জাকির হোসেন
প্রকাশ : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ০৭:৫৪ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
ক্রান্তিকালের কথকতা

নরিয়েগা থেকে মাদুরো: আগ্রাসনের শেষ কোথায়

নরিয়েগা থেকে মাদুরো: আগ্রাসনের শেষ কোথায়

দক্ষিণ আমেরিকার মানুষের জীবনযাত্রা যতটা রঙিন ও বৈচিত্র্যময়, তাদের রাজনৈতিক ইতিহাস ততটাই রক্তাক্ত ও অস্থির। এ অস্থিরতার প্রধান ক্রীড়নক হলো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। তারা কখনো বন্ধু, কখনো অভিভাবক, আবার কখনো প্রকাশ্য অথবা পর্দার আড়াল থেকে দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলে তাদের রাজনৈতিক প্রভাব অব্যাহত রেখেছে। এ প্রভাব কখনো বিস্তৃত হয়েছে সামরিক জান্তাদের বুটের শব্দে, কখনো কূটনৈতিক চাপে, আবার কখনো অর্থনৈতিক অবরোধের ছায়ায়। গত ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর গ্রেপ্তারের খবর নতুন করে বিশ্বব্যাপী তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। তবে কোনো স্বাধীন দেশের সরকারপ্রধানকে গ্রেপ্তারের ঘটনা এটা প্রথম নয়। আবার খুব বেশিও নয়। নিকোলাস মাদুরোর আগে সবচেয়ে আলোচিত ঘটনাগুলোর অন্যতম হলো পানামার সেনাপ্রধান ও সামরিক শাসক জেনারেল ম্যানুয়েল আন্তোনিও নরিয়েগা এবং হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজকে গ্রেপ্তার। তারা দুজনই একসময় যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ছিলেন। নরিয়েগা বহু বছর সিআইয়ের বেতনভুক্ত ছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র জানত তিনি মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত। তবুও তাকে প্রশ্রয় দিয়ে আসছিল। কিন্তু আশির দশকে তিনি আর যুক্তরাষ্ট্রের জন্য যথাযথভাবে কাজ করতে পারছিলেন না। তাই তখন তাকে ‘খলনায়ক’ বানানো হয়।

নরিয়েগার মুখে গুটিবসন্তের দাগ ছিল। এজন্য তিনি ‘পাইনঅ্যাপল ফেস’ নামে পরিচিত ছিলেন। তার জীবনকাহিনি অতিনাটকীয়তায় পূর্ণ। জেনারেল ওমর তোরিহোসের একজন ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সৈনিক তিনি। ১৯৬৮ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ওমর তোরিহোস ক্ষমতা দখল করেন। তার শাসনামলে নরিয়েগা পানামার কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা জি-২-এর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ গোয়েন্দা সংস্থা তোরিহোস সরকারের সমালোচকদের ওপর নজরদারি, হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের জন্য কুখ্যাত ছিল। সরকারের বিরোধিতা করলেই অনেক মানুষ নির্যাতনের শিকার হতেন এবং ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হতো।

এ সময় নরিয়েগা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইয়ের সঙ্গে গোপনে কাজ করতে শুরু করেন। ১৯৮১ সালে ওমর তোরিহোস একটি বিমান দুর্ঘটনায় নিহত হন। তার মৃত্যুর পর পানামার ক্ষমতার কেন্দ্রে বড় ধরনের টানাপোড়েন শুরু হয়। প্রায় দুই বছর ধরে চলা ক্ষমতার লড়াই শেষে নরিয়েগা ধীরে ধীরে সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদে উঠে আসেন এবং পানামার সামরিক বাহিনীর প্রধান হন। এর মাধ্যমে তিনি কার্যত দেশের প্রকৃত শাসকে পরিণত হন, যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি প্রেসিডেন্ট ছিলেন না।

