

মিয়ানমারে সামরিক জান্তা পরিচালিত ভোটের প্রথম দুই ধাপে বড় ও স্পষ্ট ব্যবধানে জয়ী হয় সেনাবাহিনী সমর্থিত দল ইউএসডিপি। আর গত রোববার তৃতীয় ও শেষ ধাপের ভোট শেষে নির্বাচনে জয়ের দাবি করেছে দলটি। বিশ্লেষকরা আগেই বলেছিলেন—এ নির্বাচনের ফলে কেবল সেনাবাহিনীর ক্ষমতায়ন দীর্ঘায়িত হবে। ইএসডিপি এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা এরই মধ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে জয়ী হয়েছি।’
বিশ্লেষকদের মতে, ইউএসডিপি প্রকৃত অর্থে কোনো বেসামরিক রাজনৈতিক দল নয়। মূলত সেনাবাহিনীর সাবেক সদস্যদের নিয়েই দলটি গঠিত। বাকি যেসব নেতা আছেন, তারাও সেনাবাহিনীর প্রতি দায়বদ্ধ।
মিয়ানমারের বড় একটি অংশ এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠীদের অধীনে। সেসব অঞ্চলে ভোট হয়নি। যার ফলে, এই ভোটে জনগণের রায়ের প্রতিফলন ঘটেছে, এমনটি বলা যায় না।
পার্লামেন্টের উচ্চ ও নিম্নকক্ষের সব আসনের ফল জনগণের ভোটে নির্ধারণ হলেও প্রেসিডেন্টের ক্ষেত্রে বিষয়টি ভিন্ন। মার্চে নবনির্বাচিত আইনপ্রণেতাদের নিয়ে পার্লামেন্টের অধিবেশন শুরুর পর সদস্যরা ভোটের মাধ্যমে প্রেসিডেন্ট বেছে নেবেন। খুব সম্ভবত প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন মিন অং হ্লাইং। এমনটিই আভাস মিলেছে।
মন্তব্য করুন