বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ মে ২০২৫, ০২:২৪ পিএম
আপডেট : ২৪ মে ২০২৫, ০২:৫৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না : রিফাত

আপ বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত। পুরোনো ছবি
আপ বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত। পুরোনো ছবি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন ইউনাইটেড পিপলস বাংলাদেশের (আপ বাংলাদেশ) প্রধান সমন্বয়কারী রাফে সালমান রিফাত।

শনিবার (২৪ মে) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।

পোস্টে তিনি লেখেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কোনো একক নেতৃত্ব ছিল না। এটা ছিল কালেক্টিভ নেতৃত্বের ফসল। সাদিক কায়েম, নাহিদ, মাহফুজ, জুনায়েদ ভাই- কেউ কারোর ইমাম ছিল না। এখানে কোনো একক ইমাম নেই। নেই কোনো একক মাস্টারমাইন্ড।

তিনি আরও বলেন, শহীদ-আহতদের ত্যাগের মধ্য দিয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। একইসাথে এটা ছিল খুনি হাসিনার নিজের হাতের কামাই। ফ্যাসিস্ট, খুনী হাসিনার বিগত ১৬ বছরের যাবতীয় গুম, খুন, জুলুম, নির্যাতন, বৈষম্যের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত ঐক্যমত্যের ফলাফল।

রাফে সালমান রিফাত বলেন, ৫ আগস্টের পর নানা প্রকারে একপাক্ষিক বা একক ইমাম/নেতৃত্ব আরোপের প্রচেষ্টাতেই অনৈক্য, অবিশ্বাস আর বিভেদ জন্ম নিয়েছে।

রাফে সালমান রিফাত আরও বলেন, ড. ইউনুস শুরু থেকে আজ পর্যন্ত গোটা ছাত্র-জনতাকে দেখেছেন মাহফুজ-নাহিদদের লেন্স দিয়ে। ফলে ঐটা হয়েছে কালেক্টিভ নেতৃত্বের ছোট্ট একটা অংশের লেন্স। গণতান্ত্রিক ছাত্রশক্তির লেন্স। কালেক্টিভ নেতৃত্বের বাকিরা তথা সাদিক কায়েম, হাসনাত আব্দুল্লাহ, আলী আহসান জুনায়েদ, সিবগাতুল্লাহ বা ছাত্রদলের রাকিব-নাসিরদের লেন্স সম্পর্কে প্রধান উপদেষ্টা এখনও অন্ধকারে।

উত্তাল সেই আন্দোলনের মুহুর্তে সমন্বয়টা কীভাবে হয়েছিলো, কার ভূমিকা কী ছিল সেগুলোর প্রকৃত চিত্র ড. ইউনুস কখনও এই মানুষগুলোর মুখ থেকে শোনেন নাই। ছাত্রদের সম্মিলিত শক্তির সঙ্গে উনি কখনও বসেন নাই।

ফলে ছাত্র-নেতৃত্বের আজকের অনৈক্যের গোড়া সম্পর্কে উনি অনবগত। উনি যদি একবার সবার সঙ্গে বসতেন তবে বোধ করি গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দানকারী ছাত্রদের সমন্বয়হীনতার এতটা প্রকট সংকট এত দ্রুত তৈরি হতো না।

কালবেলা/এফএফ
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা

জুলাই শহীদদের স্মরণে ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদে ছাত্রদলের দোয়া ও মিলাদ বুধবার

বিয়ে নিয়ে শুভঙ্করের ফাঁকি, জামায়াত এমপির গোমর ফাঁস করলেন কাজী  

থাইল্যান্ডে আন্তঃদেশীয় অপরাধ সম্মেলন শেষ, কর্মব্যস্ত সময় কাটালেন আইজিপি

রাজধানীতে বিএনপি কর্মীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা

আরএফএল কর্মীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, সহকর্মী পলাতক

অবৈধ পথে ইতালি যাওয়ার চেষ্টা, হাঙ্গেরিতে বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু

নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ

‘রাজনৈতিক বিভেদের ঊর্ধ্বে থেকে আইনজীবীদের কল্যাণে কাজ করতে হবে’

বিশ্বকাপ ফাইনালের মারামারিতে যে শাস্তি পেতে পারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা

১০

হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধে লড়তে চান সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট, দাবি ট্রাম্পের

১১

হুতিদের হুমকির মুখে লোহিত সাগর থেকে ফিরে গেল ২ সৌদি জাহাজ

১২

চুক্তি আগস্টে / এবার এয়ারবাসের ১০ উড়োজাহাজ কিনছে সরকার

১৩

উন্নয়ন কোনো দলের নয়, জনগণের অধিকার: মান্নান

১৪

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে যাদের প্রার্থী হতে সুযোগ দেবে না ইসি

১৫

কুয়াকাটায় বসতবাড়ি থেকে পদ্ম গোখরা উদ্ধার

১৬

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

১৭

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অভিযাত্রিক ফাউন্ডেশনের খাদ্য সহায়তা

১৮

স্কালোনির পর আর্জেন্টিনার কোচ হতে পারেন যারা, আলোচনায় ৪ নাম

১৯

পাঁচ তারকা বিচারক নিয়ে শুরু হচ্ছে ‘ভয়েজ অব বাংলাদেশ’

২০
X