

নিকষ কালো অন্ধকারের বুক চিরে শান্ত নদীর ওপর দিয়ে ধীরলয়ে এগিয়ে আসছে বিশালাকার এক সোনালি ড্রাগন। ১ হাজার মিটার দীর্ঘ সেই ড্রাগনের শরীর থেকে বিচ্ছুরিত হচ্ছে মায়াবি আলো। তার ঠিক পেছনেই ডানা মেলেছে এক অগ্নিবর্ণের ফিনিক্স পাখি।
নদীর জলে আগুনের এমন প্রতিফলন দেখে মনে হতে পারে, কোনো প্রাচীন রূপকথা যেন জীবন্ত হয়ে ধরা দিয়েছে পৃথিবীতে।
ইংরেজি নববর্ষের রাতে এমনই এক বিস্ময়কর দৃশ্যের সাক্ষী হলো চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় ইয়াংশুয়োর প্রাচীন লি নদী। মূলত স্থানীয় লি রিভার ফিশিং ফায়ার ফেস্টিভ্যালের ২৪তম আসরকে রাঙিয়ে তুলতেই আয়োজন করা হয় এই ড্রাগন ও ফিনিক্স উৎসবের। ৭৭টি বাঁশের তৈরি ভেলাকে আলোকসজ্জায় সজ্জিত করে তৈরি করা হয়েছিল এই বিশালাকার ড্রাগনটিকে।
স্থানীয় লোকজ সংস্কৃতিতে ড্রাগন শক্তি ও প্রজ্ঞার প্রতীক, আর ফিনিক্স হলো শান্তি ও সমৃদ্ধির বারতা। তাই এই চোখধাঁধানো প্রদর্শনী দেখতে নদীর তীরে ভিড় জমিয়েছিলেন দেশি-বিদেশি অসংখ্য পর্যটক।
মুগ্ধতা প্রকাশ করে রুশ পর্যটক ইরিনা বলেন, এটি অবিশ্বাস্য বড় এক শো। ড্রাগন আর আতশবাজির এই মেলবন্ধন আমাকে মুগ্ধ করেছে। ড্রামের তালে তালে চলা এই উৎসবে দর্শনার্থীরা স্থানীয় কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের এক অনন্য স্বাদ খুঁজে পেয়েছেন। রাতের আকাশে বর্ণিল আতশবাজির রোশনাই আর ড্রাগনের আলোকছটায় নতুন বছরকে বরণ করার এই মুহূর্তটি লি নদীর তীরে এক স্বপ্নিল আবেশ তৈরি করে।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিওতে...
মন্তব্য করুন