

আলো-আঁধারের আবেগ, স্মৃতি আর সময়ের হিসাব—সব মিলিয়ে নতুন করে আলোচনায় উঠে এলো অনন্ত জলিলের শৈশব ও প্রিয় সিনেমা। দেশীয় চলচ্চিত্র নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অনন্ত জলিল সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে জানান, ছোটবেলায় তিনি বারবার দেখেছেন সালমান শাহ ও মৌসুমী অভিনীত কালজয়ী সিনেমা ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’। সেসময় তার কণ্ঠে ছিল নস্টালজিয়ার ছোঁয়া, চোখে ছিল স্মৃতির ঝিলিক। অভিনেতার ভাষায়, এই সিনেমাটি তার জীবনের অন্যতম প্রিয় একটি চলচ্চিত্র, যা আজও তাকে আবেগতাড়িত করে।
তবে এই বক্তব্যের পরই দর্শক ও ভক্তদের মনে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে একটি প্রশ্ন, ঠিক কতটা ছোট ছিলেন অনন্ত জলিল তখন? সময়ের হিসাব মিলিয়ে দেখা গেলে বিষয়টি আরও কৌতূহলোদ্দীপক হয়ে ওঠে। ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ মুক্তি পায় ১৯৯২ সালে, আর অনন্ত জলিলের জন্ম ১৯৭৭ সালে। অর্থাৎ সিনেমাটি মুক্তির সময় তার বয়স ছিল প্রায় ১৬ বছর।
তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়, ১৬ বছর বয়স কি আদৌ ‘ছোটবেলা’? কেউ বলছেন, কৈশোরের সেই সময়টাও তো শৈশবেরই এক আবেগী অধ্যায়। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, সময়ের ব্যবধানেই হয়তো স্মৃতির ভাষা বদলে গেছে।
যাই হোক, বয়সের অঙ্ক যাই বলুক না কেন, একটি বিষয় স্পষ্ট—সালমান শাহের সেই রোমান্টিক ট্র্যাজেডি আজও প্রভাব ফেলছে অনন্ত জলিলের হৃদয়ে। আর সেখানেই প্রমাণ হয়, ভালো সিনেমা বয়স মানে না, সময় মানে না—শুধু স্মৃতিতে থেকে যায়।
মন্তব্য করুন