

সিলেটে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে পুলিশ সদস্যের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাইকাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) বিকেলে ছিনতাইকারীদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে, রোববার ও সোমবার সোবহানীঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শিপলু চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে ছিনতাইকারী চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করে।
গ্রেপ্তাররা হলেন— সিএনজিচালক জাহিদুল ইসলাম নাজিম (২৪), ফয়সল আহমদ (২৫) ও হৃদয় খান (২৩)। তাদের শাহপরাণ (রহ.) থানাধীন বিআইডিসি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এছাড়া তাদের দেওয়া তথ্য মতে, শাহপরান থানার কল্যাণপুর আবাসিক এলাকা থেকে ছিনতাইকারী সজলের ছোট ভাই ফয়জুল আহমেদ জুবেলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জানুয়ারি পুলিশ সদস্য সাদেকুর রহমান মেন্দিবাগ পয়েন্ট থেকে বন্দরবাজারগামী ‘নাঈম এন্ড হাদী’ নামীয় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন। নূরপুর এলাকায় নাইওরপুলস্থ দারাজ অফিসের সামনে পৌঁছালে সিএনজিতে থাকা ছিনতাইকারীরা ধারালো ছুরি (চাকু) দেখিয়ে ভয়ভীতি সৃষ্টি করে। এ সময় প্যান্টের পকেটে রাখা তার ছোট বোনের বিয়ের জন্য সংরক্ষিত নগদ ২ লাখ টাকা জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয় তারা। পরে তাকে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে দ্রুত সোবহানীঘাটের দিকে পালিয়ে যায় ছিনতাইকারীরা।
ঘটনার পর ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করা হয়। মামলার তদন্তের একপর্যায়ে শনিবার নূরপুর এলাকার শহিদুর রহমানের গ্যারেজ থেকে ছিনতাইয়ে ব্যবহৃত ‘নাঈম এন্ড হাদী’ নামীয় সিএনজিচালিত অটোরিকশা উদ্ধার করা হয়। পরে অটোরিকশার মালিকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ বিষয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ (উত্তর ও মিডিয়া) কমিশনার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম কালবেলাকে বলেন, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ব্যবহার করে টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় একটি চক্রের চার সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে সোমবার বিকেলে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। ছিনতাইসহ অপরাধ দমনে আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে।
মন্তব্য করুন