সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
নেছারাবাদ (পিরোজপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ মার্চ ২০২৫, ০২:৫৩ এএম
আপডেট : ০২ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫৪ এএম
প্রিন্ট সংস্করণ

৬০ লাখে জমি কিনে ৫০ লাখ আত্মসাৎ

স্বরূপকাঠি পৌরসভা
৬০ লাখে জমি কিনে ৫০ লাখ আত্মসাৎ

পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার স্বরূপকাঠি পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি জমি ক্রয়ে ৫০ লাখ টাকার দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের বিরুদ্ধে। জলাবাড়ী ইউনিয়নের সন্ধ্যা নদীর পাড় সংলগ্ন নদীভাঙন কবলিত এলাকায় ২ একর ৫৩ শতাংশের একটি জমি সরকারি বাজার মূল্যে পৌরসভার উন্নয়ন তহবিল থেকে ক্রয় করা হয়েছে ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকায়। পৌরসভার জন্য সরকারি মূল্যে ওই জমি কিনলেও জমির দাতা রোজিনা বেগমকে দলিলে লেখা প্রকৃত মূল্য না বলে তাকে দিয়েছেন মাত্র ১০ লাখ টাকা।

অভিযোগ রয়েছে জমি কেনার সময় স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র গেলাম কবির তার মনোনীত একটি ব্যাংকে ওই নারীর নামে অ্যাকাউন্ট খুলে প্রতারণার মাধ্যমে ওই টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। ২০২৪ সালের ১৩ মে নেছারাবাদ সাবরেজিস্ট্রি অফিসে সাব-কবলা মূলে দলিলটি সম্পাদন করা হয়েছে। দলিলে গ্রহীতা স্বরূপকাঠি পৌরসভার পক্ষে সাবেক মেয়র গোলাম কবিরের নাম লেখা হয়েছে। তার নির্দেশে পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর রহমান খান দলিলে লেখা জমির মূল্য ৫৯ লাখ ৩৮ হাজার টাকা ওই নারীর অ্যাকাউন্টে জমা করেন। পরে ওই নারীর অ্যাকাউন্টের চেক বইতে স্বাক্ষর নিয়ে পুরো টাকা তুলে নেন নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুর রহমান।

জমির দাতা রোজিনা বেগম বলেন, জলাবাড়ীর নদীর পাশের ওই জমির পরিমাণ ৩ একর ১৪ শতাংশ। স্বরূপকাঠি পৌরসভার নামে মোট ১৪ লাখ টাকায় জমিটি বিক্রি করার কথা হয়। ওই জমির ২ একর ৫৩ শতাংশ আমার নিজ নামে রেকর্ডভুক্ত। বাকি ৬০ শতাংশ জমি অন্য দুজন শরিকের। ওই ৬০ শতাংশ জমি বাদে বাকি আমার নামে রেকর্ডভুক্ত ২ একর ৫৩ শতাংশ জমির দলিল দিয়েছি স্বরূপকাঠি পৌরসভার নামে। আমাকে আমার অংশের জমির বাবদ মোট ১০ লাখ টাকা দিয়েছেন মেয়র গোলাম কবির। টাকার লেনদেন হয়েছে পৌরসভায় মেয়রের অফিস কক্ষে বসে।

জমির মধ্যস্থতাকারী মজিবুর রহমান বলেন, জমি কেনাবেচার সময় আমি ছিলাম। টাকা-পয়সা লেনদেনের ব্যাপারে সাবেক মেয়র গোলাম কবির এবং পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান খান করেছেন। লেনদেনের সময় আমাকে সামনে রাখেননি।

পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান খান বলেন, জমি ক্রয়ের সব টাকা চেকের মাধ্যমে পরিশোধ করা হয়েছে। এর সব কিছু তৎকালীন মেয়র গোলাম কবির এবং জমির মধ্যস্থতাকারী মজিবুর রহমান করেছেন। জমি কেনার অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয় অনেক তথ্য সাবেক মেয়র আমাকে বলেননি। তারা কিছু গোপন করে থাকলে আমার কিছু করার নেই।

অভিযোগের বিষয়ে সাবেক মেয়র গোলাম কবির বলেন, ওই জমি রোজিনা বেগমের কাছ থেকে সরকারি মূল্য কেনা হয়েছে। বিধান অনুযায়ী বৈধভাবে দলিল হয়েছে। জমিটি ক্রয়ের সময় জমির মধ্যস্থতা মজিবুর রহমান নামে এক লোক করেছেন। তার মাধ্যমে টাকা-পয়সা লেনদেন করা হয়েছে। পৌরসভার সচিব সাইফুর রহমান সম্পূর্ণ বিষয়টি জানেন।

কালবেলা
কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ফাইনালে মেসিকে ঘিরে বিশ্বজুড়ে উন্মাদনা

শেষ মুহূর্তে ৩ পরিবর্তন, আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশ ঘোষণা

স্পেনের একাদশ ঘোষণা

জুলাই শহীদদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না:  আমান

ফাইনালের আগে যে বার্তা দিয়ে আলোচনায় ইয়ামাল

ফাইনালের আগে ও মাঝে ঝড় তুলবেন শাকিরা-বিটিএস, দেখে নিন সূচি

স্পেন আগে গোল করলে চ্যাম্পিয়ন হবে কোন দল জানালেন জার্মান কিংবদন্তি

আদালত জামিন দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামীকে মারধর, কারাগারে স্ত্রী

‘প্রধানমন্ত্রী যে বাংলাদেশ চান মন্ত্রী-এমপিরা সেই রাজনীতিকে ধারণ করছে না’

ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য জুলাই সনদকে ইস্যু করতে চায় বিরোধী দল: খোকন

১০

হবিগঞ্জে এইচএসসি পরীক্ষার্থী নিখোঁজ, থানায় জিডি

১১

টিএসসিতে বিশ্বকাপের খেলা দেখতে এসে প্রাইভেট কার খোয়ালেন দর্শক

১২

যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর মোজতবা খামেনির সঙ্গে এখনো সাক্ষাৎ হয়নি: আরাগচি

১৩

ফুটবল বিশ্বকাপ : গোল্ডেন বুট-বল-গ্লাভ জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যারা

১৪

কাশিমপুর কারাগার থেকে পালানো কয়েদি রিম্পা গ্রেপ্তার

১৫

বন বিভাগের বিরুদ্ধে ১২০০ কমলা গাছ কাটার অভিযোগ

১৬

একই পরিবারের তিন নেতার আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ

১৭

মাদক ব্যবসার অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনে কাঁদলেন স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা

১৮

ডলার ছেড়ে চীনা মুদ্রার লেনদেন ব্যবস্থায় যোগ দিল লিবিয়া

১৯

বহরে আসছে ২১ নতুন উড়োজাহাজ, আন্তর্জাতিক রুটও বাড়াবে ইউএস–বাংলা

২০
X