কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২২ জানুয়ারি ২০২৬, ০৮:০৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

অনিশ্চিত স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেন

খায়রুল আনোয়ার
অনিশ্চিত স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে ট্রেন

নির্বাচন দরজায় কড়া নাড়ছে। তারপরও নির্বাচন নিয়ে জনমনে বিরাজমান সংশয় পুরোপুরি দূর হচ্ছে না। এখনো অনেকের প্রশ্ন, নির্বাচন হবে তো? যদিও প্রধান উপদেষ্টা আগামী ‘১২ ফেব্রুয়ারিতেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে, নির্ধারিত সময়ের এক দিন আগেও নয়, এক দিন পরেও নয়’ মর্মে ঘোষণা দিয়েছেন। তবু কেন নির্বাচন নিয়ে সন্দেহ-সংশয়, এ প্রশ্ন উঠতেই পারে। প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস অবশ্য বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে ভুয়া খবর এবং পরিকল্পিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক সিনিয়র কূটনীতিক প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার নির্ধারিত সময়েই নির্বাচন আয়োজন এবং ফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। কে কী বলল, তা বিবেচ্য নয়।

প্রধান উপদেষ্টা এর আগে একাধিকবার ইতিহাসের ‘সেরা নির্বাচন’ আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন। ‘সেরা নির্বাচন’ করতে হলে ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের নির্বাচনকে অতিক্রম করে যেতে হবে। বাংলাদেশে এ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত নির্বাচনগুলোর মধ্যে ওই তিনটি ভালো ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হিসেবে স্বীকৃত। ওই তিনটির আগে নির্বাচন হওয়া নিয়ে কোনো সন্দেহ-সংশয় ছিল না। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত ১৯৯১ থেকে ২০০১ সালে নির্বাচনের আগে যে নির্বাচনী পরিবেশ বিরাজ করেছিল, সেই পরিবেশ কি এবার আছে? এখন পর্যন্ত যে পরিস্থিতি বিরাজ করছে, তাতে এ কথা বলাই যায় যে, ‘সেরা নির্বাচন’ দূরের বিষয়, একটি ভালো নির্বাচন করতে পারাই কঠিন হয়ে পড়েছে। নির্বাচনের তপশিল ঘোষণার পরদিন ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী ও ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির দিনে-দুপুরে আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধ হওয়া এবং পরবর্তীকালে তার মৃত্যু একটি ধাক্কা হয়ে দেখা দেয়। তপশিল ঘোষণার পর একজন গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য প্রার্থীর গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হওয়ার ঘটনা নজিরবিহীন। এ ঘটনার পর নিরাপত্তার শঙ্কা বিবেচনা করে অনেক প্রার্থীকে গানম্যান দেওয়া হয়েছে। এরপরও কি সব প্রার্থী নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ঝুঁকিমুক্ত? আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, লুণ্ঠিত অস্ত্রের একটি বড় অংশ এখনো উদ্ধার না হওয়া এবং পুলিশের দুর্বল মনোবল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে। লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত চেয়ে সম্প্রতি হাইকোর্টে একটি রিট করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. মাহমুদুল হাসানের রিট আবেদনে বলা হয়েছে, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের সময় বিভিন্ন থানা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যালয় থেকে ৫ হাজার ৭৫০টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ৬ লাখ ৫১ হাজার ৬০৯ রাউন্ড গোলাবারুদ লুট হয়ে যায়। সরকার এসব অস্ত্র উদ্ধারে পুরস্কার ঘোষণা করলেও এর উল্লেখযোগ্য অংশ এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। এ রিট আবেদনের বিষয়টি বাদ দিলেও গণমাধ্যমের খবর হচ্ছে, নির্বাচন সামনে রেখে সীমান্ত দিয়ে অস্ত্র ঢুকেছে। অবৈধ অস্ত্রের কারবারিরা এবং আন্ডারওয়ার্ল্ড এখন বেশ সক্রিয়। প্রধান প্রধান দলের নির্বাচনী প্রচার অভিযান ও গণসংযোগ পুরোপুরিভাবে শুরু হলে এসব অস্ত্রের ঝনঝনানি শোনা নিয়েও রয়েছে উদ্বেগ।

