

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলতে না যাওয়া বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয়? বিশ্বকাপ বয়কট করারও পরিকল্পনা করছে তারা। সেজন্য ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি। শুক্রবার কিংবা সোমবারের মধ্যেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে টুর্নামেন্টের সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।
এমন পরিস্থিতিতে পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভির দিকে নজর রাখছে গোটা ক্রিকেট দুনিয়া। শুধু তাই নয়? এর মধ্যে নাকি পিসিবি চেয়ারম্যানকে ৮ বার কল দিয়েছেন আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ। কিন্তু, একবারও সাড়া দেননি পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ইস্যুতে পাকিস্তানের গো ধরার কাছে কি শেষপর্যন্ত নতি স্বীকার করবে আইসিসি? নাকভিকে জয়ের কল দেওয়ার খবর ছাড়াও আরও চাঞ্চল্যকর কিছু তথ্য প্রচার করেছে পাকিস্তানের গণমাধ্যম। যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়ে গেছে পাকিস্তানের ক্রিকেটপ্রেমীদের মধ্যে।
এর কারণটা অবশ্য সবারই জানা। প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সাথে বৈঠকের পর পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, বিশ্বকাপ ও বাংলাদেশ ইস্যুতে পাকিস্তানের অবস্থান কেমন হচ্ছে তা জানানো হবে ৩০ জানুয়ারি বা ২ ফেব্রুয়ারি। পাকিস্তানের গণমাধ্যম জিএনএন অবশ্য দাবি করেছে, শুক্রবারই পাকিস্তান তাদের অবস্থান জানিয়ে দিবে। আর তা ঘোষণা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানের সিদ্ধান্ত কী হবে, তা এখনও অজানা। তবে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারেন মহসিন নাকভি, যিনি একইসাথে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।
এদিকে পাকিস্তানের বিশ্বকাপ খেলা নিয়ে সিদ্ধান্ত ঝুলে থাকায় আইসিসি বেশ চাপেই রয়েছে। বাংলাদেশের বদলি হিসেবে স্কটল্যান্ডকে বিশ্বকাপে নিলেও পাকিস্তানের বদলি হিসেবে কোনো দলকে প্রস্তুত করার সময়টাও পাচ্ছে না। শেষপর্যন্ত যদি পাকিস্তান বিশ্বকাপে না যায়, তাহলে বিশ্বকাপ আয়োজন নিয়েও তৈরি হবে সংশয়। কারণ বাংলাদেশ ও পাকিস্তান দুই দলই বিশ্বকাপে না থাকা মানে আইসিসির আয়ে বড় অঙ্কের ভাঁটা তৈরি হবে। প্রশ্ন উঠবে বিশ্বকাপ ও আইসিসির গ্রহণযোগ্যতা নিয়েও।
বিশ্বকাপ বয়কট ছাড়াও পাকিস্তানের সামনে আরও কিছু বিকল্প পথ খোলা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, শুধু ভারত ম্যাচ বয়কট, অথবা বাংলাদেশকে প্রতিটি জয় উৎসর্গ করা, অথবা বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে কালো আর্মব্যান্ড পরে খেলতে নামার মতো ভাবনা।
মন্তব্য করুন