কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০১ আগস্ট ২০২৪, ০২:০৯ পিএম
আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৪, ০২:৫৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

কিছুক্ষণের মধ্যেই জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের প্রজ্ঞাপন : আইনমন্ত্রী

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি : সংগৃহীত
আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি : সংগৃহীত

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবিরোধী আইনের ১৮/১ ধারায় জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্র শিবিরসহ এর অঙ্গসংগঠন রাজনৈতকিভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যে প্রজ্ঞাপন জারি করবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।

বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আইনমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, গত পরশু ১৪ দলের একটি সভা হয়েছিল, সেখানে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল যে জামায়াতে ইসলামীকে রাজনৈতিকভাবে নিষিদ্ধ করা হবে। এটার একটা আইনি প্রক্রিয়া আছে, সেটা আমরা গত পরশু শুরু করেছিলাম। এর মধ্যে এই নিষিদ্ধের যে গেজেট প্রকাশ করা হবে, সেটারও কিছু আইনি বাধ্যবাধকতা আছে, সেগুলো পূরণ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ‘যে কারণে গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় সেই আইনি বাধ্যবাধকতা পূরণ করে আমার মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ বিভাগে পাঠিয়েছে, এরপর সেটিকে ভেটিং করে আবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি, আমার মনে হয়ে, কিছুক্ষণের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই গেজেট প্রকাশ করে দেবে।’

প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালে সরকারি চাকরির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে কোটা বাতিল করে জারি করা পরিপত্র হাইকোর্ট অবৈধ ঘোষণার পর শিক্ষার্থীরা আন্দোলনের ডাক দেয়। এক পর্যায়ে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দেয়। তাদের সঙ্গে স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদেরও দেখা যায়। কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা ‘বাংলা ব্লকেড’ নামের অবরোধও দেয়। এক পর্যায়ে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ ঘোষণা করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

কর্মসূচি চলাকালে রাজধানীসহ সারা দেশে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও সরকার সমর্থকদের সংঘর্ষ হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ক্লাস পরীক্ষা স্থগিত করে হল খালি করার নির্দেশ দেয় কর্তৃপক্ষ। অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও বন্ধ করা হয়। গত ১৮ জুলাই আন্দোলনকারীরা সরকারি বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেয়। ব্যাপক ভাঙচুর হয় রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

সহিংসতা-সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯ জুলাই রাতে সারা দেশে কারফিউ জারি করে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। পরে ২১ থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়। দেশজুড়ে সংঘাত-সহিংসতা হয়। এতে সরকারি হিসেবে পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১৫০ জন নিহত হয়েছেন। সহিংসতা দমনে সরকার অভিযান চালালে গত ২২ জুলাই থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসে। ক্রমে বাড়ে কারফিউ শিথিলের সময়। ধীরে ধীরে খুলে দেওয়া হয় অফিস।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

মালকা বানুর দেশেরে বিয়ার বাদ্য আল্লাহ বাজে রে

শেখ হাসিনার রাষ্ট্রদ্রোহ মামলার পরবর্তী চার্জ শুনানি ৯ ফেব্রুয়ারি

আদালতেই থামল বাংলাদেশকে ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার দাবি

যাত্রী চাহিদায় চট্টগ্রাম রুটে ফ্লাইট বাড়াল নভোএয়ার

প্রতীক পেয়ে সরে দাঁড়ালেন প্রার্থী, কান্নায় ভেঙে পড়লেন কর্মী-সমর্থক

নির্বাচন করতে পারবেন না মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী, রিট খারিজ

জয়-পলকের বিচার শুরু 

হারালাম অভিভাবকতুল্য মানুষকে: শাকিব খান

আর নাচবেন না ‘চন্দন দ্বীপের রাজকন্যা’র নায়ক

পছন্দের প্রতীক পেয়ে যা বললেন তাসনিম জারা

১০

বিশ্লেষণ / ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোথায়?

১১

পছন্দের প্রতীক পেয়ে যা বললেন রুমিন ফারহানা

১২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন ১৩ প্রার্থী

১৩

ওসমান হাদির স্ত্রীর স্ট্যাটাস

১৪

এবার ২ টাকা কেজি চাল বিতরণের ঘোষণা সেই রায়হান জামিলের

১৫

মিরপুরে মহিলা জামায়াতের বৈঠকে হামলায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের দাবি গোলাম পরওয়ারের

১৬

হাঁস প্রতীক পেলেন রুমিন ফারহানা

১৭

জুলাই সনদে সমর্থন চাচ্ছি, যাতে দেশটা বদলে যায় : উপদেষ্টা আদিলুর

১৮

এক দিনেই ৭ নির্বাচনী সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তারেক রহমান

১৯

১০৩ কর্মী নেবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র

২০
X