

ইউরোপীয় শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদাকে সামনে রেখে ১০ লাখ দক্ষ কর্মী রপ্তানির মাস্টারপ্ল্যান উপস্থাপন করা হয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০৩১ সাল পর্যন্ত এ কর্মী রপ্তানি করা হবে।
শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ইতালির রাজধানী রোমে এক রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশে দক্ষ কর্মীর ঘাটতি, বৈধ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন প্রক্রিয়া, প্রশিক্ষণভিত্তিক কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীদের আইনি সুরক্ষা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
আয়োজক সংগঠনদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোতে আগামী পাঁচ বছরে স্বাস্থ্যসেবা, নির্মাণ, কৃষি, আইটি, মেকানিক্যাল ও আতিথেয়তা খাতে বিপুলসংখ্যক দক্ষ কর্মীর প্রয়োজন হবে। এই চাহিদাকে কাজে লাগাতে বাংলাদেশকে এখন থেকেই কারিগরি প্রশিক্ষণ, ভাষা শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন সার্টিফিকেশন কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
সমিতির প্রধান শাহ তাইফুর রহমান ছোটন বলেন, পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারবে। তবে এর জন্য প্রবাসীদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরও বলেন, প্রবাসীদের ভোটাধিকার বাস্তবায়ন, দূতাবাস সেবার মানোন্নয়ন, আইনি সহায়তা বৃদ্ধি এবং শ্রমচুক্তির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সরকারকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত অন্যান্য নেতৃবৃন্দ বলেন, এই মাস্টার প্ল্যান বাস্তবায়িত হলে একদিকে যেমন ইউরোপীয় শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে, অন্যদিকে দেশের বেকারত্ব হ্রাস ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। সংবাদ সম্মেলনের শেষে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।