রবিবার, ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩৩
কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৪:১৪ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

অবৈধ অভিবাসন প্রত্যাশীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর প্রস্তাব জার্মানিরও

জার্মানিতে অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। পুরোনো ছবি
জার্মানিতে অভিবাসন নীতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। পুরোনো ছবি

অবৈধ অভিবাসীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর প্রস্তাব উঠেছে জার্মানিতেও। দেশটিও যুক্তরাজ্যের মতো অবৈধ অভিবাসীদের রুয়ান্ডা পাঠানোর প্রস্তাব করেছে।

বৃহস্পতিবার (০৫ সেপ্টেম্বর) বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, জার্মানির অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার জোয়াসিম স্ট্যাম্প এক মিডিয়া পডকাস্টে এ প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। দেশটিতে গত কয়েক বছর ধরে অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীদের ভিড় বাড়ছে।

ইউরোপের এ দেশটিতে এশিয়া, আফ্রিকার পাশাপাশি পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শত শত মানুষের জন্য আগ্রহের জায়গা হয়ে উঠেছে। ফলে সেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষ অবৈধভাবে প্রবেশের চেষ্টা করছেন।

পডকাস্টে অভিবাসনবিষয়ক কমিশনার বলেন, বছরে গড়ে ১০ হাজার বেশি অভিবাসী অবৈধভাবে জার্মানিতে প্রবেশের চেষ্টা করেন। আমরা শিগগিরই কোনো ব্যবস্থা নিতে না পারলে সামনের দিকের পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে রুয়ান্ডা ছাড়া আমাদের সামনে অন্যকোনো বিকল্প নেই।

রুয়ান্ডা পলিসি কী?

রুয়ান্ডা পরিকল্পনা অনুযায়ী, যুক্তরাজ্য সরকার সে দেশে অবৈধভাবে প্রবেশ করা ব্যক্তিদের রুয়ান্ডায় পাঠিয়ে দেবে। সেখানে তারা যুক্তরাজ্যে বসবাসের কোনো সম্ভাবনা ছাড়াই আশ্রয় চাইতে পারবে। এই প্ল্যান মূলত ২০২১ সালে করা, যখন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বরিস জনসন ও ঋষি সুনাক ছিলেন তার অর্থমন্ত্রী।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদ (ব্রেক্সিট) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরপরই এই পরিকল্পনা করা হয়। কারণ ব্রেক্সিটের পরও যুক্তরাজ্যে বৈধ ও অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীর সংখ্যা দ্রুত বেড়ে চলেছে। অবৈধ অভিবাসনপ্রত্যাশীরা বিশেষ করে ফ্রান্স থেকে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে প্রবেশ করে।

২০২৩ সাল থেকে অবৈধ অভিবাসীনপ্রত্যাশীদের রুয়ান্ডায় পাঠানো শুরু করে ব্রিটেন। তবে ২০২৪ সালে দেশটিতে কেয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর এ নীতি বাতিল করে দেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপি জনগণের ভোটাধিকার ও গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বিশ্বাস করে : শামা ওবায়েদ

খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে বিজ্ঞান, স্বাস্থ্য ও প্রযুক্তির সমন্বিত কাজ অপরিহার্য : উপদেষ্টা ফরিদা

খোলা জায়গায় প্রস্রাব করায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের জরিমানা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : সেলিমুজ্জামান

এমপি প্রার্থীর কর্মীকে হত্যা, মরদেহ নিয়ে বিক্ষোভ

প্রাণ গেল নারী-শিশুসহ ৩ জনের

ঢাকায় জার্মান রাষ্ট্রদূতের সম্মানে এএজিইউবি’র সংবর্ধনা, এজিম ও সেমিনার অনুষ্ঠিত

রূপায়ণ হাউজিং এস্টেট লিমিটেডের সেলস কনফারেন্স অনুষ্ঠিত

একুশ শতাব্দীতে যে কীর্তিতে দ্বিতীয় দ্রুততম এমবাপ্পে

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর

১০

খালেদা জিয়ার কফিন বহনের সুযোগ পেয়ে যাদের কৃতজ্ঞতা জানালেন রাষ্ট্রদূত মুশফিক

১১

ডার্বিতে সিটিকে গুঁড়িয়ে দিল ইউনাইটেড! 

১২

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল ২ জনের

১৩

দুর্দান্ত শুরুর পরও জিততে পারল না বাংলাদেশ

১৪

থানায় আগুন, পুড়ল সাংবাদিকের মোটরসাইকেল

১৫

প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ গঠনে নীতিগত সমন্বয় ও সম্মিলিত উদ্যোগের আহ্বান 

১৬

গুম হওয়া বাবার স্মৃতিচারণ করে শিশুর আর্তনাদ, কাঁদলেন তারেক রহমান

১৭

বিক্ষোভে ‘হাজারো হত্যার’ পেছনে যুক্তরাষ্ট্র জড়িত : খামেনি

১৮

ভেনেজুয়েলার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন আঁতাত ফাঁস

১৯

সন্দ্বীপেরই অংশ ভাসানচর

২০
X