

সিলেটে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে নিজের সন্তানের গ্রেপ্তারের ঘটনায় সিলেট মহানগর বিএনপির ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুম্মান আহমদ দল থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) তিনি সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ আহমদ চৌধুরী বরাবর অব্যাহতি পত্র জমা দেন।
অব্যাহতির বিষয়টি কালবেলাকে নিশ্চিত করেছেন সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী।
অব্যাহতির চিঠিতে রুমান আহমদ উল্লেখ করেন, তিনি মনেপ্রাণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর আদর্শ ও নিয়ম-কানুন মেনে চলেন। গত ৭ মার্চ ঘটে যাওয়া একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনায় তার ছেলেকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। যদিও তার দাবি, তার সন্তান সম্পূর্ণ নির্দোষ।
চিঠিতে তিনি আরও জানান, একজন দায়িত্বশীল কর্মী হিসেবে তার ব্যক্তিগত বা পারিবারিক কোনো কারণে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হোক, তা তিনি চান না। এ কারণেই তিনি ১৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়ায় যদি তার সন্তান নির্দোষ প্রমাণিত হয়, তবে ভবিষ্যতে দল যেন তাকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করে।
সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী কালবেলাকে বলেন, অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে ১৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রুম্মান আহমদ পদত্যাগ পত্র আমাদের কাছে দিয়েছেন। তিনি সম্পাদকের পদ থেকে স্বেচ্ছায় সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আইনি প্রক্রিয়ায় যদি তার সন্তান নির্দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে ভবিষ্যতে দল যেন তাকে পুনরায় দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করবে।
তিনি আরও বলেন, কেউ যদি কোনো অপকর্মের সঙ্গে জড়িত তাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিএনপি কঠোর ব্যবস্থা নেবে।