সদরপুর-চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৪, ০৫:৪৮ এএম
অনলাইন সংস্করণ

গাছের গুঁড়িতে দখল হাঁটার জায়গা, শিক্ষার্থী-জনসাধারণের ভোগান্তি

কৃষ্ণপুর-ফরিদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে স্তূপ করে রাখা গাছের গুঁড়ি। ছবি : কালবেলা
কৃষ্ণপুর-ফরিদপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের দুই পাশে স্তূপ করে রাখা গাছের গুঁড়ি। ছবি : কালবেলা

সদরপুর উপজেলার কৃষ্ণপুর-ফরিদপুর আঞ্চলিক সড়কের দুই পাশে গাছের গুঁড়ি স্তূপ করে রাখায় সংকুচিত হয়ে পড়েছে হাঁটার জায়গা। স্থানীয় কিছু গাছ ব্যবসায়ীরা গাছের গুঁড়ি দিয়ে রাস্তার দুইপাশ দখল করে রেখেছেন। এতে ওই রাস্তায় অবস্থিত কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। দ্রুত সড়কের দুই পাশে থাকা গাছের গুঁড়ি অপসারণ করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার হাট কৃষ্ণপুরের চিতাখোলা এলাকার সাহা পাড়া থেকে কৃষ্ণপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্যন্ত ফরিদপুর-তাড়াইলের গুরুত্বপূর্ণ সড়কের দুই পাশে গাছের গুঁড়ি ফেলে দখল করে রেখেছে স্থানীয় গাছ ব্যবসায়ীরা। এতে রাস্তার পাশ দিয়ে শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় জনসাধারণ নির্বিঘ্নে চলাফেরা করতে পারছেন না। বাধ্য হয়ে তাদের রাস্তার উপর দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। এতে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।

স্থানীয়া জানান, পদ্মাসেতু চালু হওয়ার পর থেকে কৃষ্ণপুর-ফরিদপুর সড়কে যানবাহন চলাচল বেড়েছে। সড়কের দুই পাশে গাছের গুঁড়ি রাখায় শিক্ষার্থী ও পথচারীদের চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই সড়ক দিয়েই যাতায়াত করে। এই সড়কে যে কোনো সময় দুর্ঘটনা ঘটার অশঙ্কা রয়েছে। প্রায় দেখা যায় রাস্তার পাশে গাছ রাখার কারণে একটি গাড়িকে অন্য গাড়িকে সাইড দিতে পারে না। এর ফলে সড়ক দুর্ঘটনাসহ নানাবিধ সমস্যার সৃষ্টি হয়।

ওই সড়কে চলাচলকারী আলামিন শেখ নামে এক অটোচালক বলেন, এই সড়কে সব সময় আমাদের দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। সড়কের দুপাশে গাছের গুঁড়ি রাখা হয়েছে। গাড়ি সাইট দিতে গেলে আমরা বিপদে পড়ে যাই। প্রায়ই এই রাস্তায় দুর্ঘটনা ঘটে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল জাল মোজাহিদ জানান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মাধ্যমে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছিল। তারা আমাদের কথা শুনছে না। তাদের বেশি জোড়ালোভাবে বললে তারা আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে ও মারমুখী আচরণ করে। এর ফলে আমরা দিন দিন তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছি।

সদরপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সৈয়দ মোরাদ আলী বলেন, আমি নিজে বিদ্যালয়ে গিয়ে গাছ ব্যবসায়ীদের সতর্ক করেছিলাম। তারপর তারা কিছু গাছ সরিয়ে নিয়েছিল। বর্তমানে আবার গাছ রাখার ব্যাপারে আমি অবগত নই। আমি ব্যাপারটি খতিয়ে দেখছি। স্কুলের পাশের ওই সড়কে গাছের গুঁড়ি রাখলে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আইনের আওতায় আনা হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মার্কিন রাডার স্থাপনায় হামলা চালাল আইআরজিসি

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ধানবীজ-চারা, ১৫ দিনের মধ্যে সব গবাদিপশুকে টিকা: কৃষিমন্ত্রী

২০২৬ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট-বল-গ্লাভস জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা

ধর্মীয় সম্প্রীতির ক্ষেত্রে সিলেট উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: মন্ত্রী আরিফুল

যুদ্ধ শুরুর পর প্রথমবারের মতো সিরিয়ায় হামলা চালাল ইরান

ভাষণ প্রচার না করায় শীর্ষ ৩ গণমাধ্যমের লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিলেন ট্রাম্প

অর্থমন্ত্রীর উপস্থিতিতে ত্রাণ বিতরণ, ধসে পড়ল মঞ্চ

প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিশেষ কনস্যুলার-পাসপোর্ট সেবা মিলবে ২৫ জুলাই থেকে

কামরাঙ্গীরচরে কারখানায় আগুন, নিয়ন্ত্রণে ২ ইউনিট

দুই নদীর মোহনায় অবরুদ্ধ গ্রাম, অনিশ্চয়তায় ৪৫ পরিবার

১০

পাকিস্তানে তীব্র গোলাগুলি, ভারতপন্থি ২৪ বিদ্রোহী নিহত

১১

চারুকলায় বর্ষা উদযাপনে ‘ঘনঘটা ২’

১২

জলবায়ু-সহনশীল নগর উন্নয়নে অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করল বাংলাদেশ

১৩

বন্যার্তদের পুনর্বাসন না হওয়া পর্যন্ত পাশে থাকবে সরকার: চট্টগ্রামে অর্থমন্ত্রী

১৪

নরসিংদীতে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

১৫

ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনায় কঠিন সমীকরণে পাকিস্তান

১৬

জুলাই সনদ নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বিরোধী দল: মির্জা ফখরুল

১৭

পল্লবীতে জলাবদ্ধ এলাকায় টানা চতুর্থ দিনের মতো বিএনপি নেতার খাবার বিতরণ

১৮

ফাইনালের দায়িত্ব পাওয়া রেফারির সিদ্ধান্তে ‘পেনাল্টি’ পেয়েছিলেন মেসি

১৯

মনপুরায় নিম্নাঞ্চল প্লাবিত, পানিবন্দি ১০ হাজার মানুষ 

২০
X