হুমায়ূন কবির
প্রকাশ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১১ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:৪১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

ভেনেজুয়েলায় হামলা কি বিশ্বযুদ্ধের সূচনা

ভেনেজুয়েলায় হামলা কি বিশ্বযুদ্ধের সূচনা

দক্ষিণ আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনেজুয়েলা কয়েক দশক ধরে ক্রমেই পরিণত হয়েছে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির এক উত্তপ্ত সংঘাতবিন্দুতে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ‘পেছনের উঠানে’ দখলদারত্ব, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার, অন্যদিকে ভেনেজুয়েলার প্রতি রাশিয়া ও চীনের কৌশলগত সমর্থন—এই ত্রিমুখী শক্তি সমীকরণ দেশটিকে ঠেলে দিয়েছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। বিশেষ করে ৩ জানুয়ারি কারাকাসে সামরিকপন্থায় প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে যুক্তরাষ্ট্রের তুলে নেওয়ার ঘটনা নতুন ভিন্ন শঙ্কা তৈরি করেছে। আন্তর্জাতিক মহলে এখন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে—ভেনেজুয়েলায় যুক্তরাষ্ট্রের এই সামরিক আগ্রাসন কি তবে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সূত্রপাত ঘটিয়ে দেবে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হলে ফিরে যেতে হবে ইতিহাসের পাতায়, বিশ্লেষণ করতে হবে তেল, ক্ষমতা ও সাম্রাজ্যবাদী রাজনীতির দীর্ঘ সংঘাত এবং বুঝতে হবে বর্তমান বৈশ্বিক শক্তি ভারসাম্যের সূক্ষ্ম বাস্তবতা। মার্কিন আগ্রাসন নিয়ে বিস্তারিত লিখেছেন হুমায়ূন কবির

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলায় চালানো অভূতপূর্ব সামরিক অভিযানে প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো ও তার স্ত্রীকে আটক করে নিউইয়র্কে নেওয়া বৈশ্বিক রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় ব্যাপক প্রভাব সৃষ্টি করেছে। ট্রাম্প এ পদক্ষেপকে ‘মাদক-সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ’ হিসেবে দাবি করলেও অধিকাংশ বিশ্লেষক একে সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন, আন্তর্জাতিক আইন ভাঙা এবং শাসন পরিবর্তনের নগ্ন উদাহরণ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

লন্ডনভিত্তিক ব্রিটিশ থিংকট্যাংক প্রতিষ্ঠান চাথাম হাউসের বিশ্লেষজ্ঞদের মতে, এ অভিযান ৮০ বছরের বৈশ্বিক নীতিভিত্তিক ব্যবস্থার ওপর এক বড় আঘাত। জাতিসংঘ ও বেশিরভাগ রাষ্ট্র নিন্দা জানালেও প্রতিক্রিয়া ছিল তুলনামূলক দুর্বল, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী রাষ্ট্রকে একতরফা আগ্রাসনে উৎসাহিত করবে। ব্রাজিল, মেক্সিকোসহ লাতিন আমেরিকার বড় অংশ এ হামলাকে বিপজ্জনক নজির হিসেবে দেখছে।

ভেনেজুয়েলার ভেতরে এর প্রভাব ভয়াবহ হতে পারে। দেশটি আগে থেকেই অর্থনৈতিক বিপর্যয়, খাদ্যসংকট ও ব্যাপকমাত্রা দেশছাড়ার প্রবণতার মধ্যে ছিল। মাদুরোর অপসারণ ক্ষমতার শূন্যতা, সহিংসতা, খাদ্য সরবরাহ ভেঙে পড়া ও মানবিক বিপর্যয় আরও গভীর করতে পারে—ইরাক ও লিবিয়ার মতো পরিস্থিতির আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা।

