বরিশাল প্রতিনিধি
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৩ এএম
আপডেট : ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ এএম
অনলাইন সংস্করণ

বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার অফিস ভাঙচুর করলেন বিক্ষুব্ধ নারীরা

স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার জামিনের বিরোধীতা করে মানববন্ধন করেন বিক্ষুব্ধ নারীরা। ছবি : কালবেলা
স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার জামিনের বিরোধীতা করে মানববন্ধন করেন বিক্ষুব্ধ নারীরা। ছবি : কালবেলা

আন্দোলনের মুখে চাঁদাবাজি মামলায় গ্রেপ্তারের পর বহিষ্কৃত স্বেচ্ছাসেবক দল নেতার ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ভাঙচুর করেছেন বিক্ষুব্ধ নারীরা।

রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে বরিশাল নগরীর নতুন বাজার এলাকায় জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে থাকা অফিসে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, ‘পদক্ষেপ’ এনজিওর নামে অফিসটি দখলে নিয়েছিলেন বরিশাল জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক মিল্টন চৌধুরী। এনজিও কার্যালয়ের নামে কক্ষটি নেওয়া হলেও সেটাকে তিনি রাজনৈতিক অফিস হিসেবে ব্যবহার করতেন। ওই কার্যালয়কে তিনি টর্চার সেল বানিয়ে রেখেছিলেন। তার যন্ত্রণায় এলাকাবাসী অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিল। এ কারণে ওই অফিসটি ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধরা।

অভিযুক্ত মিল্টন নগরীর কাউনিয়া বাগানবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। ইতিপূর্বে দলীয় কর্মীকে হত্যা এবং বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়ার ঘটনায় স্বেচ্ছাসেবক দল থেকে বহিষ্কার হন মিল্টন। বহিষ্কারের পরও তিনি বিএনপির নাম ভাঙিয়ে এলাকায় ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অপকর্মে লিপ্ত ছিলেন। এসব অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারের দাবিতে শনিবার (১৮ এপ্রিল) দুপুরে কাউনিয়া থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন এলাকাবাসী। ওই দিনই চাঁদাবাজির অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে।

আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হওয়ায় রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেলে কাউনিয়া থানার ওসি রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়। বিএমপি কমিশনার স্বাক্ষরিত এক আদেশে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।

এদিকে, গ্রেপ্তার মিল্টন রোববার আদালতে জামিনের আবেদন করেন। খবর পেয়ে এলাকাবাসী আদালত চত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। পরে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তার জামিন না মঞ্জুর করে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করেন। এরপর রাতে পুলিশের সামনেই নতুন বাজার জেলা পরিষদ মার্কেটের ছাদে মিল্টনের কার্যালয়ে ভাঙচুর করে স্থানীয় নারী-পুরুষরা। এ সময় তার অফিস কক্ষের টেবিলের ড্রয়ারে মেয়েদের আপত্তিকর জিনিস পাওয়া যায়।

এদিকে, ঘটনার সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও এলাকাবাসীর তোপের মুখে পড়তে হয় তাদের। এ কারণে ভাঙচুরে বাধা দিতে যাননি তারা। তবে এনিয়ে বক্তব্য দিতে রাজি হননি ঘটনাস্থলে থাকা থানা পুলিশ।

কাউনিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ রফিকুল ইসলামকে সরকারি নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বরিশাল কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আল মামুন উল ইসলাম বলেন, বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী মিল্টনের অফিসে ভাঙচুর করেছেন৷ তবে ঘটনাস্থল কাউনিয়া থানার অধীনে হওয়ায় আমাদের থানা পুলিশ সেখান থেকে ফিরে আসেন।

কালবেলা অনলাইন এর সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

আর্জেন্টিনার বেস ক্যাম্পের শহরে বন্দুক হামলা

তুরিন আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ

২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ‘মাই ট্রি’ অ্যাপ পরীক্ষামূলক চালু

রিসার্চ ডটকম র‍্যাঙ্কিংয়ে  / দেশের শীর্ষ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইইউবি

হামিদ রায়হানের কবিতা : মাটির পতাকার গাঁথা

ঢাবিতে ডেনিশ ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান রাইটস প্রতিনিধিদলের সঙ্গে মতবিনিময়

তিন ঘণ্টা ওঝার ঝাড়ফুঁক, শেষ পর্যন্ত প্রাণ গেল কৃষকের

তিন নতুন জিরো : ইউনূস সরকারের তিক্ত প্রাপ্তি

ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি বিধান দেশে নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আইসিএবির উদ্যোগে ‘উইমেন ইন লিডারশিপ অ্যান্ড গভর্ন্যান্স কনফারেন্স ২০২৬’

১০

স্লোগান লেখা নিয়ে উত্তেজনা, কারাগারে ছাত্রলীগ নেতা

১১

নাহিদ রানার ভয়ে কাঁপছে অস্ট্রেলিয়াও

১২

এআইইউবিতে নোবেলজয়ী ড. অ্যান ল’হুইলিয়ারের ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত

১৩

দ্বিতীয় ধাপে ১০০ উপজেলা-পৌরসভায় প্রার্থী ঘোষণা করবে এনসিপি

১৪

রাজশাহীর আম যাচ্ছে ফ্রান্সে

১৫

আরেক প্রশাসকের বিদেশযাত্রার আবেদন বাদ দিলেন প্রধানমন্ত্রী

১৬

নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের কার্যক্রম গ্রহণের নির্দেশ প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার

১৭

২ কোটি টাকা নিয়ে নারী হকির পাশে ব্র্যাক ব্যাংক

১৮

সিআইডি পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ, যুবক গ্রেপ্তার

১৯

হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে ইরানের ওপর ইইউ’র নতুন নিষেধাজ্ঞা

২০
X