কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৯:২৭ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রিনল্যান্ড ও গাজা: দ্বৈতনীতির দুই মুখ

আহমাদ জুমা
গ্রিনল্যান্ড ও গাজা: দ্বৈতনীতির দুই মুখ

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি যত বাড়ছে, ততই ডেনমার্ক চরম উদ্বেগ ও আতঙ্কের মধ্যে পড়ছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে ডেনিশ সরকার গ্রিনল্যান্ডে অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করেছে, যাতে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা যায় এবং যে কোনো সম্ভাব্য চাপ বা হুমকির মোকাবিলা করা যায়। একই সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি মিত্র দেশও প্রতীকীভাবে সেখানে ছোট ছোট সামরিক দল পাঠিয়েছে। এ পদক্ষেপ মূলত ডেনমার্কের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমর্থনের বার্তা দেওয়ার জন্য।

এ প্রেক্ষাপটে সার্বভৌমত্ব, আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের মতো বিষয়গুলো হঠাৎ করেই অত্যন্ত জরুরি ও আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। ডেনমার্কের রাজনীতিবিদরা এখন জোর দিয়ে সীমান্তের অখণ্ডতা এবং আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের গুরুত্বের কথা বলছেন। তারা সতর্ক করে দিচ্ছেন যে, বড় শক্তিধর দেশগুলোর আগ্রাসী রাজনীতি শুধু একটি অঞ্চলের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের স্থিতিশীলতার জন্যই বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এ পরিস্থিতি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তির রাজনীতি কতটা বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। সবচেয়ে চোখে পড়ার মতো বিষয়টি এই যে, ডেনমার্ক শুধু আতঙ্কিত নয়, অবাক হয়ে গেছে।

গ্রিনল্যান্ড কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটা নতুন কিছু নয়, বরাবরই এমন ছিল। এর ভৌগোলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং সামরিক গুরুত্ব বিদ্যমান প্রতিযোগিতামূলক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় একটি আকাঙ্ক্ষিত ভূখণ্ডে পরিণত করেছে। গ্রিনল্যান্ডের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনা নয়, কিংবা হঠাৎ কোনো রাজনৈতিক বক্তব্যও নয়। বরং এটি একটি সাম্রাজ্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গির স্বাভাবিক প্রকাশ। যে দৃষ্টিভঙ্গি আন্তর্জাতিক নিয়মকানুনের আনুষ্ঠানিকতার চেয়ে ক্ষমতা, প্রবেশাধিকার ও নিয়ন্ত্রণকে বেশি গুরুত্ব দেয়।

গ্রিনল্যান্ডের বিষয়টি ডেনমার্কের জন্য অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে শুধু হুমকির কারণেই নয়। বরং এ ঘটনা ডেনমার্কের সামনে একটি আয়না ধরেছে, যেখানে নিজের দীর্ঘদিনের অবস্থান ও ভূমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠছে। দশকের পর দশক ধরে ডেনমার্ক এই একই সাম্রাজ্যবাদী বিশ্বদৃষ্টিভঙ্গিকে বিশ্বের অন্য প্রান্তে এগিয়ে নিতে একটি নির্ভরযোগ্য অংশীদার ছিল। তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিল। শুধু কূটনৈতিকভাবে নয়, সামরিকভাবেও। নিরাপত্তা, মূল্যবোধ ও জোটের প্রতি আনুগত্যের নামে ডেনমার্ক এমন সব যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, যেগুলো পুরো অঞ্চলকে নতুন করে গড়েছে, বহু দেশকে অস্থির করে তুলেছে। কিন্তু এখন সেই একই সাম্রাজ্যবাদী যুক্তি যখন ডেনমার্কের নিজস্ব ভূখণ্ডের ওপর প্রয়োগ করা হচ্ছে, তখন ভূরাজনীতির বিমূর্ত ধারণাগুলো হঠাৎ করেই বাস্তব ও স্পর্শযোগ্য হয়ে উঠছে।

