

রাজশাহীর ঐতিহ্যবাহী মাদ্রাসা ময়দানে বিএনপির মহাসমাবেশ শুরু হয়েছে বিপুল জনসমাগমের মধ্য দিয়ে। মানুষের ঢলে মাদ্রাসা ময়দান ও আশপাশের এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল থেকেই রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হচ্ছেন।
রাজশাহী নগরী ঘুরে দেখা গেছে, সকাল থেকেই রাজশাহী নগরের বিভিন্ন ওয়ার্ড, থানা ও উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে প্রবেশ করেন। মিছিলে নানা ধরনের স্লোগান, ব্যানার ও ফেস্টুনে মুখরিত হয়ে ওঠে পুরো ময়দান। সংসদ সদস্য প্রার্থীদের বড় বহর মাঠে প্রবেশ করলে উচ্ছ্বাস আরও বেড়ে যায়।
বিপুল মানুষের চাপে সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়েছে। অনেক তরুণকে প্রিয় নেতাদের এক নজর দেখার আশায় গাছ, উঁচু দেয়াল ও বিভিন্ন স্থাপনার ওপর উঠে আগে থেকেই দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। তরুণ, যুবক, বৃদ্ধ— সব বয়সী মানুষের উপস্থিতিতে মাদ্রাসা ময়দান পরিণত হয়েছে এক বিশাল জনসমুদ্রে।
সমাবেশ ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। মাঠ ও আশপাশে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবিকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে। সভামঞ্চের সামনে ও গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। আকাশে ড্রোন উড়তে দেখা গেছে, যার মাধ্যমে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
রাজশাহী নগর পুলিশের উপকমিশনার মো. গাজিউর রহমান কালবেলাকে বলেন, জনসভা এবং তারেক রহমানের নিরাপত্তা দিতে পর্যাপ্তসংখ্যক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ইতোমধ্যে সাদা পোশাকে পুলিশের গোয়েন্দারা কাজ করছেন। যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে তারা সতর্ক আছেন।
উল্লেখ্য, সর্বশেষ ২০০৪ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী জেলা স্টেডিয়ামে তৃণমূলের প্রতিনিধি সভায় যোগ দিয়েছিলেন তারেক রহমান। দীর্ঘ দুই দশক পর পদ্মাপাড়ের বিভাগীয় শহর রাজশাহীর রাজনীতিতে নতুন প্রত্যাশা ও নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।
মন্তব্য করুন