ইলিয়াস হোসেন
প্রকাশ : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ১১:৫১ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
যে কথা কেও শুনে না

সুপ্ত বিএনপিতে গুপ্ত জামায়াত

ইলিয়াস হোসেন
সুপ্ত বিএনপিতে গুপ্ত জামায়াত

বিএনপি-জামায়াতের সম্পর্ক অনেক পুরোনো। মুক্তিযুদ্ধ প্রশ্নে তাদের বিপরীত মেরুতে অবস্থান। আবার ভারতীয় আগ্রাসন ও আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে একাট্টা তারা। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে রাজপথে ছিল তাদের সহাবস্থান। অতীতে একই সঙ্গে সরকার (২০০১-০৬) গঠন করেছে দল দুটি। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন বিএনপির (১৯৯১-৯৬) বিরুদ্ধে জামায়াত আন্দোলন করেছে আওয়ামী লীগকে সঙ্গে নিয়ে। ঐতিহাসিক প্রয়োজনে পক্ষ-বিপক্ষ, সমঝোতা-প্রতিযোগিতা নানা ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে বিএনপি-জামায়াত। দল দুটির কেন্দ্রীয় নেতারা নিজেদের মাঝে সবসময় এক ধরনের সৌহার্দ্য-সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন। তবে, তাদের ছাত্র সংগঠন দুটির মাঝে বছরের পর বছর ঘটেছে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ। ছাত্রদলের অনেক মেধাবী মুখ জীবন দিয়েছে শিবিরের গুপ্ত ঘাতকের হাতে। ছাত্রলীগ ও বাম ছাত্র সংগঠনগুলোকে সঙ্গে নিয়ে শিবিরকে ক্যাম্পাস ছাড়া করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। এরকম বিপরীতমুখী আদর্শ ও অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ফ্যাসিস্টের বিরুদ্ধে তারা যুগপৎ আন্দোলন করেছে টানা দেড় দশক। একসঙ্গে আন্দোলন-সংগ্রাম-নির্যাতন-কারাভোগ করতে করতে একে অন্যের আপনজনও হয়ে গেছেন কেউ কেউ। রাজনৈতিক সহযোগী পরিচয় ছাপিয়ে সম্পর্ক গড়িয়েছে আত্মীয়তা এবং বাণিজ্যিক কারবারে। তবে, এ সম্পর্ক নিরবচ্ছিন্ন নয়। রাজনৈতিক অভিঘাতে প্রায়ই সন্দেহ-অবিশ্বাসের দোলাচলে পড়ে বিএনপি-জামায়াত সম্পর্ক। আদর্শ-বিশ্বাসে ফারাক থাকার পরও ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে দল দুটির নাম একসঙ্গে উচ্চারণ করতেন। রাজনীতিতে বিএনপি-জামায়াতকে প্রায় গালির পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছিল শেখ হাসিনার সরকার ও আওয়ামী লীগ। এত কিছুর পরও দল দুটি আলাদা পরিচয় বহন করে জনগণের কাছে। স্বাধীনতাবিরোধী পরিচিতি থাকলেও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে জামায়াত সোচ্চার। স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব-গণতন্ত্র রক্ষা ও উদার, আধুনিক, মানবিক রাষ্ট্র গঠনে বিএনপি অঙ্গীকারবদ্ধ। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী বাস্তবতায় মুখোমুখি অবস্থান নিয়েছে বিএনপি-জামায়াত। এ যেন বাংলাদেশের রাজনীতিতে অনিবার্য দ্বৈরথ।

