

গত অর্থবছরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজন করে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ইসির জন্য বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৯৫৬ কোটি টাকা। তবে একই অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে বরাদ্দ বেড়ে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৪৫ কোটি ৬৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ইসির জন্য আগামী অর্থবছরে ৪ হাজার ৪০০ কোটি ৭৯ লাখ টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। যা আগের বছরের চেয়ে বেশি।
বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তব্যে অর্থ বরাদ্দের প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২০২৬-২৭ অর্থবছরে ইসি যেসব কার্যাবলি বাস্তবায়ন করতে চায় :
দুইটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন, চারটি পৌরসভা সাধারণ নির্বাচন, ১০টি উপজেলা পরিষদ সাধারণ নির্বাচন, ১০টি ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং জাতীয় সংসদ ও স্থানীয় সরকারের উপনির্বাচন; কেন্দ্রীয় ও মাঠপর্যায়ে জাতীয় ভোটার দিবস উদযাপন; ছবিসহ ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম; পেপার লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রস্তুত, মুদ্রণ ও বিতরণ; স্মার্টকার্ড দেওয়া; শূন্য হতে ১৮ বছর বয়সের নীচে নাগরিক নিবন্ধন ও এনআইডি দেওয়া।
এছাড়া এনআইডি সিস্টেমের (সিএমএস, বিভিআরএস, এএফআইএস, স্মার্টকার্ড প্রিন্টিং সফটওয়্যার) অডিট (আইএসও/সমপর্যায়ের) ও ডকুমেন্টেশন, প্রবাসেই বাংলাদেশি নাগরিকদের নিবন্ধন ও স্মার্টকার্ড দেওয়া; এনআইডি মিনি আর্কাইড/লাইব্রেরি স্থাপন; কুমিল্লায় অবস্থিত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় তথা আঞ্চলিক সার্ভার স্টেশন ভবন ফাংকশনাল ডিআরএস (ডিজাস্টার রিকভারি সাইট) স্থাপন; এনআইডি সিস্টেমকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিকাঠামোর কমন প্লাটফর্মে সংযুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় সাইবার সেন্সর সিস্টেম স্থাপন; এনআইডির তথ্য যাচাই/শনাক্তকরণ সংক্রান্ত পার্টনার সার্ভিস অব্যাহত রাখা; এবং ইসির প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ও নির্বাচনি ব্যবস্থাপনায় আইসিটি ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়ন কার্যক্রম অব্যাহত রাখা।