জ্বালানি বাজারেও বড় ধাক্কার শঙ্কা রয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল মজুতের দেশ ভেনেজুয়েলায় অস্থিরতা তেলের দাম বাড়াতেও পারে, আবার যুক্তরাষ্ট্র-নিয়ন্ত্রিত বিনিয়োগের আশায় দাম কমতেও পারে—এখন এ সবকিছু নির্ভর করছে ওয়াশিংটনের পরিকল্পনার ওপর।

রাশিয়া ও চীনের জন্য এটি কৌশলগত ধাক্কা হলেও, তারা যুক্তরাষ্ট্রের এই একতরফা আগ্রাসনকে কাজে লাগিয়ে বিশ্বজুড়ে ‘আমেরিকান ভণ্ডামি’ তুলে ধরতে চাইবে। অনেক দুর্বল রাষ্ট্র ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রের হাত থেকে বাঁচতে বিকল্প শক্তির দিকে ঝুঁকতে পারে। সব মিলিয়ে, মাদুরোর পতন কেবল ভেনেজুয়েলার ঘটনা নয়—এটি বিশ্ব রাজনীতির এক বিপজ্জনক মোড়, যেখানে শক্তিই যেন ন্যায়ের শেষ মানদণ্ড হয়ে উঠছে।

ইতিহাস: বন্ধু থেকে শত্রু

একসময় ভেনেজুয়েলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি সহযোগী। বিশ শতকে দেশটির তেল শিল্পে মার্কিন কোম্পানিগুলোর প্রভাব ছিল ব্যাপক। কিন্তু ১৯৯৯ সালে ক্ষমতায় আসেন হুগো চ্যাভেজ—আর সেখান থেকেই পাল্টে যেতে শুরু করে দুই দেশের সম্পর্কের গতিপথ।

চ্যাভেজ ঘোষণা দেন—একবিংশ শতাব্দীর সমাজতন্ত্র; যার মূল দর্শন ছিল রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণে সম্পদ, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক অবস্থান। তিনি তেল শিল্প জাতীয়করণ করেন, মার্কিন প্রভাব কমাতে রাশিয়া, চীন, কিউবা ও ইরানের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার করেন। ওয়াশিংটনের চোখে চ্যাভেজ তখন হয়ে ওঠেন এক অস্বস্তিকর নেতা।

২০০২ সালের অভ্যুত্থান চেষ্টা

২০০২ সালে হুগো চ্যাভেজকে ক্ষমতাচ্যুতির এক ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থান ভেনেজুয়েলার ইতিহাসে গভীর ছাপ ফেলে। চ্যাভেজপন্থিদের অভিযোগ, এ অভ্যুত্থানের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের মদদ ছিল। যদিও ওয়াশিংটন তা অস্বীকার করে, কিন্তু এ ঘটনা দুই দেশের পারস্পরিক অবিশ্বাসকে স্থায়ী রূপ দেয়।

মাদুরো আমল: সংঘাতের চূড়ান্ত রূপ

২০১৩ সালে হুগো চ্যাভেজের মৃত্যুর পর ক্ষমতায় আসেন তার উত্তরসূরি নিকোলাস মাদুরো। তার শাসনামলেই যুক্তরাষ্ট্র-ভেনেজুয়েলা সম্পর্ক সবচেয়ে খারাপ পর্যায়ে পৌঁছায়। মাদুরোর নির্বাচনকে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা প্রশ্নবিদ্ধ ঘোষণা করে এবং ২০১৯ সালে বিরোধীদলীয় নেতা হুয়ান গুয়াইদোকে ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি কার্যত ভেনেজুয়েলার সার্বভৌমত্বে সরাসরি হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হয় কারাকাসের কাছে। মাদুরো সরকার একে ‘আধুনিক অভ্যুত্থান’ আখ্যা দেয়।

মার্কিন কৌশল: অর্থনৈতিক যুদ্ধ ও সামরিক হুমকি

যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলার ওপর আরোপ করেছে ইতিহাসের অন্যতম কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। দেশটির রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি পিডিভিএসএর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ফলে তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে হ্রাস পায়। ব্যাংকিং ব্যবস্থা অচল হয়ে পড়ে, বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়।