ক্ষমতায় এসে নরিয়েগা প্রেসিডেন্ট নির্বাচন নিজের ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ করতেন। তিনি ভোট জালিয়াতির মাধ্যমে নিজের অনুগত লোকদের প্রেসিডেন্ট বা গুরুত্বপূর্ণ পদে বসাতেন, ফলে দেশটি মূলত পুতুল সরকারের মাধ্যমে পরিচালিত হতো। তার শাসনকাল ছিল ব্যাপক দুর্নীতি, সহিংসতা ও দমন-পীড়নে ভরা। বিরোধীদের ওপর নির্যাতন ছিল নিয়মিত ঘটনা। ওই সময় নরিয়েগা আরও ভয়ংকর ভূমিকা পালন করতে শুরু করেন। তিনি একজন দ্বৈত গুপ্তচরে পরিণত হন। একদিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে কাজ করছিলেন, অন্যদিকে গোপনে আমেরিকার গোয়েন্দা তথ্য কিউবা ও পূর্ব ইউরোপের বিভিন্ন কমিউনিস্ট সরকারের কাছে বিক্রি করতেন। এতে করে তিনি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত বিতর্কিত এক চরিত্রে পরিণত হন।

১৯৮৭ সালে পানামার জনগণ নরিয়েগার বিরুদ্ধে সংগঠিতভাবে বিক্ষোভ শুরু করে এবং তার পদত্যাগের দাবি তোলে। এ গণআন্দোলন দমনে নরিয়েগা জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন। তিনি রেডিও স্টেশন ও সংবাদপত্র বন্ধ করে দেন, গণমাধ্যমের কণ্ঠ রোধ করেন এবং তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেন। এর মাধ্যমে তিনি আরও কঠোর ও দমনমূলক শাসন প্রতিষ্ঠা করেন, যা শেষ পর্যন্ত পানামাকে গভীর রাজনৈতিক সংকটের দিকে ঠেলে দেয়।

ওই বছর যুক্তরাষ্ট্র পানামার প্রতি সব ধরনের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করে দেয় এবং জেনারেল ম্যানুয়েল নরিয়েগাকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতে চাপ দিতে শুরু করে। তবে নরিয়েগা সেই চাপ উপেক্ষা করেন। ১৯৮৮ সালে যুক্তরাষ্ট্র আরও কঠোর অবস্থান নেয় এবং নরিয়েগার মাদক পাচার কার্যক্রম বন্ধ করতে সামরিক শক্তি ব্যবহারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে শুরু করে। এ সময় নরিয়েগার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে মাদক পাচারসংক্রান্ত অভিযোগ আনে। ১৯৮৯ সালের মে মাসে পানামায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত একজন প্রার্থী অংশ নেন এবং প্রাথমিক ফলাফলে তিনি এগিয়ে ছিলেন। কিন্তু নরিয়েগা সেই নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করেন এবং ফলাফল অস্বীকার করেন। এর ফলে দেশজুড়ে রাজনৈতিক অস্থিরতা আরও তীব্র হয়ে ওঠে। একই বছরের ডিসেম্বরে নরিয়েগা চরম পদক্ষেপ নেন এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন যে, পানামা এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যুদ্ধাবস্থায় রয়েছে। এ ঘোষণার কিছুদিন পরই পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেয়। পানামার সেনাবাহিনীর হাতে একজন মার্কিন মেরিন নিহত হন। এ ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রের জন্য চূড়ান্ত উসকানি হিসেবে কাজ করে। এর পরপরই তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ সামরিক অভিযান অনুমোদন দেন, যার নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন জাস্ট কজ’।

১৯৮৯ সালের ২০ ডিসেম্বর এ অভিযানের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র পানামায় পূর্ণমাত্রার সামরিক আক্রমণ চালায়। প্রায় ১৩ হাজার মার্কিন সেনা পানামা সিটিতে প্রবেশ করে এবং এর সঙ্গে সেখানে আগে থেকেই অবস্থানরত প্রায় ১২ হাজার সেনা যুক্ত হয়। মূল লক্ষ্য ছিল পানামা সিটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়া এবং নরিয়েগাকে গ্রেপ্তার করা। এ সামরিক অভিযানে উভয়পক্ষেই ব্যাপক প্রাণহানি ঘটে। লড়াই চলাকালে ২৩ মার্কিন সেনা নিহত এবং ৩০০ জনের বেশি আহত হয়। অন্যদিকে পানামার ৪৫০ সেনা নিহত হয়। বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতির হিসাব আরও ভয়াবহ ছিল। বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, এ অভিযানে কয়েকশ থেকে শুরু করে কয়েক হাজার পর্যন্ত সাধারণ নাগরিক প্রাণ হারায়। এ ছাড়া আরও হাজার হাজার মানুষ আহত এবং বহু মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে উদ্বাস্তুতে পরিণত হয়।

