

ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ না খেলানোর সিদ্ধান্ত বাতিলের জন্য শেষ মুহূর্তে যে আবেদন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি), তা আইসিসির ডিসপিউট রেজুলেশন কমিটি (ডিআরসি) শুনতে পারবে না।
ভারতীয় সংবাদ সংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী বোর্ড অব ডিরেক্টরসের নেওয়া সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ডিআরসি আপিল গ্রহণের এখতিয়ার রাখে না। ফলে বাংলাদেশের এই উদ্যোগ কার্যত নিষ্ফল হওয়ার পথেই।
এর আগে বাংলাদেশের এমন অবস্থান থেকে সরে আসতে গত বুধবার আইসিসি পূর্ণ সদস্য দেশের বোর্ড পরিচালকদের নিয়ে একটি সভা ডেকেছিল। সেখানে ভোটাভুটিতে বাংলাদেশ ১৪-২ ব্যবধানে হেরে যায়। নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসতে আরও ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছিল বিশ্ব ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি)।
কিন্তু বাংলাদেশ সাফ জানিয়ে দিয়েছে, তারা ভারতে খেলতে হলে বিশ্বকাপ বর্জন করবে।
তবে গভর্নিং বোর্ডের সিদ্ধান্ত ঘুরিয়ে দেওয়ার শেষ চেষ্টা হিসেবে আইসিসির বিবাদ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) কাছে আপিল করেছিল বিসিবি। তবে তাদের আপিল সাব কমিটির এখতিয়ারের বাইরে হওয়ায় তা শুনানিতে যাচ্ছে না।
ডিআরসির টার্ম অব রেফারেন্সের ১.৩ ধারা অনুযায়ী বোর্ড পরিচালকদের মাধ্যমে নেওয়া আইসিসির কোনো সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল পরিচালনা করতে পারবে না ডিআরসি। এবার শেষ চেষ্টা হিসেবে ক্রীড়া আদালতের দ্বারস্থ হতে পারে বিসিবি।
পিটিআইকে বিসিবির এক সূত্র জানিয়েছেন, ‘হ্যাঁ, বিসিবি আইসিসির ডিআরসির দ্বারস্থ হয়েছে, কারণ তারা তাদের সব কটি বিকল্পই যাচাই করে দেখতে চায়। যদি ডিআরসি বিসিবির বিরুদ্ধে রায় দেয়, তবে একমাত্র সংস্থা যেটির দ্বারস্থ হওয়া সম্ভব তা হলো সুইজারল্যান্ডের কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস।’
এদিকে জানা গেছে, দুবাইয়ে পৌঁছে গেছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। সেখানেই বাংলাদেশের স্থলাভিষিক্ত হিসেবে স্কটল্যান্ডের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানাতে পারেন তিনি। এ ছাড়া বাংলাদেশের এমন সিদ্ধান্তে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারেন জয় শাহ, এমনটাই জানিয়েছে ভারতের গণমাধ্যম পিটিআই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক সূত্র পিটিআইকে বলেন, ‘আমিনুল ইসলাম বুলবুলের ওপর আইসিসি বোর্ড সদস্যরা ক্ষুব্ধ। কেন তিনি আইসিসিকে না জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করলেন? আসিফ নজরুলের আইসিসির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা নেই কিন্তু বুলবুলের উচিত হয়নি আইসিসিকে তাদের সিদ্ধান্তের কথা জানানোর আগেই সংবাদ সম্মেলন করার।’
মন্তব্য করুন