কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:০৬ পিএম
আপডেট : ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে এই ভুল আপনিও করছেন না তো?

ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে এই ভুল আপনিও করছেন না তো?
অনেকের কাছেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মানে অযথা সময় নষ্ট, লম্বা সিরিয়াল, আর সঙ্গে হাজার একটা পরীক্ষা ও ওষুধের ঝামেলা | ছবি : সংগৃহীত

শরীর ভালো থাকলে আমরা সবাই যেন একটু বেশিই সাহসী হই। হালকা জ্বর, কাশি, পেটের গোলমাল—এসবকে গুরুত্ব না দিয়ে নিজে নিজেই সামলে নেওয়ার চেষ্টা করি। অনেকের কাছেই চিকিৎসকের কাছে যাওয়া মানে অযথা সময় নষ্ট, লম্বা সিরিয়াল, আর সঙ্গে হাজার একটা পরীক্ষা ও ওষুধের ঝামেলা। এই ভয়েই অনেক সময় ডাক্তারখানা এড়িয়ে চলেন অনেকে।

কিন্তু সমস্যা যখন গুরুতর হয়ে ওঠে, তখন আর উপায় থাকে না—চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতেই হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসক যখন প্রেসক্রিপশন দেন, তখন আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলি। মনে হয়, এবার বুঝি সব ঠিক হয়ে যাবে। অথচ বাস্তবে দেখা যায়, ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়েই আমরা এমন কিছু ভুল করি, যেগুলোর কারণে রোগ সারার বদলে আরও জটিল হয়ে ওঠে।

চলুন জেনে নেওয়া যাক, চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার পর কোন কোন ভুলগুলো সবচেয়ে বেশি করে বসেন মানুষ—

১. ওষুধ কেনার সময় পুরো ডোজ না নেওয়া

সবচেয়ে বড় ভুলটি করেন অনেকেই ওষুধ কেনার সময়। চিকিৎসক যদি ৩০ দিনের জন্য ওষুধ খেতে বলেন, তাহলে অনেকেই ১৫ দিনের ওষুধ কিনেই বাড়ি ফেরেন। ভাবেন, ‘দেখি আগে কেমন কাজ করে’। কিন্তু এতে চিকিৎসার ধারাবাহিকতা নষ্ট হয় এবং রোগ পুরোপুরি সারে না।

২. নিজের মতো করে ওষুধ বা চিকিৎসা চালানো

অনেকেরই নিজের মতো করে চিকিৎসা করার প্রবণতা রয়েছে। চিকিৎসক যে ওষুধ বা পরীক্ষা পরামর্শ দিয়েছেন, তার বদলে আগের কোনো ওষুধ খাওয়া বা পরিচিত কারও পরামর্শে ওষুধ বদলে ফেলা—এসব অভ্যাস বিপদ ডেকে আনে। এতে রোগের জটিলতা আরও বেড়ে যেতে পারে।

৩. ওষুধ ঠিক সময়ে না খাওয়া

চিকিৎসকের দেওয়া সময় মেনে ওষুধ না খাওয়াও একটি সাধারণ কিন্তু গুরুতর ভুল। অনেকেই সময়ের ওষুধ সময়মতো খান না, কখনো ভুলে যান, কখনো আলসেমি করেন। অথচ নিয়ম না মেনে ওষুধ খেলে শারীরিক সমস্যা আরও বাড়তে পারে।

৪. একটু ভালো লাগলেই ওষুধ বন্ধ করে দেওয়া

পুরো ডোজ শেষ না করাটা একধরনের খারাপ অভ্যাস। অনেকেই সামান্য শরীর ভালো লাগলেই ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেন। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, ডোজ সম্পূর্ণ শেষ না হলে রোগ পুরোপুরি সারে না এবং ভবিষ্যতে আরও বড় সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে পুরো চিকিৎসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করাই দ্রুত সুস্থ হওয়ার একমাত্র পথ। সামান্য অবহেলা বা নিজের মতো সিদ্ধান্তই বড় বিপদের কারণ হতে পারে।

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

পবিপ্রবির নতুন উপাচার্য হলেন প্রফেসর ড. এস এম হেমায়েত জাহান

তনু হত্যা  / ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ ২ আসামির বিরুদ্ধে 

নাগরিকসেবায় অবহেলা করলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ডিএসসিসি প্রশাসকের

হোয়াটসঅ্যাপে ইসরায়েলের সাইবার হামলা, মামলা করবে মেটা

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা

আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক ট্রেনিং সেন্টার / ৬ দিনব্যাপী ফাউন্ডেশন কোর্সের দ্বিতীয় পর্ব শুরু

এনসিপিতে যোগ দিলেন বিভিন্ন দলের শতাধিক নেতাকর্মী

১০

বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া বাণিজ্য : হালাল পণ্যে বড় সম্ভাবনা

১১

ছেলের সামনে বাবাকে গুলি করে হত্যা

১২

মুক্তির আগেই সাফল্যের দুয়ারে ‘ককটেল ২’

১৩

ইসরায়েলে ছোড়া ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেনি যুক্তরাষ্ট্র

১৪

নারী-পুরুষের বৈষম্য কমিয়ে আনতে কাজ করছে সরকার : মঈন খান

১৫

অতিরিক্ত ফাউলের অভিনয় করলে বিশ্বকাপে দেখতে হবে হলুদ কার্ড

১৬

ছাত্রলীগ নেতা ডেবিট আটক

১৭

ভারতের পুশইন নিয়ে ছাত্রদল নেতা আবিদের স্ট্যাটাস ভাইরাল

১৮

উপজেলা চেয়ারম্যানসহ আ.লীগের ১৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

১৯

বিশ্বকাপে পেনাল্টিতে সর্বোচ্চ গোলের তালিকায় মেসি

২০
X