা। ছবি : কালবেলা
ঘনকুয়াশায় নষ্ট হচ্ছে হিলির বোরো ধানের বীজতলা। ছবি : কালবেলা

দেশের উত্তরের জেলা দিনাজপুরের হিলিতে গত কয়েকদিনে তীব্র শীত ও ঘনকুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সার কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো ফল হচ্ছে না। আবহাওয়া এমন থাকলে চারার সংকট দেখা দিতে পারে বলছেন কৃষকরা। তবে বর্তমান আবহাওয়ার অবস্থা কিছুটা ভালো হলে সমস্যা কেটে যাবে দাবি কৃষি বিভাগের।

হিলিতে প্রায় প্রতিদিনই তাপমাত্রা কমছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু করে দুপুর পর্যন্ত কুয়াশা ঝরছে। কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে পুরো এলাকা। দিনের অধিকাংশ সময় সূর্যের তেমন দেখা মিলছে না। কখনো মিললেও সেই রোদের তীব্রতা তেমন নেই। সঙ্গে হিমে বাতাস শীতের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে তুলছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে নষ্ট হতে শুরু করেছে বোরো ধানের বীজতলা। অধিকাংশ বীজতলার বীজগুলো হলুদ ও লালচে বর্ণের হয়ে বীজগুলো মরে যাচ্ছে।

হিলির ইসমাইলপুর গ্রামের কৃষক মনোয়ার হোসেন বলেন, আমরা সার ও কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো ফল পাচ্ছে না কৃষকরা। এতে করে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছি।

হিলির বোয়ালদাড় গ্রামের কৃষক শাহজাহান বলেন, প্রায় চার বিঘা জমির জন্য পরপর দুবার বীজতলা প্রস্তুত করেছি কিন্তু ঘনকুয়াশার জন্য দুবারই বীজতলা নষ্ট হয়েছে। আমি ইরি বোরো ধান লাগানো নিয়ে খুব চিন্তায় আছি।

হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরজেনা বেগম বলেন, বীজতলা স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। আর যদি দুপুর ১২টা পর্যন্ত সূর্যের দেখা না মেলে তাহলে ১২টা পর্যন্ত পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে ও রাতে সেটি খুলে রাখতে হবে। বীজতলায় কুসুম গরম পানি স্প্রে করার কথাও বলা হয়েছে কৃষকদের। এ ছাড়া ম্যানকোজেভ গ্রুপের যে ছত্রাক নাশক রয়েছে, সেটি স্প্রে করলে চারাগুলো সবল থাকবে ও ঘনকুয়াশার কবল থেকে রক্ষা পাবে। কৃষক সে মোতাবেক কাজ করছেন। বীজতলাগুলো ভালো রয়েছে বলেও দাবি তার।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শাহ্‌ সিমেন্ট রেডি মিক্স কংক্রিট: পরিবেশসচেতন নির্মাণকে এগিয়ে নেওয়ার পথে

এ বি এম আবদুল্লাহর ইমেরিটাস অধ্যাপক পদ বাতিল, বেতন-ভাতা ফেরতের নির্দেশ

ব্যর্থতার ইতিহাস পেছনে ফেলে ফিরছে সুপারগার্ল

পেশাদারিত্বের মর্যাদা ও গলফের উন্নয়ন চাই: ডা. আফশান

দেশের ১৭ অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা

বজ্রপাতে কলেজছাত্রীসহ নিহত ২

কী ঘটেছিল কারবালায়?

জাবিতে খেলা দেখা নিয়ে সংঘর্ষ, বহিষ্কার ২ 

আগামীতে মহামারি ঠেকাতে পারে এআইয়ের ‘মাস্টার কি’: গবেষকরা

প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা

১০

বিশ্বকাপে মুসলিম খেলোয়াড়দের পুরস্কারে ফিফার পরিবর্তন, নেপথ্যে যে কারণ

১১

ইউরোপের ‘ওমেগা ব্লক’ থেকে বাংলাদেশের দাবদাহ

১২

বগুড়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও শিল্পায়নের উদ্যোগ দেশবন্ধু গ্রুপের

১৩

‘গ্লোবাল হেলথ অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ পেলেন চিকিৎসা গবেষক প্রফেসর ড. মজিবুল হক

১৪

চবিতে বহিরাগত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা

১৫

যে কারণে ঢাকায় অনুপম রায়ের কনসার্ট স্থগিত

১৬

চট্টগ্রামে বিতর্কিত ‘মনোরেল’ চুক্তি বাতিল করল চসিক

১৭

রান্না করছিলেন মা, পানিতে ডুবে প্রাণ গেল সন্তানের 

১৮

মেয়ের বাড়িতে যাওয়ার পথে ট্রেনে কাটা পড়লেন মা

১৯

‘আগামী ৫০ বছর আ.লীগের ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ’

২০
X