কালবেলা ডেস্ক
প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৫, ১০:৫৯ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বায়ুদূষণের শীর্ষ পাঁচে ঢাকা

বায়ুদূষণের মধ্যে রাস্তা পার হচ্ছেন এক নারী। পুরোনো ছবি
বায়ুদূষণের মধ্যে রাস্তা পার হচ্ছেন এক নারী। পুরোনো ছবি

জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা কারণে পৃথিবীর বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। দীর্ঘদিন ধরে মেগাসিটি ঢাকার বাতাসও দূষিত। রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে ১৬০ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় চতুর্থ স্থানে রয়েছে ঢাকা। বায়ুমানের এ স্কোর দূষণের দিক থেকে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়।।

এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ১৭৮ স্কোর নিয়ে বিশ্বের দূষিত শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর। এ ছাড়া ১৭০ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি এবং ১৬৭ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইতালির মিনালো। একই সময়ে পঞ্চম অবস্থানে থাকা চীনের হ্যাংজুর স্কোর ১৫৯।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার এ তালিকা প্রকাশ করে থাকে। প্রতিমুহূর্তের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই (এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স) সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বায়ু কতটুকু নির্মল বা দূষিত হচ্ছে, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দিয়ে আসছে প্রতিষ্ঠানটি। আর তাদের কোনো ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে কি না, তা জানিয়ে থাকে।

একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ সহনীয় বা মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর।

১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। একইভাবে একিউআই স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। আর ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।

বায়ুদূষণ গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। এটা সব বয়সী মানুষের জন্য ক্ষতিকর। তবে শিশু, অসুস্থ ব্যক্তি, প্রবীণ ও অন্তঃসত্ত্বাদের জন্য বায়ুদূষণ খুবই ক্ষতিকর।

বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।

২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো—ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।

ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএইচও) অনুসারে, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যানসার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১ দলের স্থগিত সংবাদ সম্মেলন নিয়ে যা বলছে ইসলামী আন্দোলন

লিবিয়ায় বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত মেজর জেনারেল হাবীব উল্লাহ

চবিতে শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে দুদকের অভিযান

বিএনপি নেতা ডাবলুর জানাজা সম্পন্ন

নরসিংদীতে অস্ত্র-গুলিসহ গ্রেপ্তার ৭

তিন মুসলিম দেশের মার্কিন ঘাঁটি উড়িয়ে দেওয়ার ‍হুঁশিয়ারি ইরানের

হাইকোর্টের নির্দেশে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন এবি পার্টির সেই প্রার্থী

মোংলা বন্দরে বিদেশি জাহাজ আটক

হঠাৎ কথা বলতে পারছেন না শবনম ফারিয়া

গাজায় আইএসএফে বাংলাদেশের যোগদানের প্রস্তাবে আলোচনা চলছে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

১০

স্পিরিট পানে আরও দুজনের মৃত্যু

১১

ফারহান-কেয়া জুটিতে আসছে ‘ইউ অ্যান্ড মি ফরএভার’

১২

সাড়ে ৪ বছর পর হারানো সিংহাসন ফিরে পেলেন কোহলি

১৩

রাফসান-জেফারের ছবিতে সাফার আবেগঘন মন্তব্য

১৪

চবি উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ চায় ছাত্রদল

১৫

ইসলামপন্থার একবক্স নীতি বহাল রাখতে আলোচনা চলমান : ইসলামী আন্দোলন

১৬

নতুন কর্মসূচি দিয়ে সড়ক ছাড়লেন ৭ কলেজের শিক্ষার্থীরা

১৭

মানুষ আমাকে ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে আছে : তাহেরী

১৮

মস্তিষ্কে স্ট্রোক ও কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসে সংকটাপন্ন হুজাইফা

১৯

গোধূলিতে নতুন ‘অস্ত্র’ পেলেন গার্দিওলা

২০
X