এ নিষেধাজ্ঞার ফলে লাগামছাড়া মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও ওষুধের চরম সংকট, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিপর্যয় এবং ৭০ লাখের বেশি মানুষ দেশত্যাগে বাধ্য হয়। কারাকাসের দাবি, এই ‘অর্থনৈতিক অবরোধে’র উদ্দেশ্য সরকার উৎখাত।

তেল ও ভূ-রাজনীতি: মূল চালিকাশক্তি

ভেনেজুয়েলার কাছে রয়েছে বিশ্বের প্রমাণিত সর্ববৃহৎ তেল মজুত। এ সম্পদ শুধু অর্থনৈতিক নয়, কৌশলগত দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বিশ্লেষকদের মতে—যুক্তরাষ্ট্র চায় পশ্চিম গোলার্ধে জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে, চীন চায় দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা, রাশিয়া চায় মার্কিন প্রভাববলয় ভাঙতে। এ তিন স্বার্থের সংঘর্ষই ভেনেজুয়েলাকে পরিণত করেছে এক ভূ-রাজনৈতিক দাবার বোর্ডে।

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের শঙ্কা: পরাশক্তির সমীকরণ

ভেনেজুয়েলা সংকট এখন আর কেবল ওয়াশিংটন ও কারাকাসের দ্বন্দ্ব নয়; এটি এখন একটি বহুপক্ষীয় আন্তর্জাতিক ইস্যু।

রাশিয়ার ভূমিকা: রাশিয়া ভেনেজুয়েলার অন্যতম প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী ও কৌশলগত মিত্র। সামরিক উপদেষ্টা, যৌথ মহড়া এবং কূটনৈতিক সমর্থনের মাধ্যমে মস্কো স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে—ভেনেজুয়েলায় কোনো বিদেশি আগ্রাসন তারা মেনে নেবে না।

চীনের কৌশল: চীন ভেনেজুয়েলায় বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে, বিশেষত তেল ও অবকাঠামো খাতে। বেইজিংয়ের মূল লক্ষ্য জ্বালানি নিরাপত্তা এবং লাতিন আমেরিকায় মার্কিন একাধিপত্যের ভারসাম্যহীনতা কমানো।

আঞ্চলিক মেরূকরণ: কলম্বিয়া ও ব্রাজিল তুলনামূলকভাবে মার্কিনঘেঁষা আর কিউবা ও নিকারাগুয়া মাদুরোর দৃঢ় সমর্থক। এই বিভাজন অঞ্চলটিকে একটি সম্ভাব্য প্রক্সি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ‘ভেনেজুয়েলা এখন কেবল একটি দেশ নয়, এটি বিশ্ব ব্যবস্থার পরিবর্তনের প্রতীক। এখানে সরাসরি মার্কিন হামলায় রাশিয়া ও চীন পাল্টা কৌশল নিতে বাধ্য হবে, যা বৈশ্বিক সংঘাতের সূত্রপাত ঘটাতে পারে।’

মানবিক সংকট: সাধারণের করুণ বাস্তবতা

এই ভূ-রাজনৈতিক লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষ। একদিকে সরকারের অপশাসন ও দুর্নীতি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা— দুইয়ের চাপে জনগণের জীবন বিপর্যস্ত। ওয়াশিংটনের দাবি, এই দুরবস্থার জন্য দায়ী মাদুরো সরকারের ব্যর্থতা। কারাকাসের পাল্টা অভিযোগ, এটি একটি পরিকল্পিত ‘শ্বাসরোধকারী নীতি’। সত্য সম্ভবত এই দুইয়ের মাঝামাঝি কোথাও।

বিশ্লেষকদের দৃষ্টিভঙ্গি: যুদ্ধ কি অনিবার্য?

