

নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে নিজের মিথ্যা বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন চলচ্চিত্র পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক। গত ১১ জুন ২০২৬ তার সাক্ষরিত এক প্রেস নোটে তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন। লিখিত বার্তায় ক্ষমা চাওয়ার কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গত ১৯ মে ২০২৬ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সামনে সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত 'চারুলতা' এবং 'ঢাকা ১২০৫' চলচ্চিত্র নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবের পরিপ্রেক্ষিতে আমার দেওয়া বক্তব্যগুলো ভুল এবং অসত্য ছিল, যা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সুনামের ক্ষতিসাধন করেছে। বিষয়টির জন্য আমি সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্ট এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি।
পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক বলেন, "আমি পূর্বে দাবি করেছিলাম 'চারুলতা' চলচ্চিত্রের শুটিং শেষ হয়েছে। তবে চলচ্চিত্রটির শুটিং এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। একই সঙ্গে সিনেমাটির এডিটিং ও ডাবিং সম্পূর্ণ শেষ হয়েছে বলে আমি যে দাবি করেছিলাম, সেটিও সঠিক নয়। উপরন্তু আমি দাবি করেছিলাম 'চারুলতা' সিনেমার নাম পরিবর্তন করে 'ঢাকা ১২০৫' রাখা হয়েছে। আমি স্পষ্ট করতে চাই যে, এই দুটি সম্পূর্ণ আলাদা ও ভিন্ন চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি এবং প্রযোজক সমিতিতেও সিনেমা দুটি পৃথকভাবে নিবন্ধিত। এছাড়া সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্ট আমাকে এগারো লক্ষ টাকা দিয়েছে বলে আমি যে দাবি করেছিলাম সেটি ঠিক নয়। বরং সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্ট পরিপূর্ণ সিনেমা বানানোর জন্য চুক্তিপত্র অনুযায়ী যে অর্থ প্রয়োজন হয়, ঠিক সেই পরিমাণ টাকা আমাকে সম্পূর্ণ প্রদান করেছে।"
উপরোক্ত বিষয়সমূহের আলোকে পরিচালক রাইসুল ইসলাম অনিক ক্ষমা চেয়ে বলেন, 'সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্টের মতো একটি স্বনামধন্য চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘদিনের সুনাম আমার অনাকাঙ্ক্ষিত কর্মকাণ্ড ও গণমাধ্যমে দেওয়া মিথ্যা বিবৃতির কারণে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হয়েছে। আমি তাদের কাছ থেকে চুক্তির চেয়েও বেশি টাকা নিয়েও সিনেমাটি বুঝিয়ে না দিয়ে এবং আর্থিক অনিয়ম করে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ক্ষতি ও মানহানি করেছি। এজন্য আমি আমার সকল ভুলের জন্য সাদামাটা এন্টারটেইনমেন্ট এবং এর সত্ত্বাধিকারী ওয়ালিদ আহমেদের নিকট নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করছি।'
প্রসঙ্গত, "ইতিচিত্রা", "বিশ্বাস করেন ভাই" ও "গুপ্তধনের খোঁজে" শিরোনামের সিনেমাগুলো নির্মাণ করেছেন রাইসুল ইসলাম অনিক।