

ইরানের বিরুদ্ধে অভিযানে ইসরায়েল গোপনে আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহার করেছে; এমন দাবি সংবলিত মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের একটি প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে আজারবাইজান। দেশটির সরকার অভিযোগগুলোকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে আখ্যা দিয়েছে।
এক বিবৃতিতে আজারবাইজানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, এ ধরনের অভিযোগ তারা আগেও একাধিকবার অস্বীকার করেছে। সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদন প্রকাশের আগেই তাদের সরকারি অবস্থান সংবাদমাধ্যমটির কাছে জানানো হয়েছিল।
মন্ত্রণালয়ের অভিযোগ, সিএনএন প্রতিবেদনটি তৈরির ক্ষেত্রে বেনামি সূত্রের ওপর নির্ভর করা হয়েছে এবং বাকুর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া উপেক্ষা করা হয়েছে। তাদের মতে, এটি সাংবাদিকতার বস্তুনিষ্ঠতা ও পেশাগত নৈতিকতার নীতিমালার পরিপন্থি।
বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা কখনো এ ধরনের কর্মকাণ্ডের অনুমতি দিইনি এবং ভবিষ্যতেও দেবো না।
এতে আরও বলা হয়, আঞ্চলিক শান্তি এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে আজারবাইজান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিবেদনটি প্রত্যাহারেরও দাবি জানিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সিএনএনের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময় ইসরায়েল দক্ষিণ আজারবাইজানের ইরান সীমান্তসংলগ্ন এলাকায় কয়েক ডজন বিশেষ বাহিনীর সদস্য এবং মোসাদের কর্মী মোতায়েন করেছিল।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এসব সদস্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং ড্রোন অভিযান পরিচালনা করেছিলেন। এছাড়া গত ৪ মার্চ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের এক জ্যেষ্ঠ গোয়েন্দা কমান্ডারকে হত্যার অভিযানও আজারবাইজানের ভূখণ্ড থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।