বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ১ শ্রাবণ ১৪৩৩
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৫, ০২:৫৩ এএম
আপডেট : ০২ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫৪ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

৬০ লাখে জমি কিনে ৫০ লাখ আত্মসাৎ

স্বরূপকাঠি পৌরসভা
৬০ লাখে জমি কিনে ৫০ লাখ আত্মসাৎ

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জমি ক্রয়ে ৫০ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে। জলাবাড়ী ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পাড় সংলগ্ন নদীভাঙন কবলিত এলাকায় ২ একর ৫৩ শতাংশের একটি জমি সরকারি বাজার মূল্যে পৌরসভার উন্নয়ন তহবিল থেকে ক্রয় করা হয়েছে ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকায়। পৌরসভার জন্য সরকারি মূল্যে ওই জমি কিনলেও জমির দাতা রোজিনা বেগমকে দলিলে লেখা প্রকৃত মূল্য না বলে তাকে দিয়েছেন মাত্র ১০ লাখ টাকা।

অভিযোগ রয়েছে জমি কেনার সময় স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র গেলাম কবির তার মনোনীত একটি ব্যাংকে ওই নারীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণার মাধ্যমে ওই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের ১৩ মে নেছারাবাদ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সাব-কবলা মূলে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছে। দলিলে গ্রহীতা স্বরূপকাঠি পৌরসভার পক্ষে সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের নাম লেখা হয়েছে। তার নির্দেশে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর রহমান খান দলিলে লেখা জমির মূল্য ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ওই নারীর অ্যাকাউন্টে জমা করেন। পরে ওই নারীর অ্যাকাউন্টের চেক বইতে স্বাক্ষর নিয়ে পুরো টাকা তুলে নেন নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।

জমির দাতা রোজিনা বেগম বলেন, জলাবাড়ীর নদীর পাশের ওই জমির পরিমাণ ৩ একর ১৪ শতাংশ। স্বরূপকাঠি পৌরসভার নামে মোট ১৪ লাখ টাকায় জমিটি বিক্রি করার কথা হয়। ওই জমির ২ একর ৫৩ শতাংশ আমার নিজ নামে রেকর্ডভুক্ত। বাকি ৬০ শতাংশ জমি অন্য দুজন শরিকের। ওই ৬০ শতাংশ জমি বাদে বাকি আমার নামে রেকর্ডভুক্ত ২ একর ৫৩ শতাংশ জমির দলিল দিয়েছি স্বরূপকাঠি পৌরসভার নামে। আমাকে আমার অংশের জমির বাবদ মোট ১০ লাখ টাকা দিয়েছেন মেয়র গোলাম কবির। টাকার লেনদেন হয়েছে পৌরসভায় মেয়রের অফিস কক্ষে বসে।

জমির মধ্যস্থতাকারী মজিবুর রহমান বলেন, জমি কেনাবেচার সময় আমি ছিলাম। টাকা-পয়সা লেনদেনের ব্যাপারে সাবেক মেয়র গোলাম কবির এবং পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান খান করেছেন। লেনদেনের সময় আমাকে সামনে রাখেননি।

পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান খান বলেন, জমি ক্রয়ের সব টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। এর সব কিছু তৎকালীন মেয়র গোলাম কবির এবং জমির মধ্যস্থতাকারী মজিবুর রহমান করেছেন। জমি কেনার অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয় অনেক তথ্য সাবেক মেয়র আমাকে বলেননি। তারা কিছু গোপন করে থাকলে আমার কিছু করার নেই।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র গোলাম কবির বলেন, ওই জমি রোজিনা বেগমের কাছ থেকে সরকারি মূল্য কেনা হয়েছে। বিধান অনুযায়ী বৈধভাবে দলিল হয়েছে। জমিটি ক্রয়ের সময় জমির মধ্যস্থতা মজিবুর রহমান নামে এক লোক করেছেন। তার মাধ্যমে টাকা-পয়সা লেনদেন করা হয়েছে। পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান সম্পূর্ণ বিষয়টি জানেন।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

এই দলকে ভাষায় বর্ণনা করা কঠিন: স্কালোনি

‘ভারতকে খুশি করার জন্য সংবিধান বানিয়েছিল শেখ মুজিব’

৬০ বছরের স্বপ্ন ভঙ্গ, চোখের জলে বিদায় নিল ইংল্যান্ড

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে শিশুদের মতো উল্লাসে মেসি

ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে আবারও ফাইনালে আর্জেন্টিনা

বাড়ির সামনে বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

হাফটাইমের আগে গোলের দেখা পেল না কেউ

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা / সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ডের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

জামায়াতে যোগ দেননি সাদিক কায়েম

এক পরিবর্তন নিয়ে মাঠে নামছে আর্জেন্টিনা

১০

পুকুরে গোসলে নেমে প্রাণ গেল ২ শিশুর

১১

জুলাইয়ের অন্যতম শহীদ ওয়াসিমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১২

বাবার চেয়ে ছেলের বয়স ‘বেশি’

১৩

মিঠামইন উপজেলা বিএনপির সভাপতিকে কুপিয়ে জখম

১৪

যুবককে বাড়ি থেকে তুলে এনে মোবাইল ফেরত দিলেন ওসি

১৫

রাষ্ট্রপতির বাণী / জুলাই গণঅভ্যুত্থান জনগণের ক্ষোভের বিস্ফোরণ 

১৬

মাঝ আকাশেই থেমে গেল রেমিট্যান্স যোদ্ধা ফখরুলের জীবন 

১৭

নিরাপত্তার স্বার্থে ইরানে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির চূড়ান্ত পরীক্ষা বাতিল

১৮

সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচ, দুশ্চিন্তায় মার্কিন প্রশাসন-এফবিআই

১৯

শিশুর পা ভেঙে দেওয়ার চেষ্টা, অভিযোগের তীর আপন চাচির দিকে

২০
X