শুক্রবার, ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২
কালবেলা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০২৫, ০৬:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ

দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতেই পানির নিচে খুলনার দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা

খুলনায় জলাবদ্ধতার একটি চিত্র। ছবি : কালবেলা
খুলনায় জলাবদ্ধতার একটি চিত্র। ছবি : কালবেলা

বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে গেছে খুলনা নগরীর অধিকাংশ সড়ক। বিভিন্ন এলাকায় বাড়িঘর ও সড়কের পাশে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পানি ঢুকেছে। নিম্নাঞ্চলে দেখা দিয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নবিত্ত ও খেটে খাওয়া মানুষ। মাত্র দুই ঘণ্টার বৃষ্টিতেই পানির নিচে খুলনার দুই-তৃতীয়াংশ এলাকা।

মঙ্গলবার (১৭ জুন) বৃষ্টিতে অধিকাংশ সড়কে হাঁটুপানি জমেছে। সড়কগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় কোথাও কোথাও সড়কে যানবাহন আটকা পড়েছে। ফলে যানজটে পড়তে হয়েছে নগরবাসীকে। রাতের সামান্য বৃষ্টিতে নগরীর একাদিক গুরুত্বপূর্ন সড়ক তলিয়ে যাওয়াই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছে কর্মজীবী মানুষ ও শিক্ষার্থীরা।

নগরীর এ দুর্বিষহ অবস্থার জন্য সিটি করপোরেশনের দূরদর্শিতার অভাব, পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকা, খাল-বিল দখল আর সঠিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার অভাবকে দায়ী করছেন নগরবাসী।

খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) এলাকার মধ্যে মোট সড়ক আছে ১ হাজার ২১৫টি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর রাতের বৃষ্টিতে নগরীর টুটপাড়া, রয়েল মোড়, সাত রাস্তা মোড়, মিস্ত্রিপাড়া, খালিশপুর, নিউ মার্কেট এলাকা, শান্তিধাম মোড়, বসুপাড়া, ফুলবাড়িগেট, আলমনগর, মুজগুন্নি আবাসিক এলাকা, কুয়েট রোড, দৌলতপুরের একাধিক এলাকাসহ বেশ কিছু নিম্নাঞ্চলের রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। সাধারণ মানুষ বিশেষ করে কর্মজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষরা চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

নগরবাসী বলছেন, শুধু ড্রেন নির্মাণ করলেই হবে না নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। বর্জ্য পড়ে অধিকাংশ নতুন ড্রেন ভরাট হয়ে গেছে। এ বিষয়ে কেসিসির নজরদারি কম। সঠিকভাবে তদারকির অভাবে বিপুল অর্থ ব্যয় কাজে আসছে না।

নগরীর টুটপাড়ার বাসিন্দা ফাতিন আব্দুল্লাহ বলেন, ‘এই রোডে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে। সম্প্রতি সড়কের দুই পাশে নতুন ড্রেন নির্মাণ করা হয়।এরপরও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।’

ফাতিন আরও বলেন, ‘এ এলাকার বাড়ির ভেতরের পানি কোনোভাবেই সড়কের ড্রেনে আসে না। সিটি করপোরেশন যে ড্রেন বানিয়েছে বাড়ি থেকে উঁচুতে। এতে বাড়ির ভেতর জমে থাকা পানি কোনোভাবেই সেখানে যায় না।’

ছোট মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা মিথিলা মজুমদার বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে গরম কিছুটা কমলেও বাসার আশপাশ দিয়ে পানি জমে গেছে, যে কারণে চলাচল করতে খুবই ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। এমনকি এই সড়কগুলো দিয়ে গাড়িও চলাচল করছে না।’

খুলনা আবহাওয়া অফিসের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. মিজানুর রহমান বলেন, সোমবার (১৬ জুন) দুপুর ১২টা থেকে মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত খুলনায় ৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এটা এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টি। গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনায় এ বছরের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে বিএনপি নেতার আবেদন

এশিয়ার সর্বপ্রথম মেডিকেল অ্যানাটমি লার্নিং অ্যাপ ভার্চুকেয়ারের উদ্বোধন করলেন সাকিফ শামীম

ছাত্রদল ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির আঁতুড়ঘর : মান্নান

মনোনয়নপত্র নিয়ে যে বার্তা দিলেন বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুল

গাইবান্ধায় ১৪৪ ধারা জারি

খালেদা জিয়া কখনো জোর করে ক্ষমতায় থাকেননি : খায়রুল কবির

জামায়াতের প্রার্থীকে শোকজ

সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হলে বিএনপি ক্ষমতায় আসবে : সেলিমুজ্জামান

নির্বাচন সুষ্ঠু হবে কি না, সন্দেহ রয়ে গেছে : মঞ্জু

ঢাবির ৪ শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের জন্য চার্জ গঠন

১০

নবম পে-স্কেলে সর্বোচ্চ বেতন নিয়ে যা জানাল কমিশন

১১

ইউজিসি কর্মচারী ইউনিয়নের নতুন কমিটির অভিষেক

১২

গ্যাস যেন সোনার হরিণ, এলপিজি সংকটে নাভিশ্বাস

১৩

খালেদা জিয়া ছিলেন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের বহ্নিশিখা : কবীর ভূঁইয়া

১৪

মুসাব্বির হত্যা নিয়ে মির্জা ফখরুলের প্রতিক্রিয়া

১৫

ছাত্রলীগ পুনর্বাসিত হচ্ছে শিবিরের দ্বারা : ডা. আউয়াল

১৬

আইসিসিকে পাঠানোর বিসিবির নতুন চিঠিতে যা আছে

১৭

জবির ‘ডি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুক্রবার

১৮

মুদ্রা ছাপাতে প্রতি বছর ব্যয় ২০ হাজার কোটি টাকা : গভর্নর

১৯

পাকিস্তান থেকে জেএফ-১৭ কিনছে সৌদি আরব

২০
X