

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)-কে যুক্তরাজ্যের নতুন নিরাপত্তা আইনের আওতায় কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে তেহরানে নিযুক্ত ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে ইরান। মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম ইউরোপ বিষয়ক মহাপরিচালক ও সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলিরেজা ইউসেফি ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হুগো শর্টারকে তলব করে লন্ডনের এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানান।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) তাসনিম নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
বৈঠকে ইউসেফি বলেন, যুক্তরাজ্যের এই শত্রুতাপূর্ণ সিদ্ধান্তের জবাবে ইরান দৃঢ় ও সমপর্যায়ের প্রতিক্রিয়া জানাবে।
ইউসেফি ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক সংসদীয় বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, আইআরজিসির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন এবং এগুলো আন্তর্জাতিক সম্পর্কের মৌলিক নীতিমালা ও যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
তার মতে, এসব অভিযোগ একটি দায়িত্বজ্ঞানহীন পদক্ষেপ, যা দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের জন্য নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
এর আগে এক বিবৃতিতে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যুক্তরাজ্যের সিদ্ধান্তকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলে আখ্যা দেয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, আইআরজিসি ইরানের সরকারি সশস্ত্র বাহিনীর অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় করে স্বাধীনতা ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় কাজ করে।
এছাড়াইসলামিক স্টেট আইএস ও দায়েশের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আইআরজিসির ভূমিকার কথাও তুলে ধরে তেহরান।
ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্তের জবাবে তারা পারস্পরিক ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষণ করে। একই সঙ্গে লন্ডনের পদক্ষেপের ফলে যে কোনো রাজনৈতিক ও আইনি ও পরিণতির দায় ব্রিটিশ সরকারের ওপর বর্তাবে বলেও জানিয়েছে তেহরান।