১৯৯০ সালের ৩ জানুয়ারি নরিয়েগা যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। এর আগে তিনি টানা ১০ দিন পানামা সিটির ভ্যাটিকান দূতাবাসে আশ্রয় নিয়ে আত্মগোপনে ছিলেন। কিন্তু দূতাবাসের বাইরে মার্কিন ট্যাংক মোতায়েন করে তার অবস্থান অসহনীয় করে তোলা হয়। ট্যাংকগুলোর বিশাল স্পিকারে একটানা উচ্চৈঃস্বরে গান বাজিয়ে তাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়। সেই সংগীতের তালিকায় ছিল জন বন জোভির Wanted Dead or Alive এবং লি গ্রিনউডের God Bless the USA-এর মতো গান। এ ঘটনাগুলো দেখায় যে, যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনে যে কোনো সময় তাদেরই একসময়ের মিত্রকে শত্রুতে পরিণত করতে পারে এবং সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে তারা আন্তর্জাতিক আইন, মানবাধিকার কিংবা নিরীহ মানুষের জীবনের কোনো তোয়াক্কাই করে না।

আত্মসমর্পণের পর নরিয়েগাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয় এবং মাদক পাচারসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের মুখোমুখি করার জন্য তাকে প্রস্তুত করা হয়। পরদিনই তাকে বিমানে করে যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে নিয়ে যাওয়া হয়। নরিয়েগার গ্রেপ্তারের খবরে পানামা সিটির রাস্তায় বহু মানুষ নেমে আসে এবং তারা উল্লাস প্রকাশ করে। দীর্ঘদিনের স্বৈরশাসনের অবসান ঘটায় অনেক নাগরিক এটিকে একটি মুক্তির মুহূর্ত হিসেবে দেখেছিল।

পরবর্তীকালে, ১৯৯২ সালের ১০ জুলাই, যুক্তরাষ্ট্রের একটি আদালতে নরিয়েগার বিচার শেষ হয়। আদালত তাকে মাদক পাচার, অর্থ পাচার (মানি লন্ডারিং) এবং সংঘটিত অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করেন। রায়ের পর তাকে ৪০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এই সাজা যুক্তরাষ্ট্র ও লাতিন আমেরিকার সম্পর্কের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ নজির হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এটি ছিল এমন বিরল ঘটনা, যেখানে একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধানকে যুক্তরাষ্ট্রে এনে বিচারের আওতায় আনা হয়েছিল। দীর্ঘ রাজনৈতিক ও আইনি নাটকীয়তার পর শেষ পর্যন্ত তাকে পানামাতেই ফেরত পাঠানো হয়। ২০১৭ সালের ২৯ মে পানামা সিটিতে তার মৃত্যু হয়। তার জীবন ও শাসনকাল লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ, স্বৈরতন্ত্র এবং মাদক রাজনীতির একটি বিতর্কিত ও রক্তাক্ত অধ্যায় হিসেবে স্মরণীয় হয়ে আছে।

হুয়ান অরল্যান্ডো হার্নান্দেজ ২০১৪ সালে হন্ডুরাসের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল আর তিনি নিজেকে ওয়াশিংটনের নির্ভরযোগ্য মিত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন। প্রেসিডেন্ট থাকাকালে এবং তারও আগে হার্নান্দেজ গোপনে মাদক পাচারকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন। তিনি কোকেন পাচারকারীদের নিরাপত্তা দিতেন, রাষ্ট্রযন্ত্র ব্যবহার করে তাদের রক্ষা করতেন এবং বিনিময়ে বিপুল অর্থ নিতেন। এসব অর্থ রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখতে ব্যবহার করতেন। ২০২২ সালে ক্ষমতা ছাড়ার পর সেই গোপন গল্প প্রকাশ্যে আসে। ২০২২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার প্রত্যর্পণের আবেদন জানালে হন্ডুরাসের রাজধানী তেগুসিগালপায় তার বাসভবন ঘিরে ফেলে জাতীয় পুলিশ ও মার্কিন ডিইএ (DEA) এজেন্টরা। পরদিন ১৫ ফেব্রুয়ারি, হার্নান্দেজ যুক্তরাষ্ট্রের কাছে আত্মসমর্পণে সম্মত হন। এরপর ২১ এপ্রিল তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রত্যর্পণ করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে তার বিরুদ্ধে মাদক পাচার ও অস্ত্র ষড়যন্ত্রের একাধিক অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ৮ মার্চ তাকে তিনটি গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। ওই বছরের ২৬ জুন আদালত তাকে ৪৫ বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন। একসময় যিনি নিজেকে মাদকবিরোধী কঠোর নেতা হিসেবে তুলে ধরেছিলেন, শেষ পর্যন্ত তাকেই যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে মাদক সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে দণ্ডিত হতে হয়।

