

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের জন্য আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পরিচালিত ‘মেধাবী প্রকল্প’-এর উদ্যোগে এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা) ও বিজনেস ইনকিউবেশন ফাইনাল কম্পিটিশন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন। এ ছাড়া অনুষ্ঠানে প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হকসহ মেধাবী প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রক্টর অধ্যাপক ড. তাজাম্মুল হক বলেন, স্কিলভিত্তিক এ ধরনের বেসরকারি উদ্যোগ আমাদের দেশে খুবই বিরল। আবাসন সংকট মোকাবিলায় আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের সঙ্গে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চুক্তি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। এক বছরের এই কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীরা অনেক দূর এগিয়েছে। আজ আমরা এর ছয় মাসের আউটপুট দেখতে পাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি কো-কারিকুলার দক্ষতা অর্জনের এ সুযোগ অবহেলা করা যাবে না। সময়কে কাজে না লাগালে সময়ই আমাদের কেটে ফেলবে।
ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শারমিন বলেন, ইনসাফ কেবল নিজের কমিউনিটির জন্য নয়, বরং তা সবার জন্য হতে হবে। আল-কোরআন ও হাদিসের আলোকে জীবন পরিচালনাই ইসলামের মূল শিক্ষা।
উপাচার্য অধ্যাপক ড. রেজাউল করিম বলেন, এক বছর আগের কথা মনে পড়ছে, যখন শিক্ষার্থীরা আবাসনের দাবিতে আন্দোলন করেছিল। আজ সত্যিই আনন্দিত যে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের পরিচালিত মেধাবী প্রকল্পের আওতায় রয়েছে। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি তারা স্কিল অর্জন করছে, যা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব কোনো আবাসিক হল নেই। কেবল ছাত্রীদের জন্য নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী হল রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে আবাসন সংকট নিরসনের লক্ষ্যে আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহর সঙ্গে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমানে প্রায় ৭০০ ছেলে শিক্ষার্থী আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের মেধাবী প্রকল্পের আওতায় আবাসন সুবিধা পাচ্ছেন।
মন্তব্য করুন