গত শনিবার রাজধানীর চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এক মতবিনিময় সভায় যোগ দেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেখানে তিনি বলেন, ‘কৌশলের নামে বিএনপির কর্মীরা গুপ্ত কিংবা সুপ্তবেশ কখনো ধারণ করেননি। কেউ কেউ বিভিন্ন রকম কথা বলে একটি অবস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে। বিভিন্ন অসিলা দিয়ে, বিতর্ক তৈরি করে গণতন্ত্রের পথকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে।’ তারা যাতে সফল হতে না পারে সে ব্যাপারে দলের নেতাকর্মীদের সজাগ থাকার আহ্বান জানান। জামায়াতকে ইঙ্গিত করে এ মন্তব্য করেন তিনি। এর আগেও একাধিক বক্তব্যে জামায়াতের স্বাধীনতাবিরোধী কর্মকাণ্ড তুলে ধরেছেন। ধর্মাশ্রয়ী জামায়াতের রাজনীতির সমালোচনা করেছেন। তারেক রহমান ছাড়াও দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা সম্প্রতি জামায়াতের সমালোচনা করে বক্তব্য দিয়ে থাকেন। স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্টবিরোধী আন্দোলনে থেকেও, এরশাদ ও হাসিনার সঙ্গে বিভিন্ন সময় গোপন আঁতাত করেছে জামায়াত। বিএনপি নেতারা এজন্য দলটিকে মোনাফেক বলে অভিযুক্ত করে। সস্তা চালাকির জন্য জামায়াত কখনো অভীষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছতে পারেনি বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। আবু আলা মওদুদীর ব্যাখ্যা অনুযায়ী, ইসলামের নির্দিষ্ট একটি ধারাকে ভিত্তি ধরে রাজনীতি করে জামায়াত। যে কারণে অন্য ইসলামী দলগুলোর সঙ্গেও মতবিরোধ রয়েছে তাদের। মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী বলতেন, ‘নীল নদের পানি যেমন নীল না। তেমনি, জামায়াতে ইসলামীও ইসলাম না।’

জুলাই অভ্যুত্থানের আগে দীর্ঘদিন জামায়াত এবং ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগে মিশে গিয়েছিল। দলীয় নির্দেশে তারা গুপ্ত রাজনীতিতে জড়িত হয়। জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগানে মুখে ফেনা তুললেও দিনশেষে তারা জামায়াত-শিবির নেতৃত্বের কাছে রিপোর্ট করত। আওয়ামী লীগের মতো বিপরীত আদর্শের দলে থেকে তাদের ঝানু রাজনীতিবিদদের বোকা বানিয়েছে দিনের পর দিন। অভিনয়ে পটু জামায়াত-শিবির একে রাজনৈতিক কৌশল বলে কৃতিত্ব দাবি করে এখন। জুলাই অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে তারা এ সত্য প্রকাশ করে দেয়। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, এটা অনৈতিক ও অপকৌশল। এর মাধ্যমে সাময়িক সাফল্যের চমক দেখানো যেতে পারে। তবে, দীর্ঘমেয়াদি অর্জনে নীতিহীন ভূমিকা গ্রহণযোগ্য নয়। এই গুপ্ত রাজনীতি জামায়াত-শিবির ধার করেছে বাম নেতাদের কাছ থেকে। রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের মুখোমুখি হয়ে বাংলাদেশের অনেক বামপন্থি নেতাকর্মী বিভিন্ন সময় গুপ্ত রাজনীতি করেছে। নিজ দল নিয়ে আন্ডারগ্রাউন্ডের পাশাপাশি অন্য দলের সঙ্গে মিশে গিয়ে রাজনীতি করেছে তারা। দেশের বাম রাজনীতি নিয়ে এরকম নানা গল্পগাছা প্রচলিত আছে। কোনো কোনো ঘটনা অ্যাডভেঞ্চার ও কিংবদন্তির মর্যাদা পেয়েছে। তবে, ক্ষমতা এবং মর্যাদার রাজনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি কোনো প্রভাব ফেলতে পারেনি। জামায়াতের বর্তমান সভাপতি ও সেক্রেটারি জেনারেল একসময় বাম এবং গুপ্ত রাজনীতি করতেন। সতীর্থদের নিয়ে তারাই এই আইডিয়া হয়তো প্রয়োগ করেছেন। এতে রীতিমতো অ্যাডভেঞ্চার উপভোগ করেছেন তারা। এরই ধারাবাহিকতায় চব্বিশের পাঁচ আগস্টের পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন দপ্তরে নিজেদের লোক বসাতে তৎপর হয়ে ওঠে জামায়াত। প্রশাসন-আদালত-ব্যাংক-বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন বাহিনীতে গুরুত্বপূর্ণ পদে বসে তাদের অনুসারীরা। আর ওই সময় অন্তর্বর্তী সরকার গঠনে ব্যস্ত থাকে বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এদিকে, দলীয় নির্দেশ অমান্য করে বিএনপির কিছু নেতাকর্মী ব্যক্তিগত লাভে দখল ও চাঁদাবাজিতে মন দেয়। মুহূর্তে তা মিডিয়ার নজর কাড়ে। প্রতিদ্বন্দ্বীরা তিলকে তাল বানিয়ে প্রচার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিএনপিকে চাঁদাবাজের দল হিসেবে প্রচারের বিপরীতে নিজেরা জান্নাতের টিকিট বিক্রি শুরু করে জামায়াত। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে মহান এবং সদ্য প্রয়াত খালেদা জিয়াকে সার্বজনীন বলে সম্মান দেখায় জামায়াত। কিন্তু তারেক রহমানকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানারকম বিদ্রূপ ও কটাক্ষ করে তারা। এ দ্বৈতনীতি মূলত প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রতি জামায়াতের অবস্থান।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, বিএনপিতে থাকা গুপ্ত জামায়াত কর্মীদের কি চিহ্নিত করা হবে? কী পদ্ধতিতে তাদের বাদ দেওয়া যাবে? উদারতার নামে এ ব্যাপারে অনেক বিএনপি নেতা ঘুমন্ত অবস্থায় আছেন। যদিও দলের হাইকমান্ড এ নিয়ে সতর্ক ও শঙ্কিত। আওয়ামী লীগের মতো দেশি-বিদেশি গোয়েন্দানির্ভর দলই ঠেকাতে পারেনি জামায়াত-শিবিরের অনুপ্রবেশ! সেখানে দীর্ঘদিনের মিত্র জামায়াতকে কীভাবে ঠেকাবে বিএনপি? এরই মধ্যে কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যায়ে নানা কমিটিতে জায়গা করে নিয়েছে তারা। বিশেষ করে বিএনপিপন্থি পেশাজীবীদের সংগঠনের নেতৃত্বের সিংহভাগ জামায়াত অথবা তাদের মাসোহারাভোগীদের হাতে। জাতীয় রাজনীতিতে প্রতিপক্ষ স্পষ্ট হলেও পেশাজীবীরা এখনো মিলেমিশে ক্ষমতা উপভোগ করছে। এমনকি, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ, বৈঠক করছে। এই দেখাদেখি পর্বে জামায়াত বা ফ্যাসিস্টের দোসররাও বাদ যাচ্ছে না। এসব বৈঠক আয়োজনকারীদের উদ্দেশ্য নিয়েও নানা গল্পগাছা পল্লবিত হচ্ছে।

বিএনপিতে লুকিয়ে থাকা জামায়াতিরা সাধারণত তিন প্রকারের হয়ে থাকে। এক. দলীয় পদে থাকা ব্যক্তিরা প্রকাশ্যে কিছু বলেন না, লেখেন না। পরিবেশ বুঝে জামায়াতের কঠোর সমালোচনাও করে থাকেন। তারা দিনশেষে দলের অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলো জামায়াতের কাছে রিপোর্ট করেন। এ ব্যাপারে বিএনপির অনেক রাজনৈতিক কর্মচারী সোর্স হিসেবে মাসোহারা পান বলে কানাঘুষা আছে। দুই. পদে না থাকা জামায়াত সমর্থকরা নিজেদের নির্দলীয় বলে পরিচয় দিতে ভালোবাসে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারা বিএনপিকে সতর্ক ও কটাক্ষ করে পরামর্শ দেয়। প্রাসঙ্গিক ইস্যু পেলেই কোনো কোনো বিএনপি নেতাকে আওয়ামী লীগ ও ভারতীয় দালাল বলে গালমন্দ করে। বিএনপির শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে ভূমিকা রাখছে অথচ দলটির সমর্থকরা তাদের ভুল বোঝে বলে সবসময় আড্ডায় আফসোস করে। তারা বেশিরভাগ সময় বিএনপির নেতাকর্মী বা সমর্থকদের সঙ্গেই চলাফেরা করে। তিন. এ ধরনের ব্যক্তিরা নিজেদের জুলাই যোদ্ধা এবং অভ্যুত্থান-পরবর্তীকালে জন্ম নেওয়া বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সংগঠনগুলো জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতায় চলে বলে প্রচারণা আছে। তবে, তারা তা স্বীকার করে না। তাদের বেশিরভাগই উগ্র অনলাইন অ্যাকটিভিস্ট। ছদ্মনাম এবং ছবি ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক অ্যাকাউন্ট চালায়। তারা প্রভাবশালী অশ্লীল ইউটিউবারদের অনুসারী। এরপরও বিএনপি দরদি বলে অনেক নেতার কাছে সমাদৃত এসব গুপ্ত শিবিরকর্মীরা।

ঐতিহাসিক প্রয়োজনে ফ্রান্স ও মার্কিন প্রবাসী ইউটিউবারদের সঙ্গে বিএনপি অনলাইন অ্যাকটিভিস্টদের সম্পর্ক হয়েছিল। সময়ের প্রয়োজনেই সেই অসম সম্পর্ক টেকেনি। কিন্তু বিএনপির অনেক নেতাকর্মীর সঙ্গেই তাদের এখনো সংযোগ রয়েছে। যার মাধ্যমে দলটির কোনো কোনো নেতা ভ্রাতৃঘাতী তথ্য পাচার করেন। কাঠের চশমা পরা বিএনপির অনেক নীতিনির্ধারক এসব অভিযোগে গুরুত্ব দেন না। তারেক রহমানের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হলে নেতাদের ব্যক্তিগত সংযোগ বাদ দিয়ে সমন্বিত সাংগঠনিক উদ্যোগ নিতে হবে। না হলে পরী যাবে উড়ে, কল্পনা থাকবে পড়ে।

লেখক: হেড অব নিউজ, আরটিভি

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা

শাবিপ্রবিতে ভর্তি শুরু ৩ ফেব্রুয়ারি

সরিষা ফুলের হলুদ মোহ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

একীভূত হচ্ছে সরকারের ৬ প্রতিষ্ঠান

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম খা আলমগীরসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইইউবি’র মামলা

বিশ্বকাপে না থাকা বাংলাদেশের প্রতি যে বার্তা দিল স্কটল্যান্ড

দেশে মাদক সেবনকারী ৮২ লাখ, প্রায় ৬১ লাখই গাঁজাখোর

চমক রেখে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা ওয়েস্ট ইন্ডিজের

একটি দল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : দুলু

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাশেদ গ্রেপ্তার

১০

ছবি তোলায় আদালত চত্বরে সাংবাদিকের ওপর হামলা বিআরটিএ’র কর্মকর্তার

১১

৫ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ বৈঠক

১২

আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে : জামায়াত

১৩

ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

১৪

ভোটের দিন ফজর নামাজ পড়ে কেন্দ্রে যাবেন, ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন : কায়কোবাদ

১৫

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে জাতি দায়মুক্ত হতে পারে না’

১৬

সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

১৭

বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি জোরালো হচ্ছে

১৮

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

১৯

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত হবে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই : জামায়াত আমির

২০
X