এস আই শরীফ
প্রকাশ : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০০ এএম
আপডেট : ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১১:০৮ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ
সাদামাটা কথা

‘নকল’ সারাবেন মন্ত্রী, ‘শিক্ষা’ সারাবেন কে

এস আই শরীফ
এস আই শরীফ

শিক্ষাঙ্গনে শুদ্ধি অভিযান, এমন আলোচনা উঠলেই প্রথমেই আসে আ ন ম এহছানুল হক মিলনের নাম। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনকালে তিনি পাবলিক পরীক্ষায় নকলের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছিলেন এবং মোটাদাগে সফলও হয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ সময়ে নেতৃত্বের আসনে ফিরেছেন; এবার পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্বে। সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষামন্ত্রীর বিভিন্ন বক্তব্য ও উদ্যোগে নকল প্রতিরোধের বিষয়টি ফের গুরুত্ব পাচ্ছে। নিঃসন্দেহে নকল অনৈতিক ও ক্ষতিকর প্রবণতা; যা শিক্ষার গুণগত মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে ‘শর্টকাট’ নির্ভর মানসিকতা তৈরি করে। তবে সিলেবাস পরিবর্তন, সৃজনশীল প্রশ্নপদ্ধতি এবং পরীক্ষার হলে নজরদারি বৃদ্ধির ফলে নকলের সুযোগ আগের তুলনায় কমেছে, এটিও বাস্তবতা। প্রচলিত নকল এখন নেই বললেই চলে; তবে বেড়েছে ডিজিটাল নকলের প্রবণতা। তাই শ্রেণিকক্ষ ও পরীক্ষাকেন্দ্রে পর্যায়ক্রমে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে বলেও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। শিক্ষার পরিবেশ উন্নত করতে এসব উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। একটি বিষয় শিক্ষামন্ত্রী সামনে এনেছেন, তা হলো প্রশ্নফাঁস। অতীতে আমরা পাবলিক পরীক্ষায় অহরহ প্রশ্নফাঁসের ঘটনা দেখেছি। মন্ত্রী এ বিষয়েও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন।

সবচেয়ে বড় কথা, বিশ বছর পর শিক্ষামন্ত্রী মন্ত্রণালয়ে ফিরেছেন। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায়ও এরই মধ্যে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। তাই বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। এখন শুধু নকল আর প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধ নয়; বরং শিক্ষা কাঠামো নিয়ে গভীর সংকট, কারিকুলাম বিতর্ক এবং ডিজিটাল প্রজন্ম ‘জেনারেশন আলফা’র উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলাই শিক্ষামন্ত্রীর বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষা ব্যবস্থার মূল সংকট কি শুধু নকল, নাকি এর বাইরে আরও গভীর ও কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে। যদি আমরা সততার সঙ্গে উত্তর খুঁজি, তবে দেখতে পাব নকল ও প্রশ্নফাঁস শুধু উপসর্গ; প্রকৃত রোগটি আরও গভীরে। এই প্রেক্ষাপটে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে প্রত্যাশা—তিনি যেন নকল ইস্যুকে অযথা অতিরঞ্জিত না করে, বরং এটিকে একটি নিয়ন্ত্রিত পর্যায়ে রেখে শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের দিকে মনোযোগ দেন। কারণ, দুর্বল ও অপ্রাসঙ্গিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নকল বন্ধ করলেও শিক্ষার প্রকৃত উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। তবে শিক্ষামন্ত্রী এরই মধ্যে আশার বাণীও শুনিয়েছেন। বলেছেন, তারা বসে নেই; এরই মধ্যে হোমওয়ার্ক সম্পন্ন এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। সঙ্গে এও বলেছেন, সরকার শিক্ষা ব্যবস্থায় মৌলিক সংস্কার করতে চায়। এজন্য সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও বাস্তবমুখী শিক্ষা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নকল নিয়ে অতিরিক্ত বক্তব্য, সভা-সেমিনারে বারবার একই প্রসঙ্গ তোলা বা এটিকে প্রধান এজেন্ডা বানানো সময়োপযোগী নয়। বরং এটি নীতিনির্ধারণের লক্ষ্যকে সংকুচিত করতে পারে। শিক্ষামন্ত্রীর উচিত হবে নকল প্রতিরোধের চলমান ব্যবস্থাকে কার্যকরভাবে বজায় রেখে এটিকে প্রশাসনিক পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখা এবং নীতিগত আলোচনায় এর চেয়ে বড় প্রসঙ্গগুলো সামনে আনা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় কয়েকটি মৌলিক সমস্যা দীর্ঘদিন ধরেই বিরাজ করছে—

এক. মুখস্থনির্ভর শিক্ষা: আমাদের শিক্ষার্থীরা এখনো বিশ্লেষণধর্মী চিন্তা বা সৃজনশীলতার চেয়ে মুখস্থবিদ্যায় বেশি নির্ভরশীল। পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে সৃজনশীলতা বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও বাস্তবে অনেক ক্ষেত্রেই তা কার্যকর হয়নি। ফলে উচ্চশিক্ষা বা কর্মক্ষেত্রে গিয়ে তারা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় পিছিয়ে পড়ছে।

দুই. পরীক্ষাকেন্দ্রিক লেখাপড়া ও ফলনির্ভর মানসিকতা: শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত জ্ঞানার্জন ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ। কিন্তু দেশের শিক্ষা অনেকাংশেই পরীক্ষার ফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে গেছে। জিপিএ বা গ্রেডই যেন শিক্ষার্থীর একমাত্র পরিচয়। এতে শিক্ষার মান নয়, বরং ফলই হয়ে উঠছে প্রধান সূচক।

তিন. দক্ষতার ঘাটতি ও কর্মবাজারের অমিল: বিশ্বব্যাপী কর্মক্ষেত্রে দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা সেই গতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে পারছে না। ফলে একদিকে শিক্ষিত বেকার বাড়ছে; অন্যদিকে শিল্পখাতে দক্ষ জনশক্তির অভাব থেকেই যাচ্ছে। এই বৈপরীত্য আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার বড় ব্যর্থতা নির্দেশ করে।

চার. শিক্ষকের প্রস্তুতি ও প্রশিক্ষণের সীমাবদ্ধতা: শিক্ষকরা পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত উন্নয়নের সুযোগ পাচ্ছেন না। নতুন কারিকুলাম, প্রযুক্তি বা শিখন পদ্ধতির সঙ্গে তাদের পরিচয় সীমিত। ফলে তারা তাল মিলাতে পারছেন না।

পাঁচ. প্রযুক্তিগত বৈষম্য: ডিজিটাল শিক্ষা নিয়ে অনেক পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে শহর ও গ্রামের মধ্যে বড় ধরনের বৈষম্য রয়েছে। অনেক স্কুলে এখনো পর্যাপ্ত ইন্টারনেট ও ডিভাইস নেই। ফলে প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার সুফল সবার কাছে পৌঁছাচ্ছে না।

ছয়. মানসিক স্বাস্থ্য ও শিক্ষার চাপ: শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত পড়াশোনার চাপ, প্রতিযোগিতা ও পারিবারিক প্রত্যাশা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। অথচ এ বিষয়টি এখনো নীতিনির্ধারণে যথাযথ গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।

শিক্ষা ব্যবস্থার সংকটগুলো কাটিয়ে উঠতে হলে সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। প্রথমত, কারিকুলামকে বাস্তবমুখী ও সময়োপযোগী করতে হবে। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান নয়, বরং সমস্যা সমাধান, প্রকল্পভিত্তিক শিক্ষা, দলগত কাজ এবং সৃজনশীল কর্মকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। শিক্ষার্থীদের শেখার প্রক্রিয়াকে আনন্দময় ও অর্থবহ করে তুলতে হবে। দ্বিতীয়ত, যোগাযোগ দক্ষতা, ডিজিটাল দক্ষতা, সমালোচনামূলক চিন্তা, নেতৃত্বগুণ—এসব দক্ষতা এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্কুল পর্যায় থেকেই এসব দক্ষতা গড়ে তুলতে পাঠ্যক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে। তৃতীয়ত, শিক্ষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ, আন্তর্জাতিক মানের শিখন পদ্ধতির সঙ্গে পরিচিতি এবং প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ করে তোলায় দিতে হবে জোর। পাশাপাশি তাদের জন্য আর্থিক ও পেশাগত প্রণোদনা বাড়াতে হবে; যাতে মেধাবীরা শিক্ষকতা পেশায় আগ্রহী হন। চতুর্থত, ডিজিটাল ক্লাসরুম, অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম এবং ওপেন এডুকেশনাল রিসোর্সের ব্যবহার বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে গ্রামীণ অঞ্চলে প্রযুক্তির সহজলভ্যতাও করতে হবে নিশ্চিত। পঞ্চমত, লিখিত পরীক্ষার ওপর নির্ভরতা কমিয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন, প্রেজেন্টেশন, প্রজেক্ট ও ব্যবহারিক কাজের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর দক্ষতা যাচাই করা প্রয়োজন। এতে শিক্ষার্থীরা মুখস্থনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারবে। ষষ্ঠত, সব শিক্ষার্থী একাডেমিক ধারায় এগোবে—এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসার বিকল্প নেই। কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে জনপ্রিয় ও সম্মানজনক করে তুলতে হবে। সপ্তমত, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণার কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলায় দিতে হবে জোর। শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও স্টার্টআপ উদ্যোগকে সহায়তা করতে হবে। অষ্টমত, প্রতিষ্ঠান, শিক্ষক ও প্রশাসনের মধ্যে জবাবদিহি নিশ্চিত করাও প্রয়োজন। এতে শিক্ষার মান উন্নত হবে এবং দুর্নীতি কমবে। নবমত, প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কাউন্সেলিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে; যাতে শিক্ষার্থীরা মানসিক চাপ মোকাবিলা করতে পারে।

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় সবচেয়ে বড় প্রয়োজন দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন। ‘সমস্যানির্ভর’ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে ‘সম্ভাবনানির্ভর’ দৃষ্টিভঙ্গিতে রূপান্তর করতে হবে। অর্থাৎ, শুধু সমস্যার সমাধান নয়, বরং ভবিষ্যতের চাহিদা অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থাকে প্রস্তুত করা দরকার। দেশ দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে। এ অগ্রযাত্রা টেকসই করতে হলে একটি শক্তিশালী, আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা অপরিহার্য। নকলমুক্ত পরীক্ষা নিশ্চিত করা অবশ্যই প্রয়োজন, কিন্তু সেটিই শিক্ষা সংস্কারের একমাত্র লক্ষ্য হতে পারে না।

সময়ের দাবি স্পষ্ট—নকলের গণ্ডি পেরিয়ে এখন প্রয়োজন একটি দূরদর্শী, সমন্বিত এবং আধুনিক শিক্ষা সংস্কার। শিক্ষামন্ত্রীর নেতৃত্বে সেই পরিবর্তনের সূচনা হোক, যেখানে শিক্ষা হবে শুধু পরীক্ষার জন্য নয়, বরং জীবনের জন্য। এ পরিবর্তন যত দ্রুত শুরু হবে, ততই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে এগিয়ে যেতে পারবে।

একটা কৌতুক (পুরোটাই কাল্পনিক; না মেলানোর অনুরোধ) দিয়ে লেখাটা শেষ করছি। এক মন্ত্রী মৃত্যুর পর পরজগতে গেলেন। তিনি যখন স্বর্গে ঢুকবেন, তখন স্বর্গের দেবতা তাকে বলল, ‘স্বর্গে কিছু সংস্কার চলছে; তুমি দুদিন শুধু নরকে ঘুরে আসো, এরপর এসো!’ মন্ত্রী রাজি হলেন। নরকে শয়তান তাকে সাদর আমন্ত্রণ জানাল। এরপর সে তাকে নরকে ঘুরে দেখাতে লাগল। মন্ত্রী অবাক হয়ে দেখতে লাগলেন, নরক অনেক সুন্দর। খুবই আরামের ব্যবস্থা, থাকার জন্য সুন্দর প্রাসাদ। খেলাধুলার জন্য মাঠ, সুইমিংপুলসহ আরও অনেক কিছু। অনেক মজার পানীয়, সুস্বাদু খাবার-দাবারের পাশাপাশি রয়েছে অসংখ্য সুন্দরী অপ্সরা। মানুষ সেখানে অনেক আরামে আছে। দুদিন পর দেবতার কাছে মন্ত্রী বললেন, তিনি নরকেই থাকতে চান। দেবতা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি সত্যি ওখানে থাকতে চাও?’ মন্ত্রী বললেন, ‘হ্যাঁ’। মন্ত্রীর কথা শুনে দেবতা রাজি হলো। কিন্তু এরপর মন্ত্রী নরকে গিয়ে দেখল, পুরোটায় অন্যরকম। কোনো সুন্দর জায়গা নেই। শুধু আগুন আর কয়লা। মানুষজনকে শুলে চড়ানো হচ্ছে। দৈত্যরা মানুষজনকে শাস্তি দিচ্ছে। অসংখ্য সাপ আর হিংস্র প্রাণী ঘুরে বেড়াচ্ছে; খুবই কুৎসিত আর জঘন্য জায়গা। মন্ত্রী অবাক হয়ে শয়তানকে জিজ্ঞেস করল, ‘নরকের এই হাল কেন? আগে আমি কি দেখলাম! আর এখন এই অবস্থা!’ শয়তান হেসে বলল, ‘আরে, ওইটা তো ছিল একটা ক্যাম্পেইন। তোমরা যেমন নির্বাচনের আগে মানুষকে স্বর্গের স্বপ্ন দেখিয়ে পরে নরক উপহার দিতে; আমিও তাই করেছি। তোমার তো এটা বোঝার কথা ছিল!’

লেখক: বার্তা সম্পাদক, দৈনিক কালবেলা

মেইল: [email protected]

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

বাড়ি ফেরার পথে রাজমিস্ত্রিকে কুপিয়ে হত্যা

ওলিসের হ্যাটট্রিকে উড়ন্ত ফ্রান্স, জয়ে শেষ হলো বিশ্বকাপ প্রস্তুতি

ইতিহাসের এই দিনে

আজকের নামাজের সময়সূচি

ইরানে হামলা চালালে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন হারাবে ইসরায়েল : ট্রাম্প

যশোরে আ.লীগ-যুবলীগের তিন নেতা গ্রেপ্তার

গোপালগঞ্জে আওয়ামীলীগ নেতার পদত্যাগ

নিখোঁজের ৪ দিন পর প্রবাসীর হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার

ক্যানসার শনাক্তে দেশে প্রথম রোবটিক প্রোস্টেট বায়োপসি হলো স্কয়ারে

আমার কথা বলে তাহেরী হুজুর আলোচনায় থাকতে চান : সামান্তা

১০

অভিষেক ম্যাচেই ৪৭ বছরের রেকর্ড ভাঙলেন ভারতীয় ক্রিকেটার 

১১

হার্ট ভালো রাখতে প্রতিদিন খাবেন যে পাঁচ খাবার

১২

৩৪ তলায় ফ্ল্যাট কেনার পর জানতে পারলেন ভবনটিই ৩২ তলা

১৩

চাকরিনির্ভরতা থেকে উদ্যোক্তা: আত্মকর্মসংস্থানে আনসারের ‘সঞ্জীবন’ প্রকল্প

১৪

পদত্যাগী মন্ত্রীর বাসায় খিচুড়ি, প্রতিমন্ত্রীর সভা শেষে বিরিয়ানি দিয়ে আপ্যায়ন

১৫

বাজেটে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নতুনভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : মির্জা ফখরুল 

১৬

মৌচাকে থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল খুন

১৭

মহানগর যুবদল নেতা বহিষ্কার

১৮

নুরজাহান বেগমের মৃত্যু : সমাজের এক নির্মম আয়না

১৯

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিএনপি নেতা সোহেল রানাকে স্থায়ী বহিষ্কার 

২০
X