ভোলার মেঘনা নদীতে ডুবে যাওয়া ড্রেজার থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ড্রেজারটির কেবিন থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি দল। এখনো অপর তিন শ্রমিকের সন্ধান পাওয়া যায়নি।
মঙ্গলবার (৯ জুলাই) ভোর রাতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ডুবুরি দল।
উদ্ধার দুজন হলেন মো. আরিফুর ইসলাম ও নুরে আলম। নুরে আলম ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির মালিক ছিলেন। নিখোঁজ তিনজন হলেন মো. হারুন, সিয়াম আহমেদ ও তানজিল আহমেদ। তাদের সবার বাড়ি ভোলা সদর উপজেলার ৩ নম্বর পশ্চিম ইলিশা ইউনিয়নের পাঙ্গাশিয়া গ্রামে।
ইলিশা নৌ-থানার ইন্সপেক্টর বিদ্যুৎ কুমার বড়ুয়া কালবেলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সোমবার (৮ জুলাই) বিকেলে নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড ও ফায়ার সার্ভিসের যৌথ অভিযানে ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির সন্ধান পাওয়া যায়। আজ ভোর রাতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সকাল থেকে নিখোঁজ তিন শ্রমিককে উদ্ধারে সরকারি-বেসরকারি ডুবুরি দল কাজ করে যাচ্ছে।
ভোলা ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মো. লিটন বলেন, গতকাল বিকেলে ফায়ার সার্ভিস, নৌপুলিশ ও কোস্টগার্ডের যৌথ অভিযানে ডুবে যাওয়া ড্রেজারটির অবস্থান শনাক্ত করা হয়। আজ সকাল ৮টা থেকে পুনরায় উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। এর আগেই মালিকপক্ষের ভাড়াটে ডুবুরি দল ভোররাতে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে। এখন ভাড়াটে ডুবুরি দল ও সরকারি ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। বাকি তিনজনের মরদেহ খোঁজা হচ্ছে।
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এইচ এম হারুন অর রশিদ কালবেলাকে বলেন, ড্রেজারটির দুটি কেবিন ভেতর থেকে আটকানো। মেঘনায় পানির তীব্র স্রোত। যার কারণে উদ্ধার অভিযান ব্যাহত হচ্ছে। ডুবুরি দল চেষ্টা করছে ড্রেজারটি নদীর তলদেশ থেকে ভাসমান অবস্থায় নিয়ে আসার জন্য।
ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আরিফুজ্জামান বলেন, নিখোঁজ শ্রমিকদের লাশ উদ্ধারে ডুবুরি দল তৎপর রয়েছে। জেলা প্রশাসকের একটি দল বিষয়টি মনিটরিং করছে।
এর আগে রোববার (৭ জুলাই) গভীর রাতে ভোলার মেঘনা নদীর গাজীপুর চর নামক এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের সময় আফসানা-১ নামের ড্রেজারটি ৫ শ্রমিক নিয়ে ডুবে যায়।
মন্তব্য করুন