কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৭ এএম
আপডেট : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৮:২১ এএম
অনলাইন সংস্করণ

সাবেক আইজিপি ক্ষমা পাবেন কি, যা বললেন চিফ প্রসিকিউটর

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দিতে রাজসাক্ষী সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, আন্দোলন দমনে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করে ছাত্র-জনতাকে হত্যার ঘটনায় আমি লজ্জিত, অনুতপ্ত ও ক্ষমা প্রার্থী।

তবে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম জানান, তিনি ক্ষমা পাবেন কি না, সেই সিদ্ধান্ত আদালত নেবে। এখানে প্রসিকিউশনের কোনো ভূমিকা নেই।

মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের শুনানি শেষে আদালতের চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

শুনানি শেষে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের বিবেকের তাড়নায় অপরাধ স্বীকার করেছেন। এমনকি নিজের পক্ষ থেকে রাজসাক্ষী হওয়ারও আবেদন করেছিলেন। চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে তার ব্যাপারে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেবেন, সেটা নির্ধারিত হবে।

তিনি আরও বলেন, সাবেক আইজিপি যে-ই সাক্ষ্য দিয়েছেন, বিশ্বের কোনো আদালতেই এ সাক্ষ্যকে দুর্বল প্রমাণ করার সুযোগ নেই। এটি একটি অকাট্য অপ্রতিরোধ্য সাক্ষ্য। এটি শুধু জুলাই-আগস্টের ঘটনা নয়, বাংলাদেশে গত ১৫ বছরে যত গুম খুন হয়েছে তার বিরুদ্ধে একটি অকাট্য দলিল হিসেবেও কাজ করবে।

প্রসঙ্গত, ফৌজদারি অপরাধের বিচার হয় ফৌজদারি কার্যবিধি, দণ্ডবিধিসহ অন্যান্য ফৌজদারি বিধান অনুযায়ী। ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার বর্ণনা অনুসারে ‘রাজসাক্ষী’ বলতে সেই ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন; কিন্তু ক্ষমা পাওয়ার শর্তে অপরাধের সমগ্র ঘটনা, মূল অপরাধী ও সহায়তাকারী হিসেবে জড়িত সব অপরাধীর সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও সত্য ঘটনা প্রকাশ করে আদালতে সাক্ষ্য দেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৭ ধারার ভাষ্য হলো, কোনো প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট অপরাধ তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের যে কোনো পর্যায়ে অপরাধের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সে সম্পর্কে সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে শর্তসাপেক্ষে ক্ষমা করার প্রস্তাব দিতে পারেন। শর্ত হলো, তার জানামতে অপরাধসম্পর্কিত সামগ্রিক অবস্থা ও অপরাধ সংঘটনের ব্যাপারে মূল অপরাধী বা সহায়তাকারী হিসেবে জড়িত প্রত্যেকের সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ ও সত্য ঘটনা প্রকাশ করলেই তাকে ক্ষমা করা হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, কোনো রাজসাক্ষী যদি নিজের অপরাধ ও অন্য অপরাধীদের ব্যাপারে সত্য গোপন করেন কিংবা মিথ্যা সাক্ষ্য দেন, তখন তিনি রাজসাক্ষী থেকে আবার আসামি হয়ে যান।

কালবেলা/পিআর/এমএইচ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১০

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১১

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১২

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৩

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

১৪

স্কালোনির পর আর্জেন্টিনার কোচ হতে পারেন যারা, আলোচনায় ৪ নাম

১৫

পাঁচ তারকা বিচারক নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’

১৬

টুঙ্গিপাড়ার পাশে সমাবেশ করে গেলেন হাসনাতরা

১৭

রাহুলকে কোথায় নেওয়া হয়েছে জানাচ্ছে না দিল্লি পুলিশ: কংগ্রেস

১৮

কসমেটিক সার্জারি করে নতুন লুকে ভিনি

১৯

একাধিক স্থানে অপ্রাপ্তবয়স্ক তরুণীর সঙ্গে এমপি নজরুলের ভিডিও আছে, দাবি ড্রাইভারের

২০
X