

শেরপুরে অবৈধভাবে ব্যালট ছিনতাই ও ছিল মারার প্রদানের অপরাধে বিএনপির এক কর্মীকে তিন বছরের কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া এ রায় দেন।
এ সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্টকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
পুলিশ জানায়, সকাল ৯টায় শেরপুর-১ (শেরপুর সদর) আসনের চরমোচারিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভোটকেন্দ্রে বিএনপির ১৫-২০ জনের একটি দল কেন্দ্র দখল করে ধানের শীষ প্রতীকের এজেন্টদের বের করে দিয়ে অবৈধভাবে ছিল দেওয়া শুরু করে। এ সময় তারা ২৬টি ব্যালট পেপার নির্ধারিত বক্সে ঢুকিয়েও ফেলেন। এছাড়া গণভোটের ব্যালট ও প্রতীক সম্বলিত দুটি ব্যালট পেপারের বই ছিনিয়ে নিয়ে যায়।
পরে খবর পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট শিবরাজ চৌধুরী, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সেনাবাহিনীর টহল টিম দ্রুত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে। এ সময় একজনকে আটক করা হয়। এছাড়াও খোয়া যাওয়া ব্যালট পেপার পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরবর্তীতে ব্যালট পেপারের বই ও বক্সে রাখা ব্যালট পেপার বাতিল করে কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ চালু করে।
পরে আটক মো. মাসুদ মিয়াকে বিচারিক আদালতের মাধ্যমে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান ভুঁইয়া ৩ বছরের কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকের এজেন্ট মো. বেলাল হোসেনকে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ২০০০ টাকা জরিমানা করা হয়।
শেরপুর সদর থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অন্য ব্যক্তিকে জরিমানা করা হয়েছে। আসামিকে কারাগারে পাঠানো হবে।