এখানেই ডেনমার্কের জন্য গভীর এক বিদ্রূপ অপেক্ষা করছে। যার মুখোমুখি হওয়া এখন অবশ্যম্ভাবী। গ্রিনল্যান্ড নিয়ে ডেনমার্কের উদ্বেগ দাঁড়িয়ে আছে এমন কিছু যুক্তির ওপর, যেগুলো ডেনমার্ক খুব ভালো করেই চেনে। যেমন—সার্বভৌমত্ব গুরুত্বপূর্ণ, ভূখণ্ড কোনো পণ্যের মতো কেনাবেচার বিষয় নয় আর আন্তর্জাতিক আইন ইচ্ছেমতো বেছে বেছে প্রয়োগ করা যায় না। অথচ এ নীতিগুলো ডেনমার্কের বিবেচনায় স্পষ্টভাবে অনুপস্থিত ছিল, যখন তারা ইরাক আক্রমণে যোগ দিয়েছিল। সেই যুদ্ধের কোনো বৈধ আন্তর্জাতিক অনুমোদন ছিল না আর যে যুক্তিগুলো দিয়ে তা ন্যায্যতা দেওয়া হয়েছিল, সেগুলো খুব দ্রুতই ভেঙে পড়ে ও মিথ্যা প্রমাণিত হয়। আজ গ্রিনল্যান্ডের প্রশ্ন ডেনমার্ককে শুধু নিরাপত্তা নিয়ে নয়, নিজেদের রাজনৈতিক নৈতিকতা ও অতীত অবস্থানের দিকেও নতুন করে তাকাতে বাধ্য করছে।

এ যুক্তিগুলো আফগানিস্তানেও ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে গিয়েছিল। প্রায় দুই দশক ধরে চলা যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কোনো স্থিতিশীলতা বয়ে আনেনি। বরং ক্লান্তি, ধ্বংস আর শেষ পর্যন্ত আবারও পুরোনো অবস্থায় ফিরে যাওয়াই ছিল সেই যুদ্ধের ফল। নিরাপত্তা, গণতন্ত্র, রাষ্ট্রগঠন ইত্যাদি যে লক্ষ্য নিয়ে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, তার কোনোটিই বাস্তবায়িত হয়নি।

লিবিয়ায় এ নীতিগুলো প্রায় সম্পূর্ণভাবেই অদৃশ্য হয়ে যায়। সেখানে ডেনমার্কের যুদ্ধবিমান সরাসরি ভূমিকা রাখে দেশটির নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে উৎখাত করার কাজে। কিন্তু তার পরিণতি ছিল ভয়াবহ। একটি রাষ্ট্র কার্যত ভেঙে পড়ে। মিলিশিয়াদের দখলে চলে যায় ক্ষমতা, ছড়িয়ে পড়ে বিশৃঙ্খলা, বেড়ে যায় মানব পাচার ও সহিংসতা। লিবিয়া আর কখনোই আগের মতো একটি কার্যকর রাষ্ট্রে ফিরে আসতে পারেনি।

সিরিয়ায়ও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উভয়ভাবেই ডেনমার্কের সম্পৃক্ততা ছিল একটি বৃহত্তর পশ্চিমা হস্তক্ষেপের অংশ। সেখানে জনগণের একটি স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন ধীরে ধীরে রূপ নেয় দীর্ঘস্থায়ী এক প্রক্সি যুদ্ধে। এর ফল হয় ভয়াবহ। লাখ লাখ বেসামরিক মানুষের মৃত্যু, উদ্বাস্তু সংকট এবং গোটা অঞ্চলের স্থিতিশীলতা ধ্বংস হয়ে যায়। এ প্রতিটি হস্তক্ষেপই ‘অপরিহার্য’ বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছিল। উপস্থাপন করা হয়েছিল নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই বলা হয়েছিল ‘নিয়মভিত্তিক আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার’ অংশ। কিন্তু বাস্তবে এসব পদক্ষেপ সেই একই নীতিমালাকেই ক্ষয় করে দিয়েছে, যেগুলোর কথা ডেনমার্ক এখন গ্রিনল্যান্ডের প্রসঙ্গে তুলে ধরছে।

ফিলিস্তিন এ দ্বন্দ্বকে আর উপেক্ষা করার সুযোগ দেয় না। ইসরায়েল ডেনমার্কের ঘনিষ্ঠ মিত্র। অথচ গাজা যখন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে, তখন ডেনমার্কের রাজনৈতিক নেতৃত্ব ছিল বিস্ময়করভাবে সংযত ও নীরব। আন্তর্জাতিক আইনের বিশেষজ্ঞরা, মানবাধিকার সংস্থাগুলো এবং জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা যখন গণহত্যার আশঙ্কার কথা বলছে, তখন ডেনমার্কের অবস্থান ছিল অত্যন্ত সতর্ক। অনেক সময় তা নীরবতার কাছাকাছি মনে হয়েছে।

একই সময়ে ডেনমার্কের শিল্প খাতও যুদ্ধের যন্ত্রের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। একটি ডেনিশ প্রতিরক্ষা কোম্পানি এখনো এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের খুচরা যন্ত্রাংশ সরবরাহ করছে, যে বিমানগুলো গাজায় বোমাবর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এমনকি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু যদি ডেনমার্কে প্রবেশ করেন, তাহলে আন্তর্জাতিক গ্রেপ্তার-সংক্রান্ত বাধ্যবাধকতা কার্যকর হবে কি না, এ প্রশ্নে ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেদেরিকসেনও স্পষ্ট কোনো উত্তর দেননি। এতে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে ওঠে যে, আইন এখানে শর্তসাপেক্ষ। নীতিমালা নমনীয়। ডেনমার্ক দীর্ঘদিন ধরেই এমন এক বিশ্বব্যবস্থাকে স্বাভাবিক করে তুলতে সাহায্য করেছে, যেখানে ক্ষমতাই ঠিক করে দেয় কখন আইন প্রযোজ্য হবে।

বহু বছর ধরে সাম্রাজ্যবাদী যুদ্ধ আর সহিংসতা ছিল ইউরোপের কাছে দূরের ঘটনা। এসব ঘটত অন্য দেশগুলোতে, অন্য মানুষের জীবনে, অন্য অঞ্চলে। সেই যুদ্ধগুলোর খারাপ ফলও মূলত বাইরের দেশগুলোই ভোগ করেছে। অনেক দেশ অস্থির হয়ে গেছে, লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়েছে, উগ্রপন্থা বেড়েছে আর আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোও ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ইউরোপ এসবের কিছু প্রভাব পেলেও, তাদের নিজেদের সিদ্ধান্তের কারণেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, এ কথা সহজে স্বীকার করতে চায়নি। ডেনমার্কও এ ব্যাপারে আলাদা ছিল না। গ্রিনল্যান্ড সেই দূরত্ব ভেঙে দেয়। আর গাজা উন্মোচন করে সেই নৈতিক কাঠামো, যার ওপর এ বিশ্বব্যবস্থা দাঁড়িয়ে আছে। ডেনমার্ক এখন যা অনুভব করছে, তা অবিচার নয়। এটি উন্মোচন, নিজেদের ভূমিকা, অবস্থান ও দীর্ঘদিনের নীরবতার মুখোমুখি হওয়া।

যে যুক্তিগুলো একসময় মধ্যপ্রাচ্যে হস্তক্ষেপকে বৈধতা দিতে ব্যবহার করা হয়েছিল, সেগুলোই এখন ঘরের কাছাকাছি নতুন করে প্রয়োগ করা হচ্ছে। কৌশলগত প্রয়োজন, নিরাপত্তার অজুহাত, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা ইত্যাদি ধারণাগুলো নতুন নয়। শুধু এবার এগুলো এমন একদিকে এগোচ্ছে, যেটা ডেনমার্ক কখনো আশা করেনি।

এই মুহূর্তটি নৈতিকতার সীমাবদ্ধতাকে স্পষ্ট করে তুলে ধরছে। আন্তর্জাতিক আইনকে শুধু তখনই রক্ষা করা যায় না, যখন তা সুবিধাজনক মনে হয়। সার্বভৌমত্ব আর্কটিকে পবিত্র আর বিশ্বের অন্য প্রান্তে অপ্রয়োজনীয়, এমন দ্বৈত মানদণ্ড টেকসই নয়। ছোট রাষ্ট্রগুলোও এমন নীতির ওপর ভর করে নিরাপত্তা আশা করতে পারে না, যেসব নীতি দুর্বল করতে তারা নিজেরাই অতীতে ভূমিকা রেখেছে। বৈশ্বিক ক্ষমতার ভারসাম্য যখন বদলে যায়, তখন সেই নীতিগুলো আর রক্ষাকবচ হয়ে দাঁড়ায় না।

ইউরোপের জন্য এর তাৎপর্য আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী। সাম্রাজ্যবাদী শক্তির সঙ্গে সারিবদ্ধ হওয়া মানেই তার হাত থেকে সুরক্ষা পাওয়া—এ ধারণা ভুল প্রমাণিত হচ্ছে। আনুগত্য কখনোই স্বায়ত্তশাসনের নিশ্চয়তা দেয় না। যে মহাদেশ অন্যত্র আইনের ক্ষয়কে মেনে নেয় বা উপেক্ষা করে, তাকে একসময় নিজের ঘরেই আইনের অনুপস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ভেঙে পড়লে তার ঢেউ শুধু দূর দেশে নয়, ইউরোপের রাজনৈতিক ও নৈতিক পরিসরেও আছড়ে পড়ে।

গ্রিনল্যান্ড শুধু একটি ভূখণ্ডগত প্রশ্ন নয়। এটি একটি হিসাব-নিকাশ, একটি আত্মসমালোচনার মুহূর্ত। এটি ডেনমার্ক ও ইউরোপকে তাদের অতীত সিদ্ধান্ত, জোট রাজনীতি এবং নৈতিক অবস্থানের দিকে নতুন করে তাকাতে বাধ্য করছে। দীর্ঘদিন ধরে যে বাস্তবতা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, গ্রিনল্যান্ড সেই বাস্তবতাকেই সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। এখানেই বিদ্রূপের পূর্ণতা। যে নীতিগুলো একসময় অন্যদের ক্ষেত্রে উপেক্ষা করা হয়েছে, সেগুলোই এখন নিজের ক্ষেত্রে রক্ষার দাবি তুলছে। প্রশ্ন হলো, ডেনমার্ক ও ইউরোপ কি অবশেষে এ অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেবে? নাকি আবারও নীরবতা, দ্বৈত মানদণ্ড এবং সুবিধাজনক ব্যাখ্যার পথেই হাঁটবে?

লেখক: মানবিককর্মী, দার্শনিক এবং মানবতার প্রশ্নে সক্রিয় চিন্তক হিসেবে পরিচিত। আলজাজিরায় প্রকাশিত নিবন্ধটি ভাষান্তর করেছেন আবিদ আজাদ

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সুপার সিক্সে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যারা

শাবিপ্রবিতে ভর্তি শুরু ৩ ফেব্রুয়ারি

সরিষা ফুলের হলুদ মোহ দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

একীভূত হচ্ছে সরকারের ৬ প্রতিষ্ঠান

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম খা আলমগীরসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ইইউবি’র মামলা

বিশ্বকাপে না থাকা বাংলাদেশের প্রতি যে বার্তা দিল স্কটল্যান্ড

দেশে মাদক সেবনকারী ৮২ লাখ, প্রায় ৬১ লাখই গাঁজাখোর

চমক রেখে বিশ্বকাপের জন্য দল ঘোষণা ওয়েস্ট ইন্ডিজের

একটি দল নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে : দুলু

ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি রাশেদ গ্রেপ্তার

১০

ছবি তোলায় আদালত চত্বরে সাংবাদিকের ওপর হামলা বিআরটিএ’র কর্মকর্তার

১১

৫ শীর্ষ ব্যবসায়ীর সঙ্গে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ বৈঠক

১২

আগামীতে নারীদের প্রার্থী দেওয়ার পরিকল্পনা আছে : জামায়াত

১৩

ডেমোক্র্যাটের মুসলিম নারী সদস্যের সম্পদ নিয়ে তদন্তের ঘোষণা ট্রাম্পের

১৪

ভোটের দিন ফজর নামাজ পড়ে কেন্দ্রে যাবেন, ফলাফল নিয়ে ঘরে ফিরবেন : কায়কোবাদ

১৫

‘ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা না হলে জাতি দায়মুক্ত হতে পারে না’

১৬

সন্ত্রাসী হামলায় ১০ সাংবাদিক আহত

১৭

বিশ্বকাপ বয়কটের দাবি জোরালো হচ্ছে

১৮

সাফে ব্যর্থতার নেপথ্যে কি ইনতিশার!

১৯

নারীদের মর্যাদা নিশ্চিত হবে এমন বাংলাদেশ গড়তে চাই : জামায়াত আমির

২০
X