ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ আগস্ট ২০২৩, ০৬:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

নির্মাণের ১৫ দিনেই ভেঙে পড়ল ব্রিজ

ধরলার তীব্র স্রোতে ভেঙে পড়েছে নতুন ব্রিজ। ছবি : কালবেলা
ধরলার তীব্র স্রোতে ভেঙে পড়েছে নতুন ব্রিজ। ছবি : কালবেলা

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার চর-গোরকমণ্ডল এলাকায় নির্মাণের ১৫ দিনের মধ্যেই ভেঙে পড়েছে ব্রিজ। এতে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

স্থানীয়দের অভিযোগ, আকারে ছোট হওয়ার কারণে ব্যাপক পরিমাণ পানি নিষ্কাশন করতে না পারায় ব্রিজটি ভেঙে পড়েছে।

আরও পড়ুন : পানি বৃদ্ধিতে ধসে পড়ছে নদীর তীর

জানা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদের উন্নয়ন সহায়তার বরাদ্দে ৪ লাখ ৩১ হাজার ২০০ টাকা ব্যয়ে চর-গোরকমণ্ডল এলাকায় ১০ ফিট দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করা হয়। নির্মাণ শেষে হস্তান্তরের ১৫ দিনের মধ্যে গত ১৫ জুলাই রাতে ধরলার তীব্র স্রোতে সম্পূর্ণ ব্রিজ ভেঙে পড়ে। ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে হাটবাজার, স্কুল- কলেজ যাওয়া, জরুরি চিকিৎসাসেবা, কৃষি পণ্যে বিক্রয়সহ নিত্য-নৈমত্তিক প্রয়োজনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ।

চর-গোরকমণ্ডল এলাকার নেসার আলী, জহুরুল হক ও শফিকুল ইসলাম জানান, আমরা বারবার বলেছি এখানে বড় ব্রিজ দেন, যারা কাজ করেছে তারা আমাদের কথা শোনেনি। মাত্র ১০ ফিট দৈর্ঘ্যের একটি ব্রিজ করেছে। ব্রিজের কাজের মানও ভালো ছিল না। সেইসঙ্গে ব্রিজের দুই পাশের সড়কের মাটি ভরাটের কাজ ভালোভাবে না করায় ধরলার স্রোতে ব্রিজটি ভেঙে গেছে। আমরা মাত্র ১৫ দিন ব্রিজ দিয়ে চলাচল করেছি। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় আমাদের চলাচলের বড় কষ্ট হয়েছে। চর-গোরকমণ্ডল আবাসনের বাসিন্দা তোফাজ্জাল হোসেন জানান, ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় আবাসনবাসীসহ হাজার হাজার মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। ব্রিজের সঙ্গে প্রায় ৪০ ফিট সড়ক ভেঙে বড় গর্তে পরিণত হওয়ায় আমাদের ছেলেমেয়েরা স্কুল-কলেজে যেতে পারছে না। আমরা যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় পড়ে আছি।

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ব্রিজের ঠিকাদার হাছেন আলী জানান, ভালোভাবে ব্রিজের কাজ করা হয়েছে। কিন্তু ধরলার তীব্র স্রোতের কারণে ব্রিজটি ভেঙে গেছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আশা করছি সেখানে ত্রাণের বরাদ্দে একটি বড় ব্রিজ নির্মাণ হবে।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১৪ জেলায় ২১ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ

যুদ্ধ বন্ধে ইউক্রেনকে যে শর্ত জুড়ে দিল রাশিয়া

জয়ের সুবাস পাচ্ছে বাংলাদেশ

হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেলের রজতজয়ন্তী উদযাপিত

পুলিশকে কোপানোর ঘটনায় বাবা-ছেলে গ্রেপ্তার

একা থাকা আর একাকিত্ব অনুভব করা এক বিষয় নয়, বলছে গবেষণা

ফেব্রুয়ারিতে দুই দফায় মিলবে ৮ দিনের ছুটি

‘মৃত্যুর পর জাভেদের সম্মাননা’ প্রত্যাখ্যান করলেন নায়কের স্ত্রী

তৃতীয় বারের মতো সরস্বতী পূজায় নারী পুরোহিত সমাদৃতা

বিদেশি কূটনীতিকদের সঙ্গে রোববার বৈঠকে বসছে নির্বাচন কমিশন

১০

শনিবার ১১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

১১

সুখবর পেলেন বিএনপির আরও ২ নেতা

১২

সিডনির কাছে বড় হার, ফাইনালে যাওয়া হলো না রিশাদদের

১৩

গ্রেপ্তারের ১০ মিনিট পর হাসপাতালে আসামির মরদেহ ফেলে পালাল পুলিশ

১৪

ভারতে না এলে ক্ষতিটা বাংলাদেশেরই, দাবি সাবেক ভারতীয় অধিনায়কের

১৫

বিপিএলে টস জিতে বোলিংয়ে চট্টগ্রাম

১৬

এই ৪ অভ্যাসে বাড়বে আপনার সন্তানের বুদ্ধি

১৭

কারাগারে দুই খুনির প্রেম, বিয়ের জন্য ১৫ দিনের জামিন

১৮

জামায়াতসহ ১০ দলীয় জোটের প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কে

১৯

প্রশ্নপত্র ফাঁসের তথ্য জেনেও অনুষ্ঠিত ৭ কলেজের পরীক্ষা, তদন্তে ৩ সদস্যের কমিটি  

২০
X