বিশ্লেষকদের ভাষ্য—তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো পরিস্থিতি তৈরি হলেও পরাশক্তিগুলো সরাসরি সংঘাতে জড়াতে চাইবে না। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের অভিজ্ঞতার পর যুক্তরাষ্ট্র নতুন ফ্রন্টে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধে যেতে সতর্ক। তবে ভেনেজুয়েলা দীর্ঘমেয়াদে অস্থিতিশীলতার কেন্দ্র হিসেবেই থাকবে।

বিশ্লেষকরা আরও কয়েকটি কারণ উল্লেখ করেন, যা সরাসরি যুদ্ধকে আপাতত ঠেকিয়ে রাখছে—ভেনেজুয়েলার দুর্গম ভূপ্রকৃতি ও সম্ভাব্য গেরিলা যুদ্ধ, মার্কিন অভ্যন্তরীণ জনমতের বিরোধিতা এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাবের আশঙ্কা।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভেনেজুয়েলায় এই মার্কিন আগ্রাসন মানেই যে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ—এমন সরল সমীকরণ টানা যায় না। তবে এটাও অস্বীকার করার উপায় নেই যে, এই সংকট বিশ্বশান্তির জন্য একটি গুরুতর হুমকি। পরাশক্তিগুলোর ক্ষমতার লড়াই যদি কূটনৈতিক টেবিলে সমাধান না হয়, তবে লাতিন আমেরিকার এই দেশটি ভবিষ্যতের কোনো বৈশ্বিক সংঘাতের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হতে পারে। বিশ্বের শান্তিকামী মানুষের প্রত্যাশা— নিষেধাজ্ঞা, হুমকি ও সামরিক আগ্রাসনের রাজনীতি পরিহার করে আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি পথ খোঁজা হোক, যেখানে ভেনেজুয়েলার সাধারণ মানুষ আর ভূ-রাজনীতির বলি না হয়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বিএনপিতে যোগ দিলেন জাপা-এনসিপির ৫ শতাধিক নেতাকর্মী

পুলিশ সদস্যকে ‘ছুরি’ দেখিয়ে ২ লাখ টাকা ছিনতাই, গ্রেপ্তার ৪

ইসলামপন্থিদের ভোট এক বাক্সে আনার পরিকল্পনা কার, যা বলছেন মুফতি ফয়জুল করীম

সব রেকর্ড ভেঙে স্বর্ণের দামে ইতিহাস, ভরি কত?

ঢাকায় পৌঁছালেন বাংলাদেশের নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন

ইউরোপ থেকে বড় দুঃসংবাদ পেল ইরান

স্বতন্ত্র প্রার্থীর অনুষ্ঠানে হামলা, খাবার লুট

আসিফ নজরুলের বক্তব্য আইসিসির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়: বিসিবি

সীমান্তে মসুর ক্ষেতে মিলল পিস্তলসহ তাজা গুলি

গরু ভাগাভাগির দ্বন্দ্বে ছেলের হাতে বাবা খুন

১০

৪৩ পণ্য ও সেবা রপ্তানি প্রণোদনার মেয়াদ বাড়ল

১১

২০২৫ সালে গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক মাইলফলক অর্জন করল কমিউনিটি ব্যাংক

১২

ভিসা নিয়ে বাংলাদেশকে বড় দুঃসংবাদ দিল অস্ট্রেলিয়া

১৩

কর্মস্থলে মোটরসাইকেল বহর নিয়ে এসে তোপের মুখে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা

১৪

আলোচনায় বসতে চায় ইরান, বললেন ট্রাম্প

১৫

বিএনপিতে যোগ দিলেন এলডিপির কয়েকশ নেতাকর্মী

১৬

ককটেল ফাটিয়ে বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নেওয়ার চেষ্টা বিএসএফের

১৭

পার্থর আসন থেকে সরে দাঁড়ালেন বিএনপির প্রার্থী 

১৮

মনোনয়নপত্র জমার সুযোগ পেয়ে যা বললেন হিরো আলম

১৯

কখন ডিম খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

২০
X