তবে এ ঘটনাপ্রবাহের এখানেই শেষ হয়নি। ২০২৫ সালের ১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে তাকে ক্ষমা করেন। এর ফলে তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান। এ ক্ষমা আন্তর্জাতিকভাবে তীব্র বিতর্কের জন্ম দেয় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থা ও পররাষ্ট্রনীতিতে দ্বিচারিতার অভিযোগ নতুন করে সামনে আসে। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, যেখানে সাধারণ মানুষের জন্য আইন কঠোর, সেখানে একজন সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান কীভাবে রাজনৈতিক বিবেচনায় ক্ষমা পেয়ে যান?

এ ঘটনা ঘিরে আবারও পুরোনো বিতর্ক মাথাচাড়া দেয়। যুক্তরাষ্ট্র কি সত্যিই ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে, নাকি তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে ন্যায়বিচার নির্বাচিত ও স্বার্থনির্ভর? লাতিন আমেরিকার ইতিহাসে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ, গোপন অভিযান ও ক্ষমতার খেলায় বহু দেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নরিয়েগা, হার্নান্দেজ এবং মাদুরোর গল্প যেন সেই দীর্ঘ ইতিহাসের একটি ক্ষুদ্র অধ্যায়।

লেখক: সাংবাদিক ও গবেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় চোখে আলো ফিরেছে ৮৪ জনের

বাজেটে মোবাইল, বিদ্যুৎ ও প্রযুক্তিপণ্যে বড় সুখবর

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, মির্জা ফখরুল ইসলামও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিশ্বকাপ উন্মাদনায় দেশের পতাকা থাকুক সবার উপরে

গাজায় সহিংসতার দায়ে ইসরায়েলি অর্থমন্ত্রীর ওপর ফ্রান্সের নিষেধাজ্ঞা

ঢাকায় নিখোঁজ জবি শিক্ষার্থীর বাবা, সন্ধান চায় ছেলে

নতুন রিসাইক্লিং উদ্যোগ / ৯০ শতাংশর বেশি প্লাস্টিক বর্জ্য কমিয়েছে সিঙ্গার বাংলাদেশ

সরকারি বাঙলা কলেজে অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলা

বাংলার নদী, বাংলার জীবন : ইতিহাস থেকে বর্তমান অবস্থা

ইসলামী ব্যাংক ইসলাম নয়, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম নয় : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

১০

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ফার্মেসি বিভাগে ‘হিট’ প্রকল্পের আওতায় ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত

১১

ল্যাবএইডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সেমিনার অনুষ্ঠিত

১২

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন

১৩

কক্সবাজারে ১৯ রোহিঙ্গা আটক

১৪

হিজবুল্লাহর রকেট হামলায় পিছু হটল ইসরায়েলি বাহিনী

১৫

ব্রাজিলের পতাকা টানাতে গিয়ে কিশোরের মৃত্যু

১৬

কাপ্তাই হ্রদে ডুবে চবি শিক্ষার্থীর মৃত্যু 

১৭

বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সমর্থন চাইল নরওয়ে, তুলে ধরল একাধিক কারণ

১৮

ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরের উপদেষ্টা মঞ্জুশ্রী রায় চৌধুরীর পরলোকগমন

১৯

রামিসা হত্যা : দ্রুতই শুনানি করতে চান রাষ্ট্রপক্ষ

২০
X