নির্বাচন কমিশন কেন্দ্র করে এক ধরনের উত্তাপ বিরাজ করছে। এক সময়ের জোটসঙ্গী বিএনপি ও জামায়াত এবারের নির্বাচনে পরস্পরের প্রতিদ্বন্দ্বী। উভয় দল একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে প্রায় প্রতিদিন নির্বাচন কমিশনে ছুটছে। আজ বিএনপি যাচ্ছে তো কাল যাচ্ছে জামায়াত। দল দুটির অভিযোগের তীর নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দিকে। বিএনপির প্রতি কমিশনের পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ এনে নির্বাচনে না যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে এনসিপি। বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তার নামে সরকার বাড়াবাড়ি করছে, এমন অভিযোগ তুলেছে জামায়াত। তবে দলটি প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করে তাদের আমিরের জন্য তারেক রহমানের সমান নিরাপত্তা ও সুবিধা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ভোটের অনেক আগেই পোস্টাল ব্যালট নিয়ে দেখা দিয়েছে বিতর্ক। একটি দৈনিকের প্রধান শিরোনামের খবরে বলা হয়েছে, অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে একটি বাসায় কয়েক ব্যক্তির কাছে অনেক ব্যালট পেপার দেখা গেছে। ভিডিওতে দেখা যায়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের অনেক পোস্টাল ব্যালট কয়েকজন মিলে গুনছেন। পোস্টাল ব্যালটের খামে ঠিকানা লেখা রয়েছে বাহরাইনের (সমকাল, ১৪ জানুয়ারি)। পোস্টাল ব্যালট নিয়ে প্রধান দুই দল নির্বাচন কমিশনে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করেছে। পোস্টাল ব্যালটে অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে ইসিকে ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিএনপি। দলটি এ নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে বৈঠক করেছে। ১৫ জানুয়ারি ইসির সঙ্গে বৈঠকের পর বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, প্রবাসীদের জন্য পাঠানো পোস্টাল ব্যালট সঠিকভাবে বিবেচনা করা হয়নি। এখানে ভুলভ্রান্তি হচ্ছে। বিএনপির ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। যেসব অনিয়মের অভিযোগ আসছে, তাতে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের পক্ষে কিছু কিছু কাজ হয়েছে বলে তাদের ধারণা এবং সেটি প্রকাশিত হয়েছে। এটি যে আসলে ধারণা নয়, সেটাও প্রমাণিত হয়েছে। এর আগের দিন বিএনপির আরেকটি প্রতিনিধিদল ইসির সঙ্গে বৈঠক করে। ওই বৈঠকে অভিযোগ করা হয়েছে, নির্বাচনে বিশেষ কিছু দলকে সুবিধা দেওয়ার জন্য দাঁড়িপাল্লা, হাতপাখা ও শাপলা কলি প্রতীকগুলোকে পোস্টাল ব্যালটের প্রথম লাইনে রাখা হয়েছে। আর বিএনপির প্রতীক ভাঁজের নিচে স্থান দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে বিএনপির এক সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, বিষয়টি স্পষ্টই খুব উদ্দেশ্যমূলক। পোস্টাল ব্যালটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল নির্বাচন কমিশন ঘেরাও কর্মসূচি পালন করে। প্রবাসে পোস্টাল ব্যালট বিতরণে অনিয়মে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে জামায়াতে ইসলামী। নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সম্প্রতি বৈঠক করে জামায়াত নেতা এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ পাল্টা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের মাঠে সমতা রক্ষা করা হচ্ছে না। যারা আচরণবিধি লঙ্ঘন করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না।

শুধু পোস্টাল ব্যালট নয়, নির্বাচনে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের নিয়েও রীতিমতো বাহাস চলছে। আপিল শুনানিতে মনোনয়নপত্র বাতিল অথবা ফিরে পাওয়া নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র বাদানুবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে। প্রার্থী ও তাদের আইনজীবীদের মধ্যে হট্টগোল ও উত্তেজনা থামাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হস্তক্ষেপ পর্যন্ত করতে হয়েছে। ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেওয়া হবে না—এমন হুঁশিয়ারি দিয়েছেন এনসিপির মুখপাত্র ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। গত ১৭ জানুয়ারি এক সংবাদ সম্মেলনে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা সত্ত্বেও অনেকে নির্বাচন কমিশনে গিয়ে গুন্ডামি করেছেন, ২০০-৩০০ জন লোক নিয়ে যাচ্ছেন। কয়েকশ আইনজীবী নিয়ে যাচ্ছেন কমিশনের ওপর চাপ প্রয়োগ করার জন্য। আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে তাদের বৈধতাদানের প্রবণতা নির্বাচন কমিশনের মধ্যেও দেখা যাচ্ছে। আসিফ মাহমুদ এ প্রসঙ্গে ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকরা নির্বাচন করার যোগ্যতা পেলে, তার বিরুদ্ধে রাজপথে নামার ঘোষণা দেন। শুধু নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানিতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তা নয়, নির্বাচনের মাঠে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। একটি দৈনিকে প্রকাশিত খবরে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনকেন্দ্রিক একের পর এক ঘটনায় উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায়। বিএনপি ও জামায়াত সেখানে মুখোমুখি অবস্থানে। মনোনয়নপত্র দাখিলের পর এ পর্যন্ত সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চারবার সংঘর্ষ হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকার একেকটি ঘটনার জেরে উপজেলা সদরে দুপক্ষের মারমুখী মিছিলে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে জামায়াতের প্রকাশ্যে লাঠি মিছিল আতঙ্ক ছড়াচ্ছে গোটা উপজেলায়, খবরে এমনটি উল্লেখ করা হয়েছে। ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র একজন প্রার্থীকে দুই দফায় লাঞ্ছিত করা হয়েছে। অভিযোগ বিএনপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। ওই প্রার্থীকে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর জন্য হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

নির্বাচন এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে মাঠের পরিস্থিতি কী দাঁড়ায়, তা নিয়ে জনমনে এক ধরনের শঙ্কা বিরাজ করছে। দলীয় ও স্বতন্ত্র, সব প্রার্থী ও ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করা সম্ভব হবে না। জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল ও এনডিএফ জোটের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিলের দাবি জানিয়ে ইসিতে স্মারকলিপি দিয়েছে জুলাই ঐক্য নামের একটি সংগঠন। নির্বাচন যত এগোচ্ছে, নারীর প্রতি সাইবার সহিংসতা তত বাড়ছে। রাজধানীর বাইরে প্রভাবশালী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকরা নারী প্রার্থীদের ভোটের মাঠ থেকে হটিয়ে দিতে চাইছেন। নারীর প্রতি সাইবার সন্ত্রাস আগামীতে আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ কোনো তৎপরতা চালায় কি না, তাও দেখার বিষয়।

সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ব্যাপক প্রচার শুরু করেছে। বিভিন্ন উপদেষ্টা তাদের বক্তৃতায় গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে ইমামদের উদ্দেশে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচার চালানো কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন। গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে সরকার নিজে এভাবে ক্যাম্পেইন চালাতে পারে কি না, তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিয়েছে। বিতর্ক হচ্ছে, ব্যাংকগুলোকে এ বিষয়ে প্রচার চালানোর নির্দেশনা দেওয়া নিয়েও।

গত বছর ১১ এপ্রিল কালবেলায় এই কলাম লেখকের ‘হাওয়া কোন দিকে...’ শিরোনাম একটি লেখা প্রকাশিত হয়েছিল। আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে প্রশ্ন জাগে, হাওয়া কোন দিকে? ফ্যাসিবাদী আমলের তিনটি কলঙ্কিত ও একতরফা নির্বাচনের পর দেশে অন্তত একটি অবাধ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোট দেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকা ভোটাররা কি নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে সে ভোট দিতে পারবেন? অনিশ্চিত স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছে নির্বাচনী ট্রেন। আগামী দিনের ঘটনা প্রবাহ বলে দেবে, এই ট্রেন সঠিক গন্তব্যের দিকে অগ্রসর হতে পারবে কি না।

লেখক: সাংবাদিক ও রাজনীতি বিশ্লেষক

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা

শাবিপ্রবিতে ভর্তি শুরু ৩ ফেব্রুয়ারি

সরিষা ফুলের হলুদ মোহ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

একীভূত হচ্ছে সরকারের ৬ প্রতিষ্ঠান

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম খা আলমগীরসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইইউবি’র মামলা

বিশ্বকাপে না থাকা বাংলাদেশের প্রতি যে বার্তা দিল স্কটল্যান্ড

দেশে মাদক সেবনকারী ৮২ লাখ, প্রায় ৬১ লাখই গাঁজাখোর

চমক রেখে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা ওয়েস্ট ইন্ডিজের

একটি দল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : দুলু

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাশেদ গ্রেপ্তার

১০

ছবি তোলায় আদালত চত্বরে সাংবাদিকের ওপর হামলা বিআরটিএ’র কর্মকর্তার

১১

৫ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ বৈঠক

১২

আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে : জামায়াত

১৩

ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

১৪

ভোটের দিন ফজর নামাজ পড়ে কেন্দ্রে যাবেন, ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন : কায়কোবাদ

১৫

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে জাতি দায়মুক্ত হতে পারে না’

১৬

সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

১৭

বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি জোরালো হচ্ছে

১৮

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

১৯

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত হবে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই : জামায়াত আমির

২০
X