কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০১:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার পরদিনই নিহত মাদকসম্রাট এল মেনচো

ছবি : সংগৃহীত
ছবি : সংগৃহীত

প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করাই কি তবে কাল হলো মেক্সিকোর শীর্ষ সন্ত্রাসী ও কুখ্যাত মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরার। যিনি এল মেনচো নামেই বেশি পরিচিত। গত রোববার এক নিরাপত্তা অভিযানে নিহত হন তিনি।

মেক্সিকো কর্তৃপক্ষ রোববারের অভিযানের মূল্যায়নে বলেছে, এল মেনচোর এক প্রেমিকার সঙ্গে তার দেখা করতে যাওয়ার সূত্র ধরেই তাকে গ্রেপ্তারের সামরিক অভিযান চালানো সম্ভব হয় এবং তিনি নিহত হন।

মেক্সিকোর সেনাবাহিনী রোববার কুখ্যাত মাদক চক্র জালিস্কো নিউ জেনারেশনের (সিজেএনজি) নেতা এল মেনচোকে ধরতে দেশটির মধ্য-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য জালিস্কোর তাপালপা শহরে অভিযান চালায়।

তাপালপা শহরের উপকণ্ঠের এক বনাঞ্চলে অভিযানের সময় এল মেনচোর সমর্থক ও সেনাবাহিনীর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ হয়। এ সময় মেনচো গুরুতর আহত হন। পরে তাকে হেলিকপ্টারে করে মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটিতে নিয়ে যাওয়ার সময় তিনি মারা যান।

অভিযানে এল মেনচো নিহত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাপালপা শহর রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সহিংসতায় এ পর্যন্ত ন্যাশনাল গার্ড মিলিটারি পুলিশের ২৫ সদস্যসহ ৭০ জন নিহত হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর এল মেনচোর মাথার দাম ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার ঘোষণা করেছিল।

মেক্সিকোর প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় স্বীকার করেছে, এ নিখুঁত অভিযানে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়ে সহায়তা করেছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর ইতোমধ্যে দেশটির জালিস্কোসহ সীমান্তবর্তী বেশ কয়েকটি রাজ্যে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের নিরাপদ আশ্রয়ে থাকার নির্দেশ দিয়েছে।

মেক্সিকোর প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিকার্দো ত্রেভিয়া বলেন, এল মেনচোর এক প্রেমিকার ঘনিষ্ঠজনের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা এক দিনের মধ্যে অপরাধ চক্রটির প্রধানের আস্তানায় অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করেন। এর পরদিনই ওই অভিযান চালানো হয়।

তিনি আরও বলেন, অভিযানের সময় ওসেগুয়েরার বন্দুকধারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলি চালান এবং সংঘর্ষ একটি বনাঞ্চলের ভেতরে থাকা কেবিন কমপ্লেক্সে (এক জায়গায় ছোট ছোট কয়েকটি ঘর) ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ওসেগুয়েরা তার দুজন দেহরক্ষীর সঙ্গে আহত হন। পরে তিনজনকে হেলিকপ্টারে করে মেক্সিকো সিটিতে নেওয়া হয়। কিন্তু তাদের বাঁচানো যায়নি। দুর্ভাগ্যজনকভাবে পথেই তারা মারা যান।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

শূন্যরেখায় অনিশ্চয়তার ৫৬ ঘণ্টা

বিশ্বকাপের জন্য ৭২ কোটি টাকায় মিডিয়া স্বত্ব কিনছে সরকার

জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশন শুরু

বুবলীর খবরের মাঝেই অপুর পোস্টে কিসের ইঙ্গিত!

দীর্ঘ দুই দশক পর নারী প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

বাংলাদেশের ফাইনালে ওঠার লড়াই আজ

রামিসা হত্যা মামলার রায় পর্যবেক্ষণে যা বললেন আদালত

প্রতিবাদ সভায় বক্তারা / চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই

দক্ষিণ লেবাননের আরও কয়েকটি শহরে ইসরায়েলি হামলা

মৃত মাকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ গেল মেয়ের

১০

খাদ্য প্যাকেটের সম্মুখভাগে সতর্কবার্তা বাড়াবে ভোক্তা সচেতনতা, কমাবে স্বাস্থ্যঝুঁকি

১১

চরিত্র হনন: এক নীরব ঘাতক

১২

সব ডেথ রেফারেন্সই দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত নেবেন: আইনমন্ত্রী

১৩

ইসরায়েলের গুপ্তচরবৃত্তির হুমকিতে সতর্ক পেন্টাগন

১৪

উত্তাপহীন বিসিবি নির্বাচনে ৩৫ মিনিটে পড়েছে ১ ভোট

১৫

ছাত্রদল নেতাকে মারধরের অভিযোগ বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়কের বিরুদ্ধে

১৬

অঝোরে কাঁদছিলেন রামিসার বাবা, চোখ বন্ধ রেখেছিলেন স্বপ্না

১৭

ভিসা ছাড়াই যে ৩৬ দেশে যেতে পারবেন বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীরা

১৮

রামিসা হত্যা মামলা / রায়ের সময় কাঠগড়ায় দোয়া পড়ছিলেন সোহেল

১৯

সরকারে আসার ঝুঁকি এতটা ভয়াবহ হবে ভাবিনি: ফারুকী

২০
X