

চাঁদের বাক-বাকুম
পুরান ঢাকার পায়রা চত্বরে আটতলা ব্যালকনিতে এসে দাঁড়াতেই জোছনার আপ্লূত সম্ভাষণ চাঁদ ভীষণ তুলেছে ডাক— বাক-বাকুম!
নির্ভরা পা ছুঁয়ে চলে গেছে কাটিয়ে সময়— স্মৃতি; নিদারুণ নিষ্ঠুর সে প্রীতি— মেঘ ঘন বলিরেখা মুছে সে যে আবার হৃদয়ে এসে ভালোবেসে অবিশ্বাস্য ঝলমল...
চাঁদ ভীষণ তুলেছে ডাক— বাক বাকুম!
নগরে পাহারা ঘন বেশুমার ভবনে ভবনে ক্লান্তি মোছনের রাতে একাকীত্ব থেকে জাগালো এভাবে হাজার কথার আতিপাতি আজ কুয়াশার বায়বীয় মেখে পাতার বাহার...
চাঁদ ভীষণ তুলেছে ডাক— বাক বাকুম!
মরমে গাইছে কে
মরমে গাইছে কে, ও ফুল কিশোরী?
কৈশোর মোছন কাল; এলো ভোর আলো ফেলে চরাচরে আর নেই শীতল খোলস একরোখা ঢেউ খেলে মনের কিনারে এসে লাগে দখিনের বাউরি বাতাস
বসন্ত ফুটেছে মেয়ে— দেহলতা টলমল কাঞ্চি কার তুলনায় তোমাকে সাজাই মেয়ে কালের কলস নিয়ে বাঁক ভেঙে হেঁটে চলে যাও কবিতার ছন্দে পরাণে পয়ার...
সরলে এভাবে দেখি ঋতুরমা এ সময় গান গায় সবদিকে চতুর কোকিল
চোখেতে প্রশান্তি আলো সূর্য কোণে দেহ সাজে— সোনালি বিকেল ; রাতের কুহক যত, বিহ্বল হবে তোমার প্রতিভ জোছনায়
উর্বরা আবাদি ভূমি ফোটা রজনীর ঘ্রাণে কি যে ব্যাকুলতা স্বপ্ন ফসলের সুপ্তবীজ বুনে দিক কালের কৃষক; ঝরিয়ে ঝরিয়ে— ঘাম কণা কণা
মরমে গাইছে শোন— বসন